Skip to main content
Status: Active Date of Publication: ৩০ জুন , ২০২৬ Act No: ২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন যেহেতু সরকারের আর্থিক প্রস্তাবাবলি কার্যকরকরণ এবং নিম্নবর্ণিত উদ্দেশ্যসমূহ পূরণকল্পে কতিপয় আইন সংশোধন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:-

প্রথম অধ্যায় - প্রারম্ভিক

সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন

১। (১) এই আইন অর্থ আইন, ২০২৬ নামে অভিহিত হইবে। (২) Provisional Collection of Taxes Act, 1931 (Act No. XVI of 1931) এর অধীন এই আইনের ষষ্ঠ অধ্যায়ে উল্লিখিত জনস্বার্থে জারীকৃত ঘোষণা সাপেক্ষে, এই আইন ২০২৬ সনের ১ জুলাই তারিখে কার্যকর হইবে।

দ্বিতীয় অধ্যায় - মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৪৭ নং আইন) এর সংশোধন

২০১২ সনের ৪৭ নং আইনের ধারা ২ এর সংশোধন

২। মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৪৭ নং আইন), অতঃপর উক্ত আইন বলিয়া উল্লিখিত, এর ধারা ২ এর- (ক) দফা (১৮ক) এর উপ-দফা (ক) এর প্রারম্ভে উল্লিখিত “শ্রম,” শব্দ ও কমা বিলুপ্ত হইবে; (খ) দফা (৩০) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (৩০) প্রতিস্থাপিত হইবে; যথা:- “(৩০) “কর মেয়াদ” অর্থ খ্রিষ্টীয় বর্ষপঞ্জিতে চিহ্নিত এক মাস;” এবং (গ) দফা (৭৬) এর পর নিম্নরূপ নূতন দফা (৭৬ক) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:- “(৭৬ক) “ব্যবসায়ী” বলিতে এমন ব্যক্তিকে বুঝাইবে যিনি তৎকর্তৃক আমদানিকৃত, ক্রয়কৃত, অর্জিত বা অন্য কোনভাবে সংগৃহীত পণ্যের কোনরূপ আকৃতি, প্রকৃতি, বৈশিষ্ট্য বা গুণগত পরিবর্তন না করিয়া পণের বিনিময়ে অন্য কোন ব্যক্তির নিকট বিক্রয় বা অন্যবিধভাবে হস্তান্তর করেন;”।

২০১২ সনের ৪৭ নং আইনের ধারা ৪ এর সংশোধন

৩। উক্ত আইনের ধারা ৪ এর উপ-ধারা (২) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-ধারা (৩) সংযোজিত হইবে, যথা:- “(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রসমূহে ব্যবসায় সনাক্তকরণ সংখ্যা (BIN) বা তালিকাভুক্তির প্রমাণক বাধ্যতামূলকভাবে উপস্থাপন করিতে হইবে, যথা:- (ক) যে কোন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কোন ব্যাংক বা NBFI বা অন্য কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে চলতি হিসাব বা STD হিসাব খোলা ও পরিচালনার ক্ষেত্রে; (খ) কোন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ব্যাংক বা NBFI বা অন্য কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠান হইতে ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে; (গ) ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রে; (ঘ) কোন Mobile Financial Services (MFS) এর Marchant Account খোলার ক্ষেত্রে; (ঙ) বাণিজ্য সংগঠনের সদস্য পদ গ্রহণ বা নবায়নের ক্ষেত্রে; (চ) কোন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ গ্রহণের ক্ষেত্রে; এবং (ছ) বিআরটিএ হইতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন গ্রহণের ক্ষেত্রে।”।

২০১২ সনের ৪৭ নং আইনের ধারা ১০ এর প্রতিস্থাপন

৪। উক্ত আইনের ধারা ১০ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ১০ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “১০। তালিকাভুক্তিযোগ্য ব্যক্তি ও তালিকাভুক্তি।-(১) কোন ব্যক্তি অর্থনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করিয়া ১২ মাসের মধ্যে যে কোন সময়ে যদি তালিকাভুক্তি সীমা অতিক্রম করেন, কিন্তু নিবন্ধনসীমা অতিক্রম না করেন, তাহা হইলে তিনি উক্ত সীমা অতিক্রম করার অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে, নির্ধারিত শর্ত ও পদ্ধতিতে, টার্নওভার করদাতা হিসাবে তালিকাভুক্তির জন্য eVAT সিস্টেমে আবেদন দাখিল করিবেন। (২) দাখিলকৃত আবেদনটি বিধি দ্বারা নির্ধারিত সময়সীমা, শর্ত ও পদ্ধতি অনুযায়ী যথযথ থাকিলে eVAT সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুমোদনপূর্বক উক্ত ব্যক্তিকে তালিকাভুক্ত করিবেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে উক্ত ব্যক্তির অনুকূলে একটি তালিকাভুক্তি নম্বর সম্বলিত সনদপত্র সরবরাহ করিবেন।”।

২০১২ সনের ৪৭ নং আইনের ধারা ১১ এর সংশোধন

৫। উক্ত আইনের ধারা ১১ এর উপ-ধারা (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(১) তালিকাভুক্ত ব্যক্তি যদি অর্থনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা বন্ধ করিয়া দেন, তাহা হইলে তাহার টার্নওভার কর তালিকাভুক্তি বাতিলের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার নিকট নির্ধারিত সময়সীমা, শর্ত ও পদ্ধতিতে, আবেদন করিতে পারিবেন।”।

২০১২ সনের ৪৭ নং আইনের ধারা ২০ এর প্রতিস্থাপন

৬। উক্ত আইনের ধারা ২০ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ২০ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “২০। আমদানিকৃত সেবার উপর মূল্য সংযোজন কর আরোপ ও আদায়।-(১) এই আইনের অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, প্রথম তফসিলে বর্ণিত অব্যাহতিপ্রাপ্ত সেবাসমূহ ব্যতীত বাংলাদেশে আমদানিকৃত সকল সেবা করযোগ্য সরবরাহ হিসেবে বিবেচিত হইবে এবং উক্ত সরবরাহের উপর প্রযোজ্য মূল্য সংযোজন করের হার হইবে শতকরা ১৫ (পনের) শতাংশ। (২) আমদানিকৃত সেবা’র মূল্য হইবে ধারা ৩২ অনুযায়ী নির্ধারিত মূল্য যাহার উপর প্রদেয় মূল্য সংযোজন কর পরিশোধের দায়ভার সেবা গ্রহীতার উপর বর্তাইবে, যাহা উক্ত ব্যক্তির উৎপাদ কর হইবে। (৩) কোন ব্যক্তি, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ও বাহিরে অর্থাৎ একাধিক স্থান হইতে অর্থনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করিলেঃ (ক) উক্ত ব্যক্তি ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তি হিসাবে গণ্য হইবেন; এবং (খ) দেশের অভ্যন্তরের ব্যক্তি দেশের বাহিরের ব্যক্তির নিকট হইতে করযোগ্য কোন সেবা গ্রহণ করিলে, উক্ত কার্যক্রমটি সেবা আমদানি কার্যক্রম হিসেবে বিবেচিত হইবে। (৪) ব্যাংক বা অন্যকোন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা অনুমোদিত বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠান, সেবা আমদানিকারকের অনুকূলে আমদানিকৃত সেবার আংশিক বা পূর্ণ মূল্য পরিশোধকালে উক্ত মূল্যের উপর প্রযোজ্য মূল্য সংযোজন কর, আমদানিকারকের সার্কেল কোড ও অর্থনৈতিক কোডের বিপরীতে সরকারি কোষাগারে ট্রেজারি চালানে জমা প্রদান করিবেন এবং উক্ত ট্রেজারি চালান এর একটি কপি সেবা আমদানিকারকে প্রদান করিবেন, যাহা আমদানিকারকের জন্য কর চালানপত্র হিসেবে বিবেচিত হইবে। (৫) আমদানিকৃত সেবা কোন সেবা আমদানিকারকের উপকরণ হিসেবে বিবেচিত হইলে উপ-ধারা (৪) এ উল্লিখিত কর চালানপত্রের বিপরীতে আইনের ধারা ৪৬ এর বিধানাবলী পরিপালন সাপেক্ষে উপকরণ কর রেয়াত প্রাপ্য হইবে।”।

২০১২ সনের ৪৭ নং আইনের ধারা ৩২ এর সংশোধন

৭। উক্ত আইনের ধারা ৩২ এর উপ-ধারা (৫) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-ধারা (৬) সংযোজিত হইবে, যথা:- “(৬) প্রজ্ঞাপন দ্বারা স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে কোন পণ্যের সম্পূর্ণ বা আংশিক অব্যাহতি থাকিলে উৎপাদন পরবর্তীতে যে কোনো সরবরাহকালে পূর্বের ক্রয়ের চালানপত্র থাকা সাপেক্ষে শুধুমাত্র প্রকৃত সংযোজনের বিপরীতে ১৫ শতাংশ হারে মূল্য সংযোজন কর পরিশোধ করিতে পারিবে, তবে, এইরূপ পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে নিবন্ধিত ও তালিকাভুক্ত ব্যক্তি কর্তৃক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার নিকট নির্ধারিত পদ্ধতিতে সহগ ঘোষণা দাখিল করিতে হইবে।”।

২০১২ সনের ৪৭ নং আইনের ধারা ৪৬ এর সংশোধন

৮। উক্ত আইনের ধারা ৪৬ এর- (ক) উপ-ধারা (১) এর- (অ) দফা (গ) এ উল্লিখিত “বিল অব এন্ট্রির” শব্দগুলির পরিবর্তে “পণ্য ঘোষণার” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে; (আ) দফা (ড) এর প্রারম্ভে “বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত ক্ষেত্র ও” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে; এবং (ই) দফা (ণ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ নূতন দফা (ণ) ও (ত) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(ণ) উপকরণ মূল্যের চেয়ে কম মূল্যে পণ্য বা সেবা সরবরাহ করা হইলে প্রদেয় উৎপাদ করের অতিরিক্ত পরিমাণ উপকরণ কর; (ত) আইনের ধারা ৩২ এর উপ-ধারা (৬) এর আওতায় ঘোষিত উপকরণ বা পণ্যের বিপরীতে পরিশোধিত উপকরণ কর।”; (খ) উপ-ধারা (২) এর দফা (ঘ) বিলুপ্ত হইবে; এবং (গ) উপ-ধারা (৩) এর দফা (ঘ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (ঘ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(ঘ) ধারা ২০ এর উপ-ধারা (২) এর ক্ষেত্রে কর পরিশোধের স্বপক্ষে উপ-ধারা (৪) এ বর্ণিত ট্রেজারি চালান;”।

২০১২ সনের ৪৭ নং আইনের ধারা ৫৮ এর প্রতিস্থাপন

৯। উক্ত আইনের ধারা ৫৮ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৫৮ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “৫৮। বিশেষ পরিকল্প (special scheme)।- (১) বাংলাদেশে প্রস্তুতকৃত বা বাংলাদেশে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে আমদানিকৃত সম্পূরক শুল্ক আরোপযোগ্য পণ্যের উপর সম্পূরক শুল্ক আরোপ এবং আদায়ের উদ্দেশ্যে বোর্ড, এই আইন বা তদ্‌ধীন প্রণীত বিধানাবলী সাপেক্ষে, উক্ত পণ্যের আমদানিকারক, প্রস্তুতকারক ও সরবরাহকারীর জন্য বিশেষ পরিকল্প প্রণয়ন করিতে পারিবে। (২) উক্ত বিশেষ পরিকল্প দ্বারা বোর্ড উক্ত পণ্য সরবরাহের শর্ত ও সীমা আরোপসহ সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য নির্ধারণ করিতে পারিবে এবং উক্ত মূল্য মূসক এবং সম্পূরক শুল্ক আরোপযোগ্য মূল্য হিসাবে গণ্য হইবে। (৩) উক্ত বিশেষ পরিকল্পে নিম্নবর্ণিত বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা যাইবে, যথা:- (ক) উক্ত পণ্যের মোড়ক, বোতল, পাত্র বা ধারকে বা উহার গায়ে সরকার নির্ধারিত ওজন, পরিমাণ নিশ্চিতের পাশাপাশি বাধ্যতামূলক নিরাপত্তামূলক বৈশিষ্ট্য সম্বলিত ট্যাক্স স্ট্যাম্প, ডিজিটালাইজড ব্যান্ডরোল, কিউআর কোড বা এআর কোড বা আরএফআইডি বা পারফোরেশন বা বিশেষ চিহ্ন বা বিশেষ আকারের এবং ডিজাইনের ছাপ সংক্রান্ত বা অনুরূপ কোন বিষয়; এবং (খ) উক্ত ট্যাক্স স্ট্যাম্প, ডিজিটালাইজড ব্যান্ডরোল, কিউআর কোড বা এআর কোড বা আরএফআইডি বা পারফোরেশন বা বিশেষ চিহ্ন বা ছাপের প্রস্তুতকরণ, অর্জন, বিতরণ, সংরক্ষণ, ব্যবহার, তদারকি, পর্যবেক্ষণ, হিসাব-নিকাশ, নিষ্পত্তিকরণ, ইত্যাদি সংক্রান্ত বা অনুরূপ কোন বিষয়।”।

২০১২ সনের ৪৭ নং আইনের ধারা ৬৩ এর সংশোধন

১০। উক্ত আইনের ধারা ৬৩ এর উপ-ধারা (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপে উপ-ধারা (১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(১) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, প্রজ্ঞাপনে উল্লিখিত সীমা ও শর্ত সাপেক্ষে, অঞ্চল ভিত্তিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমের ধরন অনুযায়ী খাত ভিত্তিক সুনির্দিষ্ট পরিমাণ টার্নওভার কর নির্ধারণ করিতে পারিবে, যাহা ২ (দুই) লক্ষ টাকার অধিক হইবেনা, এবং তালিকাভুক্ত বা তালিকাভুক্তিযোগ্য ব্যক্তি তাহার অর্থনৈতিক কার্যক্রমের উপর উক্ত টার্নওভার কর প্রদান করিবেন। তবে, সরকার কর্তৃক সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা অঞ্চল ভিত্তিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমের ধরণ অনুযায়ী খাত ভিত্তিক সুনির্দিষ্ট পরিমাণ টার্নওভার কর নির্ধারণ করিবার পূর্ব পর্যন্ত তালিকাভুক্ত ব্যক্তি তাহার অর্থনৈতিক কার্যক্রমের টার্নওভারের উপর ৪ (চার) শতাংশ হারে টার্নওভার কর প্রদান করিবেন।”।

২০১২ সনের ৪৭ নং আইনের ধারা ৬৪ এর প্রতিস্থাপন

১১। উক্ত আইনের ধারা ৬৪ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৬৪ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “৬৪। দাখিলপত্র পেশ।- (১) প্রত্যেক নিবন্ধিত বা তালিকাভুক্ত বা নিবন্ধনযোগ্য বা তালিকাভুক্তিযোগ্য ব্যক্তিকে নির্ধারিত পদ্ধতিতে প্রতি তিন কর মেয়াদ সমাপ্তির অনধিক ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে দাখিলপত্র পেশ করিতে হইবে, তবে ১৫ (পনের) তম দিবসে সরকারি ছুটি থাকিলে তৎপরর্বতী কার্যদিবসে দাখিলপত্র পেশ করিতে হইবে: তবে শর্ত থাকে যে, কোনো সরকারি, আধা-সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, ব্যাংক, বীমা এবং শূন্য রিটার্ন দাখিলকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান প্রতি তিন কর মেয়াদ সমাপ্তির অনধিক ২০ (বিশ) দিনের মধ্যে দাখিলপত্র পেশ করিতে পারিবে। (২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন নিবন্ধিত বা তালিকাভুক্ত বা নিবন্ধনযোগ্য বা তালিকাভুক্তিযোগ্য ব্যক্তি ইচ্ছা পোষণ করিলে প্রত্যেক কর মেয়াদে স্বেচ্ছায় পরবর্তী করমেয়াদের যেকোন দিনে দাখিলপত্র পেশ করিতে পারিবে। (৩) এই ধারার অন্যান্য বিধানে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, জনস্বার্থে, বোর্ড, আদেশ দ্বারা, সুদ ও জরিমানা ব্যতীত, দাখিলপত্র পেশের সময়সীমা বৃদ্ধি করিতে পারিবে। (৪) মূসক দাখিলপত্রে সম্পূরক শুল্ক পরিশোধের তথ্যাদি অন্তর্ভুক্ত করিয়া উক্ত দাখিলপত্র পেশ করিতে হইবে। (৫) বোর্ড, আদেশ দ্বারা, কোন নিবন্ধিত বা তালিকাভুক্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে দাখিলপত্র পেশ বাধ্যতামূলক করিতে পারিবে।”।

২০১২ সনের ৪৭ নং আইনের ধারা ৮৫ এর সংশোধন

১২। উক্ত আইনের ধারা ৮৫ এর উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সারণীর- (ক) ক্রমিক নং (ঝ) এবং উহার বিপরীতে কলাম (২) ও (৩) এ উল্লিখিত এন্ট্রিসমূহের পরিবর্তে নিম্নরূপ ক্রমিক নং (ঝ) ও এন্ট্রিসমূহ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “

(ঝ)

দাখিলপত্রে হ্রাসকারী সমন্বয়ের পরিমাণ বৃদ্ধি করিবার বা বৃদ্ধিকারী সমন্বয় পরিমাণ হ্রাস করিবার অনিয়ম;

বর্ধিত হ্রাসকারী সমন্বয় বা হ্রাসকৃত বৃদ্ধিকারী সমন্বয়ের অন্যূন ৩০ (ত্রিশ) শতাংশ এবং অনূর্ধ্ব ৫০ (পঞ্চাশ) শতাংশ;

” (খ) ক্রমিক নং (ণ) এর পর নিম্নরূপ নূতন ক্রমিক নং (ত) ও (থ) এবং উহাদের বিপরীতে কলাম (২) ও কলাম (৩) এ নিম্নরূপ এন্ট্রিসমূহ সংযোজিত হইবে, যথা: - “

(ত)

তামাক বা তামাকজাত পণ্যের কর নিরূপণ, স্ট্যাম্প, ব্যান্ডরোল বা কোন কোড বা চিহ্ন ব্যবহার ব্যতিরেকে বা নকল স্ট্যাম্প, ব্যান্ডরোল বা নকল চিহ্ন সম্বলিত পণ্য সরবরাহ বা সরবরাহের অভিপ্রায়ে নিবন্ধন স্থলের সীমানার বাহিরে মজুদ করা হলে বা কারো অধিকারে পাওয়া গেলে;

পরিহারকৃত করের অন্যূন সমপরিমাণ এবং অনূর্ধ্ব দ্বিগুণ;

(থ)

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত মূসক সফটওয়্যার সরবরাহের জন্য অনুমোদিত কোন সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানের সরবরাহকৃত সফটওয়্যারের মাধ্যমে ডাটা ট্যাম্পারিং, পরিবর্তন বা ডাটা শেয়ারিং বা রিপোর্টিং এর মাধ্যমে কোন প্রতিষ্ঠানের মূসক পরিহার বা পরিহারের অভিপ্রায় চিহ্নিত হইলে সফটওয়্যার সরবরাহকারী ও ব্যবহারকারী উভয় প্রতিষ্ঠানকে;

পরিহারকৃত করের অন্যূন সমপরিমাণ এবং অনূর্ধ্ব দ্বিগুণ;

”

২০১২ সনের ৪৭ নং আইনের ধারা ৯০ এর সংশোধন

১৩। উক্ত আইনের ধারা ৯০ এর উপ-ধারা (৫) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-ধারা (৬) সংযোজিত হইবে, যথা:- “(৬) কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নিরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হইলে মূল্য সংযোজন কর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নোটিশ প্রদানের ২ (দুই) মাসের মধ্যে তিনি যাবতীয় দলিলাদি মূল্য সংযোজন কর কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করিবেন এবং তদ্‌পরবর্তী ১ (এক) বৎসরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট মূল্য সংযোজন কর কর্তৃপক্ষ নিরীক্ষা কার্যক্রম সম্পন্ন করিবেন: তবে শর্ত থাকে যে, যুক্তিসঙ্গত কারণে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দলিলাদি দাখিলে ব্যর্থ হইলে মূল্য সংযোজন কর কর্তৃপক্ষ উক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১ (এক) মাস সময় বৃদ্ধি করিতে পারিবে এবং উক্ত সময়েও দলিলাদি দাখিল করিতে ব্যর্থ হইলে মূল্য সংযোজন কর কর্তৃপক্ষ সর্বোত্তম বিবেচনার ভিত্তিতে (Best Judgment Assessment) লিখিত কারণ উল্লেখপূর্বক নিরীক্ষা কার্যক্রম সম্পন্ন করিতে পারিবেন।”।

২০১২ সনের ৪৭ নং আইনের ধারা ১০৭ এর সংশোধন

১৪। উক্ত আইনের ধারা ১০৭ এর উপ-ধারা (২ক) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (২ক) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(২ক) নিবন্ধিত ব্যক্তি Enterprise Resource Planning (ERP) সফটওয়্যার বা বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত মূসক সফটওয়্যার এর মাধ্যমে কর সংক্রান্ত দলিলাদি ও হিসাবপত্র এবং অন্যান্য রেকর্ডপত্র যথাযথ নিরাপত্তাসহ সার্ভারে সংরক্ষণ করিতে পারিবেন এবং উক্তরূপ সংরক্ষিত দলিলাদি আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য প্রমাণক হিসেবে গণ্য হইবে এবং এক্ষেত্রে, মূল্য সংযোজন কর কর্তৃপক্ষের নিকট ইলেকট্রনিকভাবে তাহা উপস্থাপন করা যাইবে।”।

২০১২ সনের ৪৭ নং আইনের ধারা ১২১ এর সংশোধন

১৫। উক্ত আইনের ধারা ১২১ এর এর উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত “১০ (দশ)” সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দের পরিবর্তে “১ (এক)” সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০১২ সনের ৪৭ নং আইনের ধারা ১২২ এর সংশোধন

১৬। উক্ত আইনের ধারা ১২২ এর এর উপ-ধারা (২) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (২) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(২) মূসক কর্মকর্তা ব্যতীত, অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক উপ-ধারা (১) এর অধীন আপীল দায়ের করিবার ক্ষেত্রে, তাহাকে উক্ত আপীল দায়েরকালে তর্কিত আদেশে উল্লিখিত দাবীকৃত করের, জরিমানা ব্যতীত, ১ (এক) শতাংশ পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করিতে হইবে।”।

২০১২ সনের ৪৭ নং আইনের ধারা ১২৪ এর সংশোধন

১৭। উক্ত আইনের ধারা ১২৪ এর এর উপ-ধারা (৪) এ উল্লিখিত “১০ (দশ)” সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দের পরিবর্তে “২ (দুই)” সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০১২ সনের ৪৭ নং আইনের ধারা ১২৬ এর সংশোধন

১৮। উক্ত আইনের ধারা ১২৬ এর উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “সম্পূরক শুল্ক” শব্দগুলির পর “বা টার্নওভার কর” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে।

২০১২ সনের ৪৭ নং আইনের ধারা ১৩৭ক এর সন্নিবেশ

১৯। উক্ত আইনের ধারা ১৩৭ এর পর নিম্নরূপ নূতন ধারা ১৩৭ক সন্নিবেশিত হইবে, যথা:- “১৩৭ক। প্রদেয় কর বা অর্থদণ্ড বা পাওনা পরিশোধ সংক্রান্ত বিশেষ বিধান।- (১) কোন নিবন্ধিত ব্যক্তি বা উৎসে মূল্য সংযোজন কর কর্তনকারী ধারা ১৩৭ এর অধীন রহিতকৃত মূল্য সংযোজন কর আইন, ১৯৯১ এর অধীন পূর্বের কোন প্রদেয় বা উৎসে কর্তিত কর অথবা আরোপিত অর্থদণ্ড অথবা অন্যকোন পাওনা ১ জুলাই, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ হইতে পরবর্তী ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে পরিশোধ বা সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করিলে, উক্ত ক্ষেত্রে মাসিক ২ (দুই) শতাংশ হারে ২৪ (চব্বিশ) মাসের সরল সুদ/অতিরিক্ত কর প্রদান করিতে হইবে: তবে শর্ত থাকে যে, ১ জুলাই, ২০১০ খ্রিষ্টাব্দ এর পূর্বে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সুদ/অতিরিক্ত কর প্রযোজ্য না হওয়ায় উক্ত সময়ের পূর্বের কোন পাওনা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক পরিশোধের ক্ষেত্রে সুদ/অতিরিক্ত কর প্রযোজ্য হইবেনা। (২) কোন নিবন্ধিত ব্যক্তি বা উৎসে মূল্য সংযোজন কর কর্তনকারী মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এর অধীন ১ জুলাই, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ এর পূর্বের কোন প্রদেয় বা অনিয়মিতভাবে রেয়াত বা হ্রাসকারী সমন্বয় গ্রহণ বা উৎসে কর্তিত কর অথবা আরোপিত অর্থদণ্ড অথবা অন্যকোন পাওনা ১ জুলাই, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ হইতে পরবর্তী ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে পরিশোধ বা সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করিলে, উক্ত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হারে ২৪ (চব্বিশ) মাসের সরল সুদ প্রদান করিতে হইবে।”।

২০১২ সনের ৪৭ নং আইনের প্রথম তফসিলের সংশোধন

২০। উক্ত আইনের প্রথম তফসিল এর- (১) প্রথম খণ্ড (মূল্য সংযোজন কর হইতে অব্যাহতিপ্রাপ্ত পণ্যসমূহ) এর- (ক) অনুচ্ছেদ (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ অনুচ্ছেদ (১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(১) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৬৩ নং আইন) এর দ্বিতীয় তফসিলে উল্লিখিত সকল পণ্য (বাংলাদেশে প্রস্তুত বিলাতি মদ ব্যতীত), বাংলাদেশে প্রস্তুতকরণ বা উৎপাদনের ক্ষেত্রে।”; (খ) অনুচ্ছেদ (২) এর প্রারম্ভে উল্লিখিত “ Customs Act, 1969 ” এন্ট্রিসমূহের পরিবর্তে “ কাস্টমস আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ৫৭ নং আইন)” এন্ট্রিসমূহ প্রতিস্থাপিত হইবে; এবং (গ) অনুচ্ছেদ (২) এর টেবিলে উল্লিখিত- (অ) শিরনামা সংখ্যা ০৩.০২, ০৩.০৩ ও ০৩.০৪ এবং উহাদের বিপরীতে কলাম (২) ও (৩) এ উল্লিখিত এন্ট্রিসমূহ বিলুপ্ত হইবে; (আ) শিরনামা সংখ্যা ১২.১১ এবং উহার বিপরীতে কলাম (২) ও (৩) এ উল্লিখিত এন্ট্রিসমূহ বিলুপ্ত হইবে; এবং (ই) শিরনামা সংখ্যা ১৩.০১ এবং উহার বিপরীতে কলাম (২) ও (৩) এ উল্লিখিত এন্ট্রিসমূহ বিলুপ্ত হইবে; (২) দ্বিতীয় খণ্ড (মূল্য সংযোজন কর হইতে অব্যাহতিপ্রাপ্ত সেবাসমূহ) এর অনুচ্ছেদ-৬ (ব্যক্তিগত সেবা) এর দফা (ঙ) এর শেষাংশে উল্লিখিত “।” চিহ্নের পরিবর্তে “;” চিহ্ন প্রতিস্থাপিত হইবে এবং অতঃপর নিম্নরূপ নূতন দফা (চ) সংযোজিত হইবে, যথা:- “(চ) কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফ্রিল্যান্সার কর্তৃক প্রদত্ত সেবা।”।

২০১২ সনের ৪৭ নং আইনের দ্বিতীয় তফসিলের সংশোধন

২১। উক্ত আইনের দ্বিতীয় তফসিলের- (১) টেবিল-১ (আমদানি পর্যায়ে সম্পূরক শুল্ক আরোপযোগ্য পণ্যসমূহ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ টেবিল-১ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “টেবিল-১ আমদানি পর্যায়ে সম্পূরক শুল্ক আরোপযোগ্য পণ্যসমূহ

০২.০১,

০২.০২,

০২.০৪

সকল এইচ,এস,কোড

Meat of bovine animals, sheeps or goats, fresh or chilled or frozen.

১০

০২.০৬

সকল
এইচ, এস, কোড

(০২০৬.১০.৯০, ০২০৬.২১.৯০, ০২০৬.২২.৯০, ০২০৬.২৯.৯০, ০২০৬.৩০.১০, ০২০৬.৩০.৯০, ০২০৬.৪১.১০, ০২০৬.৪১.৯০, ০২০৬.৪৯.১০, ০২০৬.৪৯.৯০ ব্যতীত)

Edible offal of bovine animals, swine, sheep, goats, horses, asses, mules or hinnies, fresh, chilled or frozen.

১০

০২.০৭

সকল এইচ,এস,কোড

(০২০৭.১১.১০, ০২০৭.১১.৯০, ০২০৭.১২.১০, ০২০৭.১২.৯০, ০২০৭.১৩.১০, ০২০৭.১৩.৯০, ০২০৭.১৪.৯০, ০২০৭.৪১.৯০, ০২০৭.৪২.১০ ব্যতীত)

Meat, and edible offal, of the poultry of heading. 01.05, fresh, chilled or frozen.

১০

০৩.০২

০৩০২.১৩.১০

০৩০২.১৩.৯০

Pacific salmon

১০

০৩০২.১৪.১০

০৩০২.১৪.৯০

Atlantic salmon (Salmo salar) and Danube salmon (Hucho hucho)

১০

০৩০২.১৯.৯০

Other fish

১০

০৩০২.৩১.১০

০৩০২.৩১.৯০

Albacore or longfinned tunas

১০

০৩০২.৩২.১০

০৩০২.৩২.৯০

Yellowfin tunas

১০

০৩০২.৩৪.১০

০৩০২.৩৪.৯০

Bigeye tunas

১০

০৩০২.৩৫.১০

০৩০২.৩৫.৯০

Atlantic and Pacific bluefin tunas

১০

০৩০২.৩৬.১০

০৩০২.৩৬.৯০

Southem bluefin tunas

১০

০৩০২.৩৯.১০

০৩০২.৩৯.৯০

Other tunas

১০

০৩০২.৯৯.১০

০৩০২.৯৯.৯০

heads, tails, maws and other edible fish offal

১০

০৩.০৩

০৩০৩.১১.১০

০৩০৩.১১.৯০

Sockeye salmon

১০

০৩০৩.১২.১০

০৩০৩.১২.৯০

Other Pacific salmon

১০

০৩০৩.১৩.১০

০৩০৩.১৩.৯০

Atlantic salmon (Salmo salar) and Danube salmon (Hucho hucho)

১০

০৩০৩.১৯.১০

০৩০৩.১৯.৯০

Other

১০

০৩০৩.৪২.১০

০৩০৩.৪২.৯০

Yellowfin tunas

১০

০৩০৩.৪৪.১০

০৩০৩.৪৪.৯০

Bigeye tunas

১০

০৩০৩.৪৫.১০

০৩০৩.৪৫.৯০

Atlantic and Pacific bluefin tunas

১০

০৩০৩.৪৬.১০

০৩০৩.৪৬.৯০

Southem bluefin tunas

১০

০৩০৩.৪৯.১০

০৩০৩.৪৯.৯০

Other tunas

১০

০৩.০৪

০৩০৪.৪১.১০

০৩০৪.৪১.৯০

Pacific salmon

১০

০৩০৪.৬২.১০

০৩০৪.৬২.৯০

Catfish fillet

২০

০৩০৪.৮১.১০

০৩০৪.৮১.৯০

Pacific salmon

১০

০৩০৪.৮৭.১০

০৩০৪.৮৭.৯০

Tunas (of the genus, Skipjack tuna (stripe-bellied bonito)

১০

০৩০৪.৮৯.১০

০৩০৪.৮৯.৯০

Other

১০

০৩.০৫

০৩০৫.৫৯.৯০

অন্যান্য শুকনা মাছ (লবণাক্ত হউক বা না হউক),
ধুমায়িত নয় (আড়াই কেজি পর্যন্ত মোড়ক বা টিনজাত ব্যতীত)

১০

০৩.০৬

০৩০৬.১৬.০০

০৩০৬.১৭.০০

হিমায়িত চিংড়ি

২০

০৩.০৯

০৩০৯.১০.১০

০৩০৯.৯০.১০

মানুষের খাওয়ার উপযোগী মাছের টুকরা বা গুঁড়া (আড়াই কেজি পর্যন্ত মোড়ক বা টিনজাত)

১০

০৪.০৫

সকল এইচ,এস,কোড

মাখন এবং অন্যান্য দুগ্ধজাত চর্বি ও তৈল; ডেইরী স্পেডস্

২০

০৪.০৬

সকল এইচ,এস,কোড

Cheese and Curd

২০

০৪.০৯

সকল এইচ,এস,কোড

Natural honey

১০

০৭.০২

সকল এইচ,এস,কোড

তাজা বা ঠান্ডা টমেটো

২০

০৭.০৬

০৭০৬.১০.১০

Carrots And Turnips, Fresh Or Chilled, Wrapped/Canned upto 2.5 kg

২০

০৭০৬.১০.৯০

Carrots And Turnips, Fresh Or Chilled, in bulk

২০

০৭.০৯

সকল এইচ,এস,কোড

Other vegetables, fresh or chilled.

২০

০৮.০১ এবং ০৮.০২

০৮০১.১১.১০

০৮০১.১২.১০

০৮০১.১৯.১০

০৮০১.২১.১০

০৮০১.২২.১০

০৮০১.৩১.১০

০৮০১.৩২.১০

০৮০২.১১.১০

০৮০২.১২.১০

০৮০২.২২.১০

০৮০২.৩১.১০

০৮০২.৩২.১০

০৮০২.৪১.১০

০৮০২.৪২.১০

০৮০২.৫১.১০

০৮০২.৫২.১০

০৮০২.৬১.১০

০৮০২.৬২.১০

০৮০২.৭০.১০

০৮০২.৯৯.৯১

Coconuts, Brazil nuts, cashew nuts and other nuts, fresh or dried (Wrapped or canned upto 2.5 kg)

২০

০৮.০২

০৮০২.৮০.১০

০৮০২.৮০.৯০

Areca Nut

৪৫

০৮০২.৯১.১০

০৮০২.৯২.১০

Pine nuts

৪৫

০৮০২.৯৯.১১

০৮০২.৯৯.১২

০৮০২.৯৯.১৯

তাজা বা শুকনা সুপারি, খোসা ছাড়ানো হউক বা না হউক

৪৫

০৮.০৪

০৮০৪.৫০.৩১ ০৮০৪.৫০.৩৯

তাজা বা শুকনা আম

৩০

০৮.০৫

০৮০৫.১০.১০ ০৮০৫.১০.৯০

তাজা বা শুকনা কমলালেবু

৩০

০৮০৫.২১.১০

০৮০৫.২১.৯০

০৮০৫.২২.১০

০৮০৫.২২.৯০

০৮০৫.২৯.১০

০৮০৫.২৯.৯০

তাজা বা শুকনা লেবুজাতীয় ফল

৩০

০৮০৫.৪০.১০

০৮০৫.৪০.৯০

Grapefruit and pomelos (fresh or dried)

৩০

০৮০৫.৫০.১০

০৮০৫.৫০.৯০

তাজা বা শুকনা লেবু

৩০

০৮০৫.৯০.১১ ০৮০৫.৯০.১৯ ০৮০৫.৯০.২১ ০৮০৫.৯০.২৯

তাজা বা শুকনা অন্যান্য লেবু জাতীয় ফল

৩০

০৮.০৬

সকল এইচ,এস,কোড

তাজা বা শুকনা আঙ্গুর ফল

৩০

০৮.০৭

সকল এইচ,এস,কোড

Melons (including watermelons) and papaws (papayas), fresh.

৩০

০৮.০৮

সকল এইচ,এস,কোড(০৮০৮.৪০.১০, ০৮০৮.৪০.৯০ ব্যতীত)

তাজা আপেলওনাশপাতি

৩০

০৮.০৯

সকল এইচ,এস,কোড

(০৮০৯.৪০.১১, ০৮০৯.৪০.১৯,

০৮০৯.৪০.৯১, ০৮০৯.৪০.৯৯

ব্যতীত)

Apricots, cherries, peaches (including nectarines), fresh

৩০

০৮.১০

সকল এইচ,এস,কোড

অন্যান্য তাজা ফল

৩০

০৯.০১

০৯০১.১১.১০

০৯০১.১২.১০

০৯০১.২১.১০

০৯০১.২২.১০

০৯০১.৯০.১০

Coffee; coffee husks and skins; coffee substitutes containing coffee in any proportion (Wrapped or canned upto 2.5 kg)

২০

০৯.০২

০৯০২.১০.০০

০৯০২.২০.০০

Green tea

২০

০৯০২.৩০.০০

Black tea (farmented) and partly farmented tea, in immediate packings of a content not exceeding 3 kg

২০

০৯০২.৪০.০০

Other black tea (farmented) and other partly farmented tea

২০

০৯.০৪

০৯০৪.১১.১০ ০৯০৪.১১.৯০ ০৯০৪.১২.০০

গোলমরিচ, চূর্ণ বা দলানো হউক বা না হউক

২০

০৯.০৬

সকল এইচ,এস,কোড

দারুচিনি এবং দারুচিনি গাছের ফুল

২০

০৯.০৭

সকল এইচ,এস,কোড

লবঙ্গ

২০

০৯.০৮

০৯০৮.৩১.১০ ০৯০৮.৩১.৯০

০৯০৮.৩২.১০

০৯০৮.৩২.৯০

এলাচ

২০

০৯.০৯

০৯০৯.৩১.১০ ০৯০৯.৩১.৯০

০৯০৯.৩২.১০

০৯০৯.৩২.৯০

জিরা

২০

১৫.১৩

১৫১৩.১৯.০০

রিফাইন্ড নারিকেল তৈল ও ইহার অংশ বিশেষ, অন্যান্য

৩০

১৭.০২

১৭০২.৩০.১০

Dextrose anhydrous/monohydrate BP/USP Pyrogen free imported under blocklist

২০

১৭০২.৩০.২০

Liquid glucose

২০

১৭০২.৩০.৯০

Other glucose and glucose syrup

২০

১৭০২.৪০.০০

Glucose and glucose syrup, containing in the dry state at least 20% but less than 50% by weight of fructose, excluding invert sugar

২০

১৭.০৪

১৭০৪.১০.১০

১৭০৪.৯০.১০

Sugar confectionery (including white chocolate), not containing cocoa, put up for retail sale

৪৫

১৭০৪.১০.৯০

১৭০৪.৯০.৯০

Sugar confectionery (including white chocolate), not containing cocoa, excluding put up for retail sale

৪৫

১৮.০৬

কোকাযুক্ত চকলেট এবং অন্যান্য খাদ্য প্রিপারেশনঃ

১৮০৬.২০.০০

কোকাযুক্ত চকলেট এবং অন্যান্য খাদ্য প্রিপারেশন (২ কেজির উর্ধ্বে ব্লক, স্লাব বা বার আকারে অথবা তরল, পেস্ট, গুঁড়া, দানাদার বা অন্যরুপে বাল্ক প্যাকিং এ)

৪৫

১৮০৬.৩১.০০ ১৮০৬.৩২.০০

ফিনিস্ড চকলেট (ব্লক, স্লাব বা বার আকারে)

৪৫

১৮০৬.৯০.০০

অন্যান্য

২০

১৯.০১

১৯০১.১০.০০

খুচরা মোড়কে শুন্য থেকে ১ বছরের শিশুদের ব্যবহারের জন্য খাদ্য সামগ্রী (হেডিং নং ০৪.০১ থেকে ০৪.০৪ ভূক্ত পণ্যজাত)

২০

১৯০১.২০.০০

Mixes and dough’s for the preparation of bakers’ wares of heading 19.05

২০

১৯০১.৯০.৯০

অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী

২০

১৯.০২

সকল এইচ,এস,কোড

Pasta, whether or not cooked or stuffed or otherwise prepared; couscous

২০

১৯.০৪

সকল এইচ,এস,কোড

Prepared foods obtained by the swelling or roasting of cereals or cereal products; all types of cereals

২০

১৯.০৫

১৯০৫.৩১.০০

Sweet biscuits

৪৫

১৯০৫.৩২.০০

Waffles and wafers

৪৫

১৯০৫.৪০.০০

Rusks, toasted bread and similar toasted products

৪৫

১৯০৫.৯০.০০

Other

৪৫

২০.০৫

২০০৫.২০.০০

পটেটো চিপস্

৪৫

২০.০৭

সকল এইচ,এস,কোড

রান্নার ফলে প্রাপ্ত জ্যাম, ফলের জেলি, মারমালেডস, ফল বা বাদামযুক্ত পিউরি এবং ফল বা বাদামের পেস্ট, চিনি বা অন্যান্য মিষ্টি পদার্থ যুক্ত হউক বা না হউক

২০

২০.০৮

সকল এইচ,এস,কোড

Fruit, nuts and other edible parts of plants, otherwise prepared or preserved, whether or not containing added sugar or other sweetening matter or spirit, not elsewhere specified or included.

২০

২০.০৯

সকল এইচ,এস,কোড

ফলের রস (আঙ্গুরেরmustসহ) বা সবজির রস, গাঁজানো নহে বা স্পিরিটযুক্ত নহে, চিনি বা অন্যান্য মিষ্টি পদার্থ যুক্ত হউক বা না হউক

৩০

২১.০১

সকল এইচ,এস,কোড

Extracts, essences and concentrates, of coffee, tea or mate and preparations

২০

২১.০৩

সকলএইচ,এস,কোড

সস এবং অনুরূপ পণ্য;mixed condiments,সরিষার গুঁড়া এবং অন্যান্য পণ্য

২০

২১.০৫

২১০৫.০০.০০

Ice cream and other edible ice, whether or not containing cocoa

২০

২১.০৬

২১০৬.৯০.১০

সুগন্ধি দ্রব্যের মিশ্রণ ব্যতীত কোমল পানীয় প্রস্তুতে ব্যবহৃত সামগ্রী, আয়তন ভিত্তিক এ্যালকোহল ক্ষমতা ০.৫% এর উর্ধ্বে

৩৫০

২১০৬.৯০.৪০

Stabilizer for milk

১০

২১০৬.৯০.৫০

Creamer in bulk

২০

২১০৬.৯০.৬০

Food supplement

২০

২১০৬.৯০.৯০

অন্যান্য

২০

২২.০১

সকল এইচ,এস,কোড

Waters, including natural or artificial mineral waters and aerated waters, not containing added sugar or other sweetening matter nor flavoured; ice and snow

২০

২২.০২

২২০২.১০.০০

Waters, including mineral waters and aerated waters containing added sugar of other sweetening matter or flavoured

১০০

২২০২.৯১.০০

নন-এ্যালকোহলিক বিয়ার

১০০

২২০২.৯৯.০০

অন্যান্য

১০০

২২.০৩

২২০৩.০০.০০

মল্ট হইতে প্রস্তুত বিয়ার

২৫০

২২.০৪

সকল এইচ,এস,কোড

তাজা আঙ্গুরের মদ্য, ফর্টিফাইড মদ্যসহ; (২০.০৯ হেডিংভুক্তgrape mustব্যতীত)

৩৫০

২২.০৫

সকল এইচ,এস,কোড

ভারমুথ এবং তাজা আঙ্গুরের তৈরি মদ্য, সুবাসিত

৩৫০

২২.০৬

২২০৬.০০.০০

অন্যান্য গাঁজানো পানীয় (উদাহরণস্বরূপ সিডার, পেরী)

৩৫০

২২.০৮

সকল এইচ,এস,কোড

Undenatured ethyl alcohol of an alcoholic strength by volume of less than 80% volume, spirits, liquors and other spirituous beverages

৩৫০

২৩.০৯

২৩০৯.১০.০০

Dog or cat food, put up for retail sale

১০

২৪.০১

সকল এইচ,এস,কোড

Unmanufactured Tobacco, Tobacco refuse

১০০

২৪.০২

২৪০২.১০.০০

তামাকের তৈরি সিগার, চুরুট ও সিগারিল্লো

৩৫০

২৪০২.২০.০০

তামাকের তৈরি সিগারেট

৩৫০

২৪০২.৯০.০০

হাতে বা অযান্ত্রিক পদ্ধতিতে তৈরি বিড়ি এবং অন্যান্য

১৫০

২৪.০৩

সকল এইচ,এস,কোড

অন্যান্য প্রস্তুতকৃত তামাক এবং সমজাতীয় পদার্থ; তামাকের“homogenised”বা“reconstituted”নির্জাস বা সুগন্ধি

১৫০

২৪.০৪

Products containing tobacco, reconstituted tobacco, nicotine, or tobacco or nicotine substitutes, intended for inhalation without combustion; other nicotine containing products intended for the intake of nicotine into the human body :

২৪০৪.১১.৯০

Containing tobacco or reconstituted tobacco: Other

১৫০

২৪০৪.১২.৯০

Other, containing nicotine : Other

১৫০

২৪০৪.১৯.০০

Products intended for inhalation without combustion Other

১৫০

২৪০৪.৯১.১০

Nicotine granules

৩৫০

২৪০৪.৯১.২০

Nicotine pouches

৩৫০

২৪০৪.৯১.৯০

Other

৩৫০

২৪০৪.৯২.০০

For transdermal application

১৫০

২৪০৪.৯৯.০০

Other

১৫০

২৫.০১

২৫০১.০০.১০

Pure sodium chloride BP/USP pyrogen free

২০

২৫০১.০০.২০

Salt (other than pure sodium chloride) not in aqueous solution including salt boulder for crushing and salt in bulk

২০

২৫০১.০০.৩০

Rock salt, bhit lobon

২০

২৫০১.০০.৯১

Denatured salt (coloured)

২০

২৫০১.০০.৯৯

অন্যান্য লবণ

২০

২৫.১৫

২৫১৫.১১.০০

মার্বেল এবং ট্রেভারটিন (আপাত: আপেক্ষিক পুরুত্ব ২.৫% বা তার বেশী), ক্রুড বা স্থুলভাবে কর্তিত

৪৫

২৫১৫.১২.০০

Merely cut, by sawing or otherwise, into blocks or slabs of a rectangular (including square) shape

৪৫

২৫১৫.২০.০০

Ecsussine and other calcareous monumental or building stone; alabaster

৪৫

২৫.১৬

২৫১৬.১১.০০

গ্রানাইট (স্থুলভাবে কর্তিত)

৪৫

২৫১৬.১২.০০

গ্রানাইটঃ করাত দ্বারা বা অন্য প্রকারে ব্লক অথবা চতুর্ভুজ বা বর্গাকার স্লাব হিসাবে কর্তিত

৪৫

২৫১৬.৯০.১০

বোল্ডার স্টোন

১০

২৫.১৭

২৫১৭.১০.৯০

Pebbles, gravel, broken or crushed stone

৩০

২৫১৭.৪৯.০০

Other Pebbles, gravel, broken or crushed stone

৩০

২৫.২১

২৫২১.০০.১০

Boulder Lime stone

১০

২৫২১.০০.৯০

Other

৩০

২৫.২৩

২৫২৩.২১.০০

পোর্টল্যান্ড সিমেন্টঃ সাদা, কৃত্রিমভাবে রঙ্গীন করা হউক বা না হউক

২০

২৫২৩.২৯.০০

অন্যান্য পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট

২০

২৮.০৭

২৮০৭.০০.০০

সালফিউরিক এসিড, ওলিয়াম

২০

২৮.৩৩

২৮৩৩.১১.০০

Disodium sulphate

২০

২৮৩৩.১৯.০০

Sodium sulphates

২০

২৯.১৫

২৯১৫.৭০.৩১

Sodium salt of palmitic acid (soap noodle)

২০

২৯.১৭

২৯১৭.৩২.০০

ডাইঅক্টাইল অর্থোথেলেটস (ডি ও পি)

১০

২৯১৭.৩৩.০০

Dinonyl or didecyl orthophthalates

১০

২৯১৭.৩৪.০০

Other esters of orthophthalic acid

১০

২৯১৭.৩৯.৯০

Other

১০

৩২.০৮

৩২০৮.১০.২০

Insulating varnish for copper wire

৩০

৩২০৮.১০.৯০

পলিয়েস্টার বেইজড অন্যান্য পেইন্টস, ভার্ণিশ (এনামেল লেকারসহ)

৩০

৩২০৮.২০.৯১

Cover coat/medium

৩০

৩২০৮.২০.৯৯

Other paints based on acrylic or vinyl polymers, in a non-aqueous medium

৩০

৩২০৮.৯০.৩০

Coating materials

৩০

৩২০৮.৯০.৯০

অন্যান্য পেইন্টস, ভার্ণিশ এবং লেকার

৩০

৩২.০৯

৩২০৯.১০.০০

এক্রেলিক ভিনাইল পলিমার বেইজড পেইন্ট এন্ড ভার্ণিশ (এনামেল ও লেকারসহ)

৩০

৩২০৯.৯০.৩০

Coating materials

৩০

৩২০৯.৯০.৯০

অন্যান্য পেইন্টস, ভার্ণিশ এবং লেকার

৩০

৩২.১০

৩২১০.০০.২০

Prepared water pigments of a kind used for finishing leather, for cleaning footwear in tablet form

৩০

৩২১০.০০.৯০

অন্যান্য পেইন্ট, বার্ণিশ (এনামেল, লেকার ও ডিস্টেম্পারসহ)

৩০

৩৩.০৩

৩৩০৩.০০.০০

সুগন্ধি ও প্রসাধনী পানি

৩০

৩৩.০৪

সকল এইচ,এস,কোড

সৌন্দর্য অথবা প্রসাধন সামগ্রী এবং ত্বক পরিচর্যার প্রসাধন সামগ্রী (ঔষধে ব্যবহৃত পদার্থ ব্যতীত), সানস্ক্রিন বা সান ট্যান সামগ্রী; হাত, নখ বা পায়ের প্রসাধন সামগ্রীসহ

৪৫

৩৩.০৫

সকল এইচ,এস,কোড

কেশ পরিচর্যায় ব্যবহৃত সামগ্রী

৬০

৩৩.০৬

৩৩০৬.১০.০০

ডেনট্রিফিস

২০

৩৩০৬.৯০.০০

মুখগহবর বা দাঁতের জন্য ব্যবহৃত অন্যান্য সামগ্রী

২০

৩৩.০৭

সকল এইচ,এস,কোড

শেভের আগে, শেভের পরে বা শেভের সময় ব্যবহার্য সামগ্রী; শরীরের দুর্গন্ধ দুরীকরণে ব্যবহৃত সামগ্রী, ডিপাইলেটরী এবং অন্যান্য সুগন্ধি, প্রসাধনী ও টয়লেট সামগ্রী যা অন্য কোথাও বর্ণিত বা অন্তর্ভুক্ত নহে; কক্ষের দুর্গন্ধ নাশক (সুগন্ধিযুক্ত হউক বা না হউক) অথবা জীবানুনাশক ক্ষমতা থাকুক বা না থাকুক)

৩০

৩৩০৭.২০.০০

Personal deodorants and antiperspirants

৩০

৩৩০৭.৯০.০০

অন্যান্য

৩০

৩৪.০১

সকল এইচ,এস,কোড

সাবান এবং সাবান হিসাবে ব্যবহৃত সারফেস একটিভ সামগ্রী এবং সমজাতীয় পণ্য

৬০

৩৪.০২

৩৪০২.৫০.০০

Preparations put up for retail sale

৩০

৩৪০২.৯০.১০

ডিটারজেন্ট

৩০

৩৪.০৫

৩৪০৫.১০.০০

Polishes, creams and similar preparations for footwear or leather

২০

৩৬.০১

৩৬০১.০০.০০

বিস্ফোরক পাউডার

৩০

৩৬.০২

৩৬০২.০০.০০

তৈরি বিস্ফোরক, বিস্ফোরক পাউডার ব্যতীত

৩০

৩৬.০৪

সকল এইচ,এস,কোড

আতশবাজি সিগনালিং ফ্লেয়ার, রেইন রকেট, ফগ সিগনাল এবং অন্যান্য পাইরোটেকনিক পণ্য

৩০

৩৬.০৫

৩৬০৫.০০.০০

দিয়াশলাই; শিরনামা সংখ্যা ৩৬.০৪ এর পাইরোটেকনিক পণ্য সামগ্রী ব্যতীত

২০

৩৮.০৮

৩৮০৮.৯১.২১

Mosquito coil; aerosol; mosquito repellent

২০

৩৮.২৪

৩৮২৪.৯৯.২০

Chlorinated parafin wax

১০

৩৯.১৭

৩৯১৭.২১.০০

Tubes, pipes and hoses, rigid of polymers of ethylene

৩০

৩৯১৭.২২.০০

Tubes, pipes and hoses, rigid of polymers of propylene

৩০

৩৯১৭.২৩.৯০

Tubes, pipes and hoses, rigid of polymers of vinyl chloride (excluding PVC shrinkable tube (plain))

৩০

৩৯১৭.২৯.৯১

Fibre glass imported by VAT registered electric fan manufacturers

৩০

৩৯১৭.২৯.৯৯

Tubes, pipes and hoses, rigid of other plastics (excluding Silicone tubing for laboratory use; Hoses pipe for gas cylinder)

৩০

৩৯.১৮

সকল এইচ,এস,কোড

প্লাস্টিকের তৈরি ফ্লোর কাভারিং, ওয়াল অথবা সিলিং কাভারিং, সেলফ এডহেসিভ হউক বা না হউক (রোল অথবা টাইল আকারে)

২০

৩৯.১৯

৩৯১৯.৯০.৯৯

প্লাস্টিকের তৈরি সেলফ এডহেসিভ প্লেট, শীট, ফিল্ম, ফয়েল, টেপ, স্ট্রীপ এবং অন্যান্য ফ্ল্যাট আকৃতি (রোল আকারে) (মূসক নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান ব্যতীত)

১০

৩৯.২০

প্লাস্টিকের প্লে­ট, শীট, ফিল্ম, ফয়েল, স্ট্রীপ (নন-সেলুলার, রিইনফোর্সড নহে, অন্য কোন পদার্থ দ্বারা ল্যামিনেটেড, সাপোর্টেড বা অন্য কোন পদার্থের সাথে অনুরূপ উপায়ে সমন্বিত):

৩৯২০.২০.১০

ছাপানো আকারে প্রোপাইলিন পলিমারের তৈরি (ঔষধ শিল্প কর্তৃক আমদানিকৃত ঔষধ প্রশাসনের প্রত্যয়নকৃত ব্লকলিস্টভুক্ত পণ্য ব্যতীত)

১০

৩৯২০.৪৯.২০

প্রিন্টেড পিভিসি শীট

২০

৩৯২০.৬২.১০

ছাপানো আকারে পলি ইথাইলিন টেরেফথেলেটের তৈরি

২০

৩৯২০.৬৯.১০

ছাপানো আকারে অন্যান্য পলিয়েস্টারের তৈরি

১০

৩৯২০.৯২.১০

ছাপানো আকারে প্লাস্টিকের তৈরি পলিমাইডস

১০

৩৯২০.৯৯.৯০

অন্যান্যপ্লাস্টিক শীট

১০

৩৯.২১

প্লাস্টিকের তৈরি অন্যান্য প্লে­ট, শীট, ফিল্ম, ফয়েল ও স্ট্রীপ (সেলুলার, রিইনফোর্সড, অন্য কোন পদার্থ দ্বারা ল্যামিনেটেড, সাপোর্টেড বা অন্য কোন পদার্থের সাথে অনুরূপ উপায়ে সমন্বিত):

৩৯২১.১৯.৯০

Other cellular plate/sheet/film/foil of plastic

২০

৩৯২১.৯০.৯১

ছাপানো আকারে অন্যান্য প্লাস্টিকের তৈরি সেলুলার, ভলকানাইজড, মেটালাইজড বা অনুরূপ প্লাস্টিক

৩০

৩৯২১.৯০.৯৯

ছাপানো ব্যতীত অন্যান্য প্লাস্টিকের তৈরি সেলুলার, ভলকানাইজড, মেটালাইজড বা অনুরূপ প্লাস্টিক

২০

৩৯.২২

সকল এইচ,এস,কোড

প্লাস্টিকের তৈরি বাথটাব, শাওয়ার বাথ, সিঙ্ক, ওয়াশ বেসিন, বিডেট, ল্যাভেটরী প্যান, সীট ও কভার, ফ্লাশিং সিস্টার্ণস এবং অনুরূপ স্যানিটারী ওয়্যারস্

২০

৩৯.২৩

পণ্য বহন বা প্যাকিং এর জন্য ব্যবহৃত প্লাস্টিকের তৈরি দ্রব্যাদিঃ

৩৯২৩.১০.০০

প্লাস্টিকের তৈরি বাক্স, কেইস, ক্রেট এবং সমজাতীয় পণ্য

৪০

৩৯২৩.২১.০০

Sacks and bags (including cones) of polymers of ethylene other than plastics

৪০

৩৯২৩.২৯.৯০

Sacks and bags (including cones) of other plastics

৪০

৩৯২৩.৩০.২০

৩৯২৩.৩০.৯০

কার্বয়, বোতল, ফ্লাস্ক ও সমজাতীয় পণ্য (ঔষধের স্যাশে ও ইনহেলারের কন্টেইনার ব্যতীত)

৪০

৩৯২৩.৪০.৯০

Other Spools, caps, bobbins and similar supports

৪০

৩৯২৩.৫০.০০

Stoppers, lids, caps and other closures

৪০

৩৯২৩.৯০.৯০

প্লাস্টিক প্যালেটস

৪০

৩৯.২৪

৩৯২৪.১০.০০

প্লাস্টিকের টেবিলওয়্যার বা কিচেনওয়্যার

৪০

৩৯২৪.৯০.১০

Feeding Bottles

২০

৩৯২৪.৯০.৯০

অন্যান্য

৪০

৩৯.২৫

৩৯২৫.২০.০০

প্লাস্টিকের তৈরি দরজা, জানালা ও উহাদের ফ্রেম এবং দরজারthreshold

৪০

৩৯২৫.৩০.০০

প্লাস্টিকের তৈরি শাটার, ব্লাইন্ড এবং উহাদের পার্টস

২০

৩৯২৫.৯০.০০

প্লাস্টিকের তৈরি অন্যান্য বিল্ডার্স ওয়্যার

২০

৩৯.২৬

৩৯২৬.১০.০০

প্লাস্টিকের তৈরি অফিস এবং স্কুল সামগ্রী

২০

৩৯২৬.৪০.০০

Statuettes ‍and other ornamental articles

২০

৩৯২৬.৯০.৯৯

প্লাস্টিকের তৈরি অন্যান্য দ্রব্যাদি

৩০

৪০.১১

৪০১১.১০.০০

মোটর গাড়ির টায়ার

২০

৪০১১.২০.১০

Tyreof a kind used on buses or lorriesof rim size upto 16 inch

২০

৪০.১৬

৪০১৬.৯১.০০

Floor coverings and mats

২০

৪২.০২

সকল এইচ,এস,কোড

Trunks, suit-case, vanity-cases, executive-cases, brief-cases, school satchels, spectacle cases, binocular cases, camera cases, musical instrument cases, guncases, holsters and similar containers; travelling-bags, insulated food or beverages bags toilet bags, rucksacks, handbags, shopping bags, wallets, purses, map-cases, cigarette-cases, tobacco pouches, tool bags, sports bags, bottle-cases, jewellery boxes, powder-boxes, cutlery cases and similar containers, of leather or of composition leather, of sheeting of plastics, of textile materials, of vulcanised fibre or of paperboard, or wholly or mainly covered with such materials or with paper.

২০

৪২.০৩

৪২০৩.৩০.০০

Belts and bandoliers

২০

৪২০৩.৪০.০০

Other clothing accessories

২০

৪৪.১০ হতে ৪৪.১২

সকল এইচ,এস,কোড

(৪৪১১.১২.০০, ৪৪১১.১৩.০০ ও ৪৪১১.১৪.০০ ব্যতীত)

সকল প্রকার পার্টিক্যাল বোর্ড, ওরিয়েন্টেড স্ট্রান্ড বোর্ড ও সমজাতীয় বোর্ড, ফাইবার বোর্ড, হার্ড বোর্ড, প্লাইউড, ভিনিয়ার্ড প্যানেলস্ ও সমজাতীয় লেমিনেটেড পণ্য

১০

৪৪.১০

৪৪১০.১১.০০

Particle board

২০

৪৪.১৮

সকলএইচ,এস,কোড

দরজা, জানালা, উহাদের ফ্রেম ও থ্রেশহোল্ড, প্যারকিট প্যানেল, শাটারিং, শিংগেল ও শেক এবং সমজাতীয় পণ্য

১০

৪৪.২০

৪৪২০.১১.০০

৪৪২০.১৯.০০

Wooden Beads

২০

৪৮.০২

৪৮০২.৫৪.০০

Other paper and paperboard, not containing fibres obtained by a mechanical or chemi-mechanical process or of which not more than 10% by weight of the total fibre content consists of such fibres of weighing less than 40 g/m²

১০

৪৮.১৩

৪৮১৩.১০.0০

৪৮১৩.২০.0০

৪৮১৩.৯০.0০

আমদানিকৃত সিগারেট পেপার,সাইজ মত কর্তিত হউক বা না হউক অথবা বুকলেট বা টিউবের আকারে

৩০০

৪৮.১৮

সকল এইচ,এস,কোড

টয়লেট পেপার, টিস্যু পেপার, টাওয়েল বা ন্যাপকিন পেপার বা সমজাতীয় পণ্য, গৃহস্থালী, সেনিটারী বা অনুরূপ কাজে ব্যবহৃত

২০

৪৮.১৯

৪৮১৯.১০.০০

Cartons, boxes and cases, of corrugated paper and paperboard

১০

৪৮১৯.২০.৯০

ম্যাচ কাঠি প্যাকিংয়ের জন্য ডুপে­ক্স আউটার শেল ব্যতীত নন-করোগেটেড পেপার ও পেপার বোর্ডের তৈরি ফোল্ডিং কার্টুন, বাক্স ও কেস

১০

৪৮১৯.৩০.০০

স্যাকস্ এবং ব্যাগস্ (৪০ সে. মি ও তদূর্ধ্ব প্রস্থ বেজ বিশিষ্ট)

১০

৪৮.২১

৪৮২১.১০.০০

প্রিন্টেড লেভেলস

২০

৪৮.২৩

৪৮২৩.৬৯.০০

Paper Cup, Plate, Bowl

২০

৪৮২৩.৯০.৯৩

৪৮২৩.৯০.৯৪

Surface coloured or printed paper or paper board

২০

৪৯.০১

৪৯০১.১০.০০

Printed Books, Brochures, leaflets, similar printed matter in single sheets, wheather or not folded

১০

৪৯.০৯

৪৯০৯.০০.০০

Printed or illustrated postcards; printed cards bearing personal greetings, messages or announcements, wheather or not illustrated, with or without envelopes or trimmings

২০

৪৯.১০

৪৯১০.০০.০০

Calenders of any kind, printed, including calender blocks

২০

৪৯.১১

সকল এইচ,এস,কোড

ছাপানো ছবি, ফটোগ্রাফসসহ অন্যান্য ছাপানো পণ্য সামগ্রী

২০

৫০.০৭

সকল এইচ,এস,কোড

Woven fabrics of silk or of silk waste.

৪০

৫২.০৮ হইতে ৫২.১২

সকল এইচ,এস,কোড

ওভেন ফেব্রিক্স

১০

৫৪.০৮

সকল এইচ,এস,কোড

ওভেন ফেব্রিক্স

১০

৫৫.০২

৫৫০২.১০.০০

Acetate Tow

৩০০

৫৫.১২ হইতে ৫৫.১৬

সকল এইচ,এস,কোড

(৫৫১২.১৯.১০ ব্যতীত)

ওভেন ফেব্রিক্স

১০

৫৬.০১

৫৬০১.২২.০০

Filter Rod

৩০০

৫৬.০৫

৫৬০৫.০০.১০

Metalized round yarn

২০

৫৭.০১ হইতে ৫৭.০৫

সকল এইচ,এস,কোড

কার্পেট ও অন্যান্য টেক্সটাইল ফ্লোর আচ্ছাদন

২০

৫৮.০১

সকল এইচ,এস,কোড

Woven pile fabrics and chenille fabrics, other than fabrics of heading 58.02 or 58.06.

১০

৫৮.০৪

সকল এইচ,এস,কোড

Tulles and other net fabrics, not including woven, knitted or crocheted fabrics; lace in the piece, in strips or in motifs, other than fabrics of headings 60.02 to 60.06.

১০

৫৯.০৩

৫৯০৩.১০.৯০

Other textile fabrics, impregnated, coated, covered or laminated with polyvinyl chloride

১০

৫৯০৩.২০.৯০

Other textile fabrics, impregnated, coated, covered or laminated with polyurethane

২০

৫৯০৩.৯০.৯০

Other textile fabrics with polyurethane

২০

৬০.০১

সকল এইচ,এস,কোড

Pile fabrics, including “long pile” fabrics and terry fabrics, knitted or crocheted.

১০

৬০.০২

সকল এইচ,এস,কোড

Knitted or crocheted fabrics of a width not exceeding 30 cm, containing by weight 5% or more of elastomeric yarn or rubber thread, other than those of heading 60.01.

১০

৬০.০৩

সকল এইচ,এস,কোড

Knitted or crocheted fabrics of a width not exceeding 30 cm, other than those of heading 60.01 or 60.02

১০

৬০.০৪

সকল এইচ,এস,কোড

Knitted or crocheted fabrics of a width exceeding 30 cm, containing by weight 5% or more of elastomeric yarn or rubber thread, other those of heading 60.01

১০

৬০.০৫

সকল এইচ,এস,কোড

(৬০০৫.৪১.০০ ব্যতীত)

Warp knit fabrics (including those made on galloon knitting machines), other than of headings 60.01 to 60.04

১০

৬০.০৬

সকল এইচ,এস,কোড

Other knitted or crocheted fabrics

১০

৬১.০১ এবং ৬১.০২

সকল এইচ,এস,কোড

ওভারকোট, কার-কোট, কেইপ, ক্লোক, অ্যানোর‌্যাক (স্কি-জ্যাকেটসহ), উইন্ডচিটার, উইন্ড-জ্যাকেট এবং সমজাতীয় পণ্য, নিটেড বা ক্রশেটেড

৩০

৬১.০৩

সকল এইচ,এস,কোড(৬১০৩.২৯.০০ ব্যতীত)

ছেলেদের স্যুট, ইনসিম্বল, জ্যাকেট,ব্লে­জার, ট্রাউজার, বিব ও ব্রেস ওভারঅল, ব্রিচ ও শর্টস (সাঁতারের পোষাক ছাড়া), নিটেড বা ক্রশেটেড

৩০

৬১০৩.২৯.০০

Men’s or boys’ ensembles Of other textile materials

৪০

৬১.০৪

সকল এইচ,এস,কোড

মেয়েদের স্যুট, ইনসিম্বল, জ্যাকেট,ব্লে­জার, ড্রেস, স্কার্ট, ডিভাইডেড স্কার্ট, ট্রাউজার, বিব ও ব্রেস ওভারঅল, ব্রিচ ও শর্টস (সাঁতারের পোষাক ছাড়া), নিটেড বা ক্রশেটেড

৩০

৬১.০৫

সকল এইচ,এস,কোড(৬১০৫.৯০.০০ ব্যতীত)

ছেলেদের শার্ট, নিটেড বা ক্রশেটেড

৩০

৬১০৫.৯০.০০

Men’s or boys’ shirts, knitted or crocheted Of other textile materials

৪০

৬১.০৬

সকল এইচ,এস,কোড

মেয়েদের ব্লাউজ, শার্ট এবং শার্ট-ব্লাউজ, নিটেড বা ক্রশেটেড

৩০

৬১.০৭

সকল এইচ,এস,কোড(৬১০৭.১৯.০০ ব্যতীত)

ছেলেদের আন্ডারপ্যান্ট, ব্রিফ, নাইটশার্ট, পায়জামা, বাথরোব, ড্রেসিং গাউন এবং সমজাতীয় পণ্য, নিটেড বা ক্রশেটেড

৩০

৬১০৭.১৯.০০

Men’s or boys’ underpants, briefs Of other textile materials

৪০

৬১.০৮

সকল এইচ,এস,কোড

মেয়েদের স্লিপ, পেটিকোট, ব্রিফ, প্যান্টি, নাইটড্রেস, পায়জামা, নেগলেজি, বাথরোব, ড্রেসিং গাউন এবং সমজাতীয় পণ্য, নিটেড বা ক্রশেটেড

৩০

৬১.০৯

সকল এইচ,এস,কোড

টি-শার্ট, সিংলেট এবং অন্যান্য ভেস্ট, নিটেড বা ক্রশেটেড

৩০

৬১.১০

সকল এইচ,এস,কোড (৬১১০.৯০.০০ ব্যতীত)

জার্সি, পুলওভার, কার্ডিগান, ওয়েস্টকোট এবং সমজাতীয় পণ্য, নিটেড বা ক্রশেটেড,কাশ্মিরী ছাগল বা অন্য প্রাণীর সরু লোম দ্বারা তৈরি সামগ্রী

৩০

৬১১০.৯০.০০

Jerseys, pullovers, cardigans, waistcoats and similar articles, knitted or crocheted Of other textile materials

৪০

৬১.১১

সকল এইচ,এস,কোড

শিশুদের গার্মেন্টস ও ক্লোদিং এক্সেসরিজ, নিটেড বা ক্রশেটেড

৩০

৬১.১৩

৬১১৩.০০.০০

নিটেড বা ক্রশেটেড ফেব্রিক্সের (৫৯.০৩, ৫৯.০৬ বা ৫৯.০৭ হেডিং এর) তৈরি গার্মেন্টস

৩০

৬১.১৪

সকল এইচ,এস,কোড

অন্যান্য গার্মেন্টস, নিটেড বা ক্রশেটেড

৩০

৬১.১৫

সকল এইচ,এস,কোড(৬১১৫.৯৯.০০ ব্যতীত)

প্যান্টি হোস, টাইটস, স্টকিংস, সকস এবং অন্যান্য হোসিয়ারী (ভেরিকোজ শিরার জন্য স্টকিংস এবং সোলবিহীন জুতাসহ), নিটেড বা ক্রশেটেড

৩০

৬১১৫.৯৯.০০

stockings, socks and other hosiery Of other textile materials

৪০

৬১.১৬

সকল এইচ,এস,কোড

গ্লাভস, মিটেনস এবং মিটস, নিটেড বা ক্রশেটেড

৩০

৬১.১৭

সকল এইচ,এস,কোড

অন্যান্য নিটেড বা ক্রশেটেড ক্লোদিং এক্সেসরিজ; গার্মেন্টস বা ক্লোদিং এক্সেসরিজের অংশ

৩০

৬২.০১ থেকে ৬২.১০ পর্যন্ত

সকল এইচ,এস,কোড(৬২০৩.৩৯.০০, ৬২০৩.৪৩.০০, ৬২০৩.৪৯.০০,

৬২০৪.২১.০০, ৬২০৪.২২.০০, ৬২০৪.২৩.০০, ৬২০৪.২৯.০০, ৬২০৪.৪১.০০, ৬২০৪.৪২.০০, ৬২০৪.৪৩.০০, ৬২০৪.৪৪.০০, ৬২০৪.৪৯.০০, ৬২০৮.৯৯.০০, ৬২০৯.৯০.০০ ব্যতীত)

পুরুষ, মহিলা ও শিশুদের সকল ধরনের তৈরি পোষাক, অন্তর্বাস ও সমজাতীয় পণ্য (সাঁতারের পোষাক ছাড়া)

৩০

৬২.০৩

৬২০৩.৩৯.০০

Men’s or boys Jackets and blazers Of other textile materials

৪০

৬২০৩.৪৩.০০

Men’s or boys Trousers, bib and brace overalls, breeches and shorts Of synthetic fibres

৪০

৬২০৩.৪৯.০০

Men’s or boys Trousers, bib and brace overalls, breeches and shorts Of other textile materials

৪০

৬২.০৪

৬২০৪.২১.০০

৬২০৪.২২.০০

৬২০৪.২৩.০০

৬২০৪.২৯.০০

Women’s or girls’ ensembles

৪০

৬২০৪.৪১.০০

৬২০৪.৪২.০০

৬২০৪.৪৩.০০

৬২০৪.৪৪.০০

৬২০৪.৪৯.০০

Women’s or girls’ dresses

৪০

৬২.০৮

৬২০৮.৯৯.০০

Women’s or girls’ singlets and other vests, briefs, panties, negliges, bathrobes, dressing gowns and similar articles Of other textile materials

৪০

৬২.০৯

৬২০৯.৯০.০০

Babies’ garments and clothing accessories Of other textile materials

৪০

৬২.১২ থেকে ৬২.১৭ পর্যন্ত

সকল এইচ,এস,কোড(৬২১২.১০.০০, ৬২১৪.১০.০০, ৬২১৪.২০.০০, ৬২১৪.৩০.০০, ৬২১৪.৪০.০০, ৬২১৪.৯০.০০ ব্যতীত)

ব্রেসিয়ার, গার্ডল, করসেট, ব্রেস, সাসপেন্ডার, গার্টার, রুমাল, শাল, স্কার্ফ, মাফলার, ম্যান্টিলা, ভেইল, টাই, বো-টাই, ক্র্যাভেট,গ্লাভস, মিটেন্স, মিটস এবং সমজাতীয় ক্লোদিং এক্সেসরিজ ও তার অংশ

৩০

৬২.১২

৬২১২.১০.০০

Brassieres

৪০

৬২.১৪

৬২১৪.১০.০০

Shawls, scarves, mufflers, mantillas, veils and the like: Of silk or silk waste

৪০

৬২১৪.২০.০০

Shawls, scarves, mufflers, mantillas, veils and the like: Of wool or fine animal hair

৪০

৬২১৪.৩০.০০

Shawls, scarves, mufflers, mantillas, veils and the like: Of synthetic fibres

৪০

৬২১৪.৪০.০০

Shawls, scarves, mufflers, mantillas, veils and the like: Of artificial fibres

৪০

৬২১৪.৯০.০০

Shawls, scarves, mufflers, mantillas, veils and the like: Of other textile materials

৪০

৬৩.০১

সকল এইচ,এস,কোড

সকল প্রকার পশমী কম্বল

২০

৬৩.০২

সকল এইচ,এস,কোড

বেড লিনেন, টেবিল লিনেন, টয়লেট লিনেন এবং কিচেন লিনেন

২০

৬৩.০৩

সকল এইচ,এস,কোড

পর্দা (ড্রেপসহ) এবং ইন্টেরিয়র ব্লাইন্ড; পর্দা বা বেড ভ্যালান্স

২০

৬৩.০৪

সকল এইচ,এস,কোড

অন্যান্য আসবাব (৯৪.০৪ হেডিং এর পণ্য ব্যতীত)

২০

৬৪.০২

সকল এইচ,এস,কোড

Other footwear with outer soles and uppers of rubber or plastics.

৪০

৬৪.০৩

সকল এইচ,এস,কোড

Footwear with outer soles of rubber, plastics, leather or composition leather and uppers of leather.

৪০

৬৪.০৪

সকল এইচ,এস,কোড

Footwear with outer soles of rubber, plastics, leather or composition leather and uppers of textile materials.

৪০

৬৪.০৫

সকল এইচ,এস,কোড

Other footwear.

৪০

৬৪.০৬

সকল এইচ,এস,কোড

Upper and outer soles and heels

১০

৬৭.০২

সকল এইচ,এস,কোড

Artificial flowers, foliage and fruit and parts thereof; articles made of artificial flowers, foliage or fruit

২০

৬৮.০২

সকল এইচ,এস,কোড

Granite, marble, travertine and alabaster and other stone

৬০

৬৮.০৩

৬৮০৩.০০.০০

Worked slate and articles of slate or of agglomerated slate

৬০

৬৮.০৮

৬৮০৮.০০.০০

Panels, boards, tiles, blocks and similar articles or vegetable fibre, of straw or of shavings, chips, particles, sawdust or other waste, of wood, agglomerated with cement, plaster or other mineral binders.

২০

৬৮.০৯

সকল এইচ,এস,কোড

Plaster Boards and sheets

২০

৬৯.০৪

সকল এইচ,এস,কোড

Ceramic building bricks, flooring blocks, support or filler tiles and the like.

১০

৬৯.০৫

সকল এইচ,এস,কোড

Roofing tiles, chimney-pots, cowls, chimney liners, architectural ornaments and other ceramic constructional goods.

১০

৬৯.০৬

৬৯০৬.০০.০০

Ceramic pipes, conduits, guttering and pipe fittings.

১০

৬৯.০৭

সকল এইচ,এস,কোড

অনুউজ্জ্বল সিরামিক প্রস্তর ফলক এবং উনানের প্রস্তর অথবা দেয়ালের টাইলস; অনুজ্জ্বল সিরামিক মোজাইক কিউব এবং সমজাতীয় পণ্য, কোন বস্তুর উপর স্থাপিত হউক বা না হউক

৬০

৬৯.১০

সকল এইচ,এস,কোড

সিরামিকের সিঙ্ক, ওয়াশ বেসিন, ওয়াশ বেসিন প্যাডেস্টাল, বাথটাব, বিডে, ওয়াটার ক্লজেট প্যান, ফ্লাশিং সিস্টার্ন, ইউরিনাল ও সমজাতীয় সেনিটারী ফিক্সার্স

৬০

৬৯.১১

সকল এইচ,এস,কোড

চিনামাটি বা পোরসিলিনের তৈরি টেবিল ওয়্যার, কিচেন ওয়্যার ও অন্যান্য গৃহস্থালী এবং টয়লেট সামগ্রী

৬০

৬৯.১২

৬৯১২.০০.০০

সিরামিকের তৈরি টেবিল ওয়্যার, কিচেন ওয়্যার ও অন্যান্য গৃহস্থালী সামগ্রী

৬০

৬৯.১৩

সকল এইচ,এস,কোড

Statuettes and other ornamental ceramic articles.

৬০

৬৯.১৪

সকল এইচ,এস,কোড

অন্যান্য সিরামিক সামগ্রী

৬০

৭০.০২

৭০০২.৩৯.৯০

গ্লাস টিউব

২০

৭০.০৩

৭০০৩.১২.০০

সম্পূর্ণভাবে রংকৃত নন ওয়্যারড শীট আকারে কাস্ট অথবা রোল গ্লাস (অস্বচ্ছ, ফ্লাশড্/এ্যাবজরবেন্টসহ, রিফ্লেক্টিং হউক বা না হউক)

২০

৭০০৩.১৯.০০

অন্যান্য কাস্ট অথবা রোল গ্লাস নন-ওয়্যার্ড শীট

২০

৭০০৩.২০.০০

কাস্ট অথবা রোলগ্লাসওয়্যার্ড শীট

২০

৭০০৩.৩০.০০

কাস্ট অথবা রোল গ্লাস প্রোফাইলস্

২০

৭০.০৪

সকল এইচ,এস,কোড

ড্রন গ্লাস এবং বোন গ্লাস শীট, এ্যাবজরবেন্ট থাকুক বা না থাকুক, রিফ্লেক্টিং হউক বা না হউক

২০

৭০.০৫

সকল এইচ,এস,কোড

শীট আকারে ফ্লোট গ্লাস এবং সারফেস গ্রাউন্ড বা পলিশড গ্লাস, শোষকযুক্ত, প্রতিফলন বা প্রতিফলনহীন স্তরবিশিষ্ট হউক বা না হউক, অন্য কোন কাজ করা নয়

৪৫

৭০.০৬

7006.00.00

Edge-worked glass

২০

৭০.০৭

৭০০৭.১৯.৯০

Other tampered safety glass

২০

৭০০৭.২৯.০০

Other laminated safety glass

২০

৭০.০৯

৭০০৯.৯১.৯০

ফ্রেমবিহীন অন্যান্য কাঁচের আয়না

২০

৭০০৯.৯২.৯০

ফ্রেমযুক্ত অন্যান্য কাঁচের আয়না

২০

৭০.১০

৭০১০.৯০.০০

Carboys, bottles, flastks, jars, pots, phials and other containers, of glass, of a kind used for the conveyance or packing of goods; preserving jars of glass

২০

৭০.১৩

সকল এইচ,এস,কোড

টেবিল, রান্নাঘর, টয়লেট, অফিস, ইনডোর ডেকোরেশন অথবা একইরূপ উদ্দেশ্যে ব্যবহারের উপযোগী কাঁচের তৈজসপত্র (৭০.১০ ও ৭০.১৮ হেডিং এর পণ্য ব্যতীত)

৪৫

৭০.১৬

সকল এইচ,এস,কোড

Paving blocks, slabs, bricks, squares, tiles and other articles of pressed or moulded glass, whether or not wired, of a kind used for building or construction purposes; glass cubes and other glass smallwares, whether or not on a backing, for mosaics or similar decorative purposes; leaded lights and the like; multi-cellular or foam glass in blocks, panels, plates, shells or similar forms.

২০

৭০.১৮

৭০১৮.১০.০০

Glass beads, imitation pearls, imitation precious or semi-precious stones and similar glass small wares

২০

৭১.০২

৭১০২.১০.০০

৭১০২.৩১.০০

অমসৃণ হীরা

২০

৭১০২.৩৯.০০

মসৃণ হীরা

৬০

৭১.১৭

সকল এইচ,এস,কোড

ইমিটেশন জুয়েলারী

২০

৭২.১৩

সকল
এইচ,এস,কোড
(৭২১৩.৯৯.১০ ব্যতীত)

Bars and rods, hot-rolled, in irregularly wound coils, of iron or non-alloy steel.

৪৫

৭২.১৪

সকল
এইচ,এস,কোড

Other bars and rods of iron or non-alloy steel, not further worked than forged, hot-rolled, hot-drawn or hot-extruded, but including those twisted after rolling.

(শুধুমাত্র এলপিজি সিলিন্ডারের ভাল্ব ও বাঙ্গ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কাঁচামাল হিসাবে এইচএস কোড ৭২১৪.৯৯.০০ এর অধীনCarbon steel S20c/SAE 1020 (42mmRD)আমদানির ক্ষেত্র ব্যতীত)

৪৫

৭২.১৫

সকল
এইচ,এস,কোড

Other bars and rods of iron or non-alloy steel. Of free‑cutting steel, not further worked than cold‑formed or cold‑finished

৪৫

৭২.১৬

সকল
এইচ,এস,কোড

Angles, shapes and sections of iron or non-alloy steel.

২০

৭৩.০৩

৭৩০৩.০০.০০

কাস্ট আয়রনের তৈরি টিউব পাইপস

২০

৭৩.০৪

৭৩০৪.১১.২০

৭৩০৪.১৯.২০

অয়েল অথবা গ্যাস পাইপ লাইনে ব্যবহৃত লাইন পাইপঃ ভিতরের ব্যাস ৮ ইঞ্চি অথবা তার নিম্নে

২০

৭৩০৪.৯০.০০

আয়রন অথবা স্টিলের তৈরি অন্যান্য টিউব, পাইপ এবং ফাঁপা প্রোফাইল, সিমলেসSeamless

২০

৭৩.০৬

৭৩০৬.১১.২০

৭৩০৬.১৯.২০

অয়েল অথবা গ্যাস পাইপ লাইনে ব্যবহৃত লাইন পাইপড, (ভিতরের ব্যাস ৮ ইঞ্চি অথবা তার নিম্নে)

২০

৭৩০৬.২১.২০

৭৩০৬.২৯.২০

অয়েল ও গ্যাসের ড্রিলিং এর কাজে ব্যবহৃত কেসিং এবং টিউবিং (ভিতরের ব্যাস ৮ ইঞ্চি অথবা তার নিম্নে)

২০

৭৩০৬.৩০.০০

Other, welded, of circular cross-section of iron or non-alloy steel

২০

৭৩০৬.৪০.০০

Other, welded, of circular cross-section, of stainless steel

২০

৭৩০৬.৫০.০০

Other, welded, of circular cross-section, of other alloy steel

২০

৭৩০৬.৬১.০০

Other, welded, of non-circular cross-section of square or rectangular cross-section

২০

৭৩০৬.৬৯.০০

Other, welded, of non-circular cross-section of other non-circular cross-section

২০

৭৩০৬.৯০.০০

Other, welded, of non-circular cross-section: Other

২০

৭৩.০৭

৭৩০৭.১১.০০

GI Fittings

২০

৭৩০৭.১৯.০০

৭৩০৭.৯৯.৯০

৭৩.১৭

৭৩১৭.০০.০০

Nails, Tacks, Drawing Pins of iron/steel

২০

৭৩.১৮

৭৩১৮.১১.০০

Coach screws

২০

৭৩১৮.১২.০০

Other wood screws

২০

৭৩১৮.১৩.০০

Screw hooks and screw rings

২০

৭৩১৮.১৪.০০

Self-tapping screws

২০

৭৩১৮.১৫.১০

Other screws and bolts flus type tower bolt imported by Industrial IRC holder VAT compliant fire-resistant door manufacturers

২০

৭৩১৮.১৫.৯০

Other Screw

২০

৭৩১৮.১৬.০০

Threaded Nuts of Iron/Steel

২০

৭৩১৮.১৯.০০

Other Screw

২০

৭৩.২০

৭৩২০.১০.০০

Leaf-springs and leaves therefore

২০

৭৩.২১

৭৩২১.১১.০০

গ্যাস জ্বালানির উপযোগী বা গ্যাস এবং অন্যান্য উভয় জ্বালানির উপযোগী রান্নার তৈজসপত্র এবং প্লেট গরমকারক

২০

৭৩.২৩

৭৩২৩.৯৩.০০

৭৩২৩.৯৪.০০

৭৩২৩.৯৯.১০

৭৩২৩.৯৯.৯০

Table/kitchenware of stainless steel

২০

৭৩.২৪

সকল এইচ,এস,কোড

স্টেইনলেস স্টীলের সিঙ্ক, ওয়াস বেসিন, উহার যন্ত্রাংশ, ওয়াটার ট্যাপ এবং বাথরুমের অন্যান্য ফিটিংস ও ফিক্সার্স

২০

৭৪.১৫

৭৪১৫.৩৩.১০

৭৪১৫.৩৩.৯০

Screws; bolts and nuts of copper

২০

৭৪.১৮

৭৪১৮.২০.০০

কপারের তৈরি সেনিটারী ওয়্যার ও উহার যন্ত্রাংশ

২০

৭৬.০৭

৭৬০৭.২০.১০

পেপার/পেপার বোর্ড দ্বারা ব্যাক্ড(Backed)এ্যাল্যুমিনিয়াম ফয়েল, রঙ্গিন হউক বা না হউক, রোল/রিল/ববিন আকারে

২০

৭৬০৭.২০.৯২

Co-polymer coated aluminium tape

২০

৭৬০৭.২০.৯৯

অন্যান্যব্যাক্ড(Backed)এ্যাল্যুমিনিয়াম ফয়েল, রঙ্গিন হউক বা না হউক, রোল/রিল/ববিন আকারে

২০

৭৬.১৫

৭৬১৫.২০.০০

এ্যালুমিনিয়াম স্যানিটারী ওয়্যার ও যন্ত্রাংশ

২০

৭৬.১৬

৭৬১৬.১০.০০

Nails, tacks, staples (other than those of heading 83.05) screws, bolts, nuts, screw hooks, rivets, cotters, cotter-pins, washers and similar articlesof aluminium

২০

৮২.১২

৮২১২.১০.০০

রেজর

২০

৮২১২.২০.১৯

স্টেইনলেস স্টিল ব্লেড

২০

৮২১২.২০.৯০

অন্যান্য

২০

৮২১২.৯০.০০

রেজর পার্টস

২০

৮৩.০১

সকল এইচ,এস,কোড

Padlocks and locks (key, combination or electrically operated), of base metal; clasps and frames with clasps, incorporating locks, of base metal; keys for any of the foregoing articles, of base metal.

২০

৮৩.০৯

৮৩০৯.৯০.৯৯

Other Stoppers

৪৫

৮৪.০৭ এবং ৮৪.০৮

৮৪০৭.৩১.১০ ৮৪০৭.৩২.১০ ৮৪০৭.৩৩.১০ ৮৪০৮.২০.১০

দুই স্ট্রোক বিশিষ্ট অটো রিক্সা/থ্রি হুইলারের ইঞ্জিন

২০

৮৪০৭.৩১.২০ ৮৪০৭.৩২.২০ ৮৪০৭.৩৩.২০ ৮৪০৮.২০.২০

চার স্ট্রোক বিশিষ্ট অটো রিক্সা/থ্রি হুইলারের ইঞ্জিন

২০

৮৪.১৪

৮৪১৪.৫১.০০

১২৫ ওয়াট বা তার নিম্নের মটরযুক্ত টেবিল, ফ্লোর, ওয়াল, সিলিং, উইন্ডো, জানালা ও ছাদের ফ্যান

৪৫

৮৪১৪.৯০.১০

ফ্যান এর যন্ত্রাংশ

৪৫

৮৪.১৫

৮৪১৫.১০.৯০

৮৪১৫.২০.৯০

৮৪১৫.৮১.৯০ ৮৪১৫.৮২.৯০ ৮৪১৫.৮৩.৯০

মটরচালিত পাখাযুক্ত এবং উষ্ণতা ও আর্দ্রতা পরিবর্তন এর সুবিধা সম্বলিত, আর্দ্রতা পৃথকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না এইরূপ বৈশিষ্ট্য সম্বলিত শীতাতপ নিয়ন্ত্রণকারী যন্ত্র

১০০

যন্ত্রাংশ:

৮৪১৫.৯০.১০

ইনডোর অথবা আউটডোর ইউনিট

১০০

৮৪১৫.৯০.৯০

অন্যান্য যন্ত্রাংশ

৬০

৮৪.১৮

সকল এইচ,এস,কোড

(৮৪১৮.৬১.১০,

৮৪১৮.৬৯.১০, ৮৪১৮.৬৯.৯৫, ৮৪১৮.৬৯,৯৭

ব্যতীত)

রেফ্রিজারেটর, ফ্রিজার এবং সমজাতীয় পণ্য; হিট পাম্প; রেফ্রিজারেটিং ফার্নিচার

৩০

৮৪.২১

৮৪২১.২৩.০০

৮৪২১.২৯.৯০

ফিল্টার

২০

৮৪.৫০

সকল এইচ,এস,কোড

(৮৪৫০.২০.৯০,

৮৪৫০.৯০.০০ ব্যতীত)

Washing Machine

২০

৮৫.০৪

৮৫০৪.৩২.০০

Other transformer having a power handling capacity exceeding 1 kVA but not exceeding 16 kVA

২০

৮৫০৪.৩৩.০০

Other transformer having a power handling capacity exceeding 16 kVA but not exceeding 500 kVA

২০

৮৫.০৬

৮৫০৬.১০.০০

ম্যাঙ্গানিজ ডাই অক্সাইড ব্যাটারী

২০

৮৫০৬.৩০.০০

Mercuric oxide battery

২০

৮৫০৬.৪০.০০

Silver oxide battery

২০

৮৫০৬.৫০.০০

Lithium battery

২০

৮৫০৬.৬০.৯০

Air‑zinc battery

২০

৮৫০৬.৮০.০০

Other primary cells and primary batteries

২০

৮৫.০৭

৮৫০৭.১০.০০

লীড এসিড ব্যাটারী ও ইলেকট্রিক এ্যাকুমুলেটর

২০

৮৫০৭.২০.৯০

Other lead acid accumulators

২০

৮৫০৭.৯০.১০

Separator

২০

৮৫.০৯

৮৫০৯.৪০.০০

Blender, Mixer and Grinder

২০

৮৫.১০

৮৫১০.১০.০০

Shavers

২০

৮৫১০.২০.০০

Hair clippers

২০

৮৫১০.৩০.০০

Hair-removing appliances

২০

৮৫.১৬

৮৫১৬.৫০.০০

Microwave ovens

২০

৮৫১৬.৬০.০০

Other ovens; cookers, cooking plates, boiling rigns, grillers and roasters

২০

৮৫.১৯

৮৫১৯.২০.০০

কয়েন, ব্যাংকনোট, ব্যাংক কার্ড, টোকেন ইত্যাদি দ্বারা চালিত সাউন্ড রেকর্ডিং বা রিপ্রোডিউসিং এপারেটাস,  সম্পূর্ণ তৈরি

২০

৮৫১৯.৩০.০০

টার্ন টেবলস (রেকর্ড-ডেক), সম্পূর্ণ তৈরি

২০

৮৫১৯.৮১.২০

অন্যান্য সাউন্ড রেকর্ডিং বা রিপ্রোডিউসিং এপারেটাস (ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল অথবা সেমিকন্ডাক্টর মিডিয়া ব্যবহারকারী), সম্পূর্ণ তৈরি

২০

৮৫১৯.৮৯.২০

অন্যান্য সাউন্ড রেকর্ডিং বা রিপ্রোডিউসিং এপারেটাস, সম্পূর্ণ তৈরি

২০

৮৫.২১

সকল এইচ,এস,কোড

ভিডিও রেকর্ডিং বা রিপ্রডিউসিং এর যন্ত্রপাতি, ভিডিও টিউনারযুক্ত হউক বা না হউক

২০

৮৫.২২

৮৫২২.৯০.২০

লোডেড প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ড (৮৫.২১ হেডিংভুক্ত পণ্যের জন্য)

২০

৮৫.২৩

৮৫২৩.৫২.০০

স্মার্ট কার্ডস

১০

৮৫.২৭

৮৫২৭.১২.০০

পকেট সাইজ রেডিও ক্যাসেট প্লেয়ার, সম্পূর্ণ তৈরি

২০

৮৫.২৮

৮৫২৮.৭২.০০

রঙিন টেলিভিশন

২০

৮৫.২৯

৮৫২৯.৯০.২১

৮৫২৯.৯০.২৯

টিভি কার্ডসহ টেলিভিশন পার্টস্

২০

৮৫২৯.৯০.৩০

লোডেড প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ড ৮৫.২৭ এবং ৮৫.২৮ হেডিংভুক্ত পণ্যের জন্য

৩০

৮৫.৩৬

৮৫৩৬.৫০.০০

Other switches

২০

৮৫৩৬.৬১.০০

Lamp-holders

২০

৮৫৩৬.৬৯.০০

Plugs and sockets

২০

৮৫৩৬.৭০.০০

Connectors for optical fibres, optical fibre bundles or cables

১০

৮৫৩৬.৯০.১০

৮৫৩৬.৯০.৯০

Other apparatus

১০

৮৫.৩৯

৮৫৩৯.২২.০০

৮৫৩৯.২৯.৯০

আলট্রাভায়োলেট/ইনফ্রা-রেড ল্যাম্প ব্যতীত অন্যান্য ফিলামেন্ট ল্যাম্পঃ অন্যান্য

২০

৮৫৩৯.৩১.৯০

এনার্জি সেভিং ল্যাম্প ব্যতীত অন্যান্য ফ্লুরেসেন্ট, হট ক্যাথোড ল্যাম্প

৪৫

৮৫৩৯.৩২.৯০

৮৫৩৯.৩৯.৯০

ইন্ডিকেটর পাইলট ল্যাম্প ও পরীক্ষাগারে ব্যবহৃত ল্যাম্প ব্যতীত অন্যান্য মার্কারী, সোডিয়াম বা মেটাল হ্যালাইড ল্যাম্প

১০

৮৫.৪২

৮৫৪২.৩৯.১০

সিম কার্ড

২০

৮৫.৪৩

৮৫৪৩.40.00

Electronic cigarettes and similar personal electric vaporising devices

১০০

৮৫৪৩.৯

১0

Parts of electronic cigarettes and similar personal electric vaporising devices

১০০

৮৫.৪৪

৮৫৪৪.১৯.৯০

উইন্ডিং ওয়্যার: অন্যান্য

২০

৮৫৪৪.২০.০০

দ্বি-অক্ষ বিশিষ্ট(co-axial)তার এবং অন্যান্য দ্বি-অক্ষ বিশিষ্ট(co-axial)বৈদ্যুতিক পরিবাহী

৩০

৮৫৪৪.৪২.০০

Other electric conductors for a voltage not exceeding 1,000 V fitted with connectors

২০

৮৫৪৪.৭০.০০

Optical fibre cables

১০

৮৫.৪৫

৮৫৪৫.৯০.৯০

ল্যাম্প কার্বন, ব্যাটারী কার্বন, এবং ইলেকট্রিক্যাল কাজে ব্যবহৃত অন্যান্য পণ্য

১০

৮৭.০২

৮৭০২.১০.৪১

Human hauler

৩০

৮৭০২.১০.৪৯

Microbus, having a seating capacity not exceeding 15, including the driver

২০

৮৭০২.৯০.৪০

Motor vehicles built-up, having a seating capacity not exceeding 15, including the driver

১০

৮৭.০৩

সংশ্লিষ্ট

এইচ,এস,কোড

(১)   ইঞ্জিনসহ অটো রিক্সা/ থ্রি হুইলার

2০

(২)   (২) সম্পূর্ণ তৈরি ইঞ্জিনসহ চার স্ট্রোক বিশিষ্ট সিএনজি চালিত অটো রিক্সা/থ্রি হুইলার

2০

(3)  সম্পূর্ণ তৈরি ইলেকট্রিক থ্রি হুইলার

১০

(৩)  (৪)সম্পূর্ণ তৈরি মোটর গাড়ী ও অন্যান্য মোটরযান, স্টেশন ওয়াগনসহ (হাইব্রিড মোটরযান, এ্যাম্বুলেন্স এবং ইলেক্ট্রিক ব্যাটারী চালিত মোটর গাড়িব্যতীত):

(ক)  সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ১২০০ সিসি পর্যন্ত(মাইক্রোবাস ব্যতীত)

৪৫

(খ)  সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ১২০১ হইতে ১৬০০ সিসি পর্যন্ত (মাইক্রোবাস ব্যতীত)

৬০

(গ)   সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ১৬০১ হইতে ২০০০ সিসি পর্যন্ত (মাইক্রোবাস ব্যতীত)

১০০

(ঘ)   সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ২০০১ সিসি হইতে ৩০০০ সিসি পর্যন্ত

২৫০

(ঙ)  সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ৩০০১ সিসি হইতে ৪০০০ সিসি পর্যন্ত

৫০০

(চ)   সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ৪০০০ সিসি এর ঊর্ধ্বে

৫০০

(ছ)   সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ১৮০০ সিসি পর্যন্ত মাইক্রোবাস

২০

(জ)  সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ১৮০১ সিসি হইতে ২০০০ সিসি পর্যন্ত মাইক্রোবাস

৪৫

(৫)

(ক) সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ১৬০০ সিসিপর্যন্ত

২০

(খ)   সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ১৬০১ সিসি হইতে ২০০০ সিসিপর্যন্ত

৪৫

(গ)   সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ২০০১ সিসি হইতে ৩০০০ সিসিপর্যন্ত

১৫০

(ঘ)   সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ৩০০১ সিসি হইতে ৪০০০ সিসিপর্যন্ত

৩৫০

(ঙ)   সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ৪০০০ সিসি এর ঊর্ধ্বে

৫০০

৮৭.০৩

সংশ্লিষ্ট

এইচ,এস, কোড

(ক)  সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ১৮০০ সিসিপর্যন্ত(মাইক্রোবাস ব্যতীত)

২০

(খ)  প্লাগইন হাইব্রিড সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ১৮০০ সিসিপর্যন্ত(মাইক্রোবাস ব্যতীত)

১০

(গ)   সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ১৮০১ সিসি হইতে ২০০০ সিসিপর্যন্ত(মাইক্রোবাস ব্যতীত)

৪৫

(ঘ)প্লাগইন হাইব্রিড সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ১৮০১ সিসি হইতে ২০০০ সিসিপর্যন্ত(মাইক্রোবাস ব্যতীত)

২০

(ঙ)  সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ২০০১ সিসি হইতে২৫০০ সিসিপর্যন্ত(মাইক্রোবাস ব্যতীত)

৬০

(চ)   সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ২৫০১ সিসি হইতে ৩০০০ সিসিপর্যন্ত(মাইক্রোবাস ব্যতীত)

১০০

(ছ)   সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ৩০০১ সিসি হইতে ৪০০০ সিসিপর্যন্ত(মাইক্রোবাস ব্যতীত)

১৫০

(জ)  সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ৪০০০ সিসি এর ঊর্ধ্বে(মাইক্রোবাস ব্যতীত)

৩৫০

(ঝ)  সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ১৮০০ সিসিপর্যন্তমাইক্রোবাস

০

(ঞ) সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ১৮০১ হইতে ২০০০ সিসিপর্যন্তমাইক্রোবাস

৩০

(ট)প্লাগইন হাইব্রিড সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ১৮০১ হইতে ২০০০ সিসিপর্যন্তমাইক্রোবাস

১০

(ঠ)সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি2001বা তদুর্ধ্বমাইক্রোবাস

৬০

৮৭.০৩

সংশ্লিষ্ট

এইচ,এস, কোড

(ক)  মূল্যসীমা ২৫০০০ মা. ডলার পর্যন্ত

০

(খ)  মূল্যসীমা ২৫০০০ মা. ডলার এর ঊর্ধ্ব হইতে ৫০০০০ মা. ডলার পর্যন্ত

১০

(গ)   মূল্যসীমা ৫০০০০ মা. ডলার এর ঊর্ধ্ব হইতে ১০০০০০ মা. ডলার পর্যন্ত

৪৫

(ঘ)   মূল্যসীমা ১০০০০০ মা. ডলার এর ঊর্ধ্ব হইতে ২০০০০০ মা. ডলার পর্যন্ত

৬০

(ঙ)  মূল্যসীমা ২০০০০০ মা. ডলার এর অধিক

১০০

8703.80.99

অন্যান্য ইলেকট্রিক ভেহিক্যাল

১০০

৮৭.০৩

সংশ্লিষ্ট

এইচ,এস, কোড

(ক)  মূল্যসীমা ২৫০০০ মা. ডলার পর্যন্ত

০

(খ)  মূল্যসীমা ২৫০০০ মা. ডলার এর ঊর্ধ্ব হইতে ৫০০০০ মা. ডলার পর্যন্ত

০

(গ)   মূল্যসীমা ৫০০০০ মা. ডলার এর ঊর্ধ্ব হইতে ১০০০০০ মা. ডলার পর্যন্ত

২০

(ঘ)   মূল্যসীমা ১০০০০০ মা. ডলার এর ঊর্ধ্ব হইতে ২০০০০০ মা. ডলার পর্যন্ত

৪৫

(ঙ)  মূল্যসীমা ২০০০০০ মা. ডলার এর অধিক

৬০

৮৭.০৪

সংশ্লিষ্ট

এইচ,এস, কোড

সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ১৬০০ সিসি পর্যন্ত

৪৫

সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ১৬০১ সিসি হইতে ২০০০ সিসি পর্যন্ত

৬০

সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ২০০১ সিসি হইতে ৩০০০ সিসি পর্যন্ত

৬০

সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ৩০০১ সিসি হইতে ৪০০০ সিসি পর্যন্ত

৩৫০

সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ৪০০০ সিসি এর ঊর্ধ্বে

৫০০

৮৭.০৬

সংশ্লিষ্ট

এইচ,এস, কোড

(১) দুই স্ট্রোক বিশিষ্ট অটো রিক্সা/ থ্রি হুইলারের ইঞ্জিনযুক্ত চেসিস

২০

(২) চার স্ট্রোক বিশিষ্ট অটো রিক্সা/ থ্রি হুইলারের ইঞ্জিনযুক্ত চেসিস

২০

(৩)সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ১৮০০ সিসিপর্যন্তমাইক্রোবাস

২০

(৪)সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ১৮০১ সিসি হইতে ২০০০ সিসিপর্যন্তমাইক্রোবাস

৪৫

(ক) সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ১৬০০ সিসিপর্যন্ত

২০

(খ) সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ১৬০১ সিসি হইতে ২০০০ সিসিপর্যন্ত

৬০

(গ) সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ২০০১ সিসি হইতে ৩০০০ সিসিপর্যন্ত

১৫০

(ঘ) সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ৩০০১ সিসি হইতে ৪০০০ সিসিপর্যন্ত

৩০০

(ঙ) সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ৪০০০ সিসি এর ঊর্ধ্বে

৩৫০

৮৭.০৬

সংশ্লিষ্ট

এইচ,এস, কোড

(ক) সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ১৬০০ সিসিপর্যন্ত

২০

(খ) সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ১৬০১ সিসি হইতে ২০০০ সিসিপর্যন্ত

৪৫

(গ) সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ২০০১ সিসি হইতে ৩০০০ সিসিপর্যন্ত

৬০

(ঘ) সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ৩০০১ সিসি হইতে ৪০০০ সিসিপর্যন্ত

২০০

(ঙ) সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ৪০০০ সিসি এর ঊর্ধ্বে

৩০০

৮৭.০৭

৮৭০৭.১০.০০

Bodies for the vehicles of heading 87.03

45

৮৭.১১

8711.10.11

8711.10.91

(ক) সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি৫০ সিসিপর্যন্ত

60

8711.20.11

8711.20.31

8711.20.39

8711.20.59

(খ) সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি৫১ সিসি হইতে ২৫০ সিসিপর্যন্ত

8711.30.10

8711.30.90

(গ) সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ২৫১ সিসি হইতে৫০০ সিসিপর্যন্ত

100

8711.৪0.10

8711.৪0.90

(ঘ) সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি৫০১ সিসি হইতে৮০০ সিসিপর্যন্ত

100

8711.৫0.10

8711.৫0.90

(ঙ) সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি৮০০সিসি এর ঊর্ধ্বে

100

8711.10.21

8711.10.92

(ক) সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি৫০ সিসিপর্যন্ত

20

8711.20.21

8711.20.41

8711.20.49

(খ) সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি৫১ সিসি হইতে ২৫০ সিসিপর্যন্ত

8711.10.19

8711.10.29

8711.10.99

(ক) সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি৫০ সিসিপর্যন্ত

250

8711.20.19

8711.20.29

8711.20.51

8711.20.52

(খ) সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি৫১ সিসি হইতে ২৫০ সিসিপর্যন্ত

8711.30.20

(গ) সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ২৫১ সিসি হইতে৫০০ সিসিপর্যন্ত

8711.৪0.20

(ঘ) সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি৫০১ সিসি হইতে৮০০ সিসিপর্যন্ত

8711.৫0.20

(ঙ) সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি৮০০সিসি এর ঊর্ধ্বে

৮৭.১২

৮৭১২.০০.০০

অযান্ত্রিক বাই-সাইকেল ও অন্যান্য সাইকেল (ডেলিভারী ট্রাইসাইকেলসহ)

২০

৮৭.১৪

৮৭১৪.১০.২০

মোটর সাইকেলের ফুয়েল ট্যাংক

২০

৮৭১৪.৯২.১০

অযান্ত্রিক বাই-সাইকেল ও অন্যান্য সাইকেলের চাকার রিম ও স্পোক

২০

৯০.০৩

৯০০৩.১১.০০

৯০০৩.১৯.০০

Frames and mountings for spectacles, goggles or the like

১০

৯০.০৪

সকল এইচ,এস,কোড

Spectacles, goggles and the like, corrective protective or other

১০

৯৩.০২

৯৩০২.০০.৯০

রিভলবার ওপিস্তল:অন্যান্য

১৫০

৯৩.০৩

অন্যান্য আগ্নেয়াস্ত্রঃ

৯৩০৩.১০.৯০

৯৩০৩.২০.৯০

৯৩০৩.৩০.৯০

৯৩০৩.৯০.৯০

অন্যান্য

১০০

৯৩.০৪

৯৩০৪.০০.৯০

অন্যান্য অস্ত্র: শ্যুটিং ফেডারেশন কর্তৃক আমদানিকৃতmatch weaponব্যতীত অন্যান্য অস্ত্র

১০০

৯৩.০৫

সকল

এইচ,এস,কোড

৯৩.০১ থেকে ৯৩.০৪ হেডিংভুক্ত পণ্যের যন্ত্রাংশ ও এক্সেসরিজ

১০০

৯৩.০৬

সকল

এইচ,এস,কোড (৯৩০৬.২৯.১০ ব্যতীত)

বোমা, গ্রেনেড, টর্পেডো, মাইন, মিসাইল এবং সমজাতীয় গোলা বারুদ (শ্যুটিং ফেডারেশন থেকে আমদানিকৃত স্পোর্টস গোলাবারুদ ব্যতীত)

১০০

৯৩.০৭

৯৩০৭.০০.৯০

তরবারী, ছোরা, সঙ্গিন, বর্শা এবং সমজাতীয় পণ্যঃ অন্যান্য

১০০

৯৪.০১

৯৪০১.২০.১০

Seats of a kind used for motorcycle

২০

৯৪০১.৩১.০০

৯৪০১.৩৯.০০

Swivel seats with variable height adjustment

৪৫

৯৪০১.৬১.০০

৯৪০১.৬৯.০০

Other seats, with wooden frames

৪৫

৯৪০১.৭১.০০

৯৪০১.৭৯.০০

Other seats with metal frames

৪৫

৯৪০১.৮০.০০

Other seats

৪৫

৯৪০১.৯১.০০

Parts of seats : Of wood

১০

৯৪০১.৯৯.০০

Parts of seats : Other

১০

৯৪.০৩

সকল এইচ,এস,কোড (৯৪০৩.২০.১০ ৯৪০৩.২০.৩০ ৯৪০৩.৬০.২০ ব্যতীত)

আসবাবপত্র ও যন্ত্রাংশ

২০

৯৪.০৪

সকল এইচ,এস,কোড (৯৪০৪.২১.০০ ব্যতীত)

Mattresses

১০

৯৪০৪.২১.০০

Mattresses of cellular rubber or plastics, whether or not covered

২০

৯৪.০৫

৯৪০৫.১১.০০

Chandeliers and other electric ceiling or wall lighting fittings, exculding those of a kind used for lighting public open spaces or thorough fares : Dsigned for use solely with light-emmiting diod (LED) light sources

৬০

৯৪০৫.১৯.০০

Otherelectric lighting fittings

৬০

৯৪০৫.২১.০০

৯৪০৫.২৯.০০

৯৪০৫.৩১.০০

৯৪০৫.৩৯.০০

৯৪০৫.৪১.৯০

৯৪০৫.৪২.০০

৯৪০৫.৪৯.৯০

৯৪০৫.৫০.৯০

৯৪০৫.৯১.০০

৯৪০৫.৯২.০০

৯৪০৫.৯৯.০০

Lamps and lighting fittings including searchlights and spotlights and parts thereof, not elsewhere specified or included; illuminated signs, illuminated name-plates and the like, having a permanently fixed light source, and parts thereof not elsewhere specified or included.

৪৫

৯৫.০৩

সকল এইচ,এস,কোড

Tricycles, scooters, pedal cars and similar wheeled toys; dolls’ carriages; dolls; other toys; reduced-size (“scale”) models and similar recreational models, working or not

২০

৯৫.০৪

৯৫০৪.৪০.০০

Playing cards

১০

৯৫.০৫

৯৫০৫.৯০.০০

Carnival or other entertainment articles

২০

৯৬.০৩

৯৬০৩.২১.০০

ডেন্টাল প্লেট ব্রাশসহ সকল প্রকার টুথ ব্রাশ

২০

৯৬.১৩

সকল এইচ,এস,কোড

Cigarette lighters and other lighters, whether or not mechanical or electrical, and parts thereof other than flints and wicks.

২০

৯৬.১৯

৯৬১৯.০০.০০

Sanitary towels (pads) and tampons, napkins and napkin liners for babies and similar articles, of any material.

৪৫”।

(২) টেবিল-২ (সরবরাহ পর্যায়ে সম্পূরক শুল্ক আরোপযোগ্য পণ্যসমূহ) এর কলাম (১) এ উল্লিখিত- (ক) শিরনামা সংখ্যা ২৪.০৩ এবং উহাদের বিপরীতে কলাম (২), (৩) ও (৪) এ উল্লিখিত এন্ট্রিসমূহের পর নিম্নরূপ শিরনামা সংখ্যা ও এন্ট্রিসমূহ সন্নিবেশিত হইবে, যথা:-

২৪.০৪

সংশ্লিষ্ট এইচ,এস,কোড

Nicotine Pouch(প্রতি ১০ গ্রামের খুচরা মূল্য ৫০০ টাকা অর্থাৎ প্রতি গ্রাম ৫০ টাকা)

৩৫

Heated Tobacco

৬৭

(খ) শিরনামা সংখ্যা ৩৩.০৪ এর বিপরীতে কলাম (২), (৩) ও (৪) এ উল্লিখিত এন্ট্রিসমূহের পরিবর্তে নিম্নরূপ এন্ট্রিসমূহ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

৩৩.০৪

সৌন্দর্য্য অথবা প্রসাধন সামগ্রী এবং ত্বক পরিচর্যার প্রসাধন সামগ্রী(ঔষধে ব্যবহৃত পদার্থ এবং চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহৃত ডার্মাটোলজিক্যাল পণ্য ব্যতীত),সানস্ক্রিন বা সান ট্যান সামগ্রী; হাত, নখ বা পায়ের প্রসাধন সামগ্রীসহ:

৩৩০৪.১০.০০

ওষ্ঠাধার প্রসাধন সামগ্রী

৫

৩৩০৪.২০.০০

চক্ষু প্রসাধন সামগ্রী

৫

৩৩০৪.৩০.০০

হাত, নখ বা পায়ের প্রসাধন সামগ্রী

৫

৩৩০৪.৯১.০০

পাউডার, চাপযুক্ত হউক বা না হউক

৫

৩৩০৪.৯৯.০০

অন্যান্য (পেট্রোলিয়াম জেলি এবং বেবি লোশন ব্যতীত)

১০

২০১২ সনের ৪৭ নং আইনের তৃতীয় তফসিল এর সংশোধন

২২। উক্ত আইনের তৃতীয় তফসিলের- (১) টেবিল-১ (‘খণ্ড-খ’-মূসক আরোপযোগ্য সেবা) এর কলাম (১) এর শিরনামা সংখ্যা S০২৬ এবং উহার বিপরীতে কলাম (২), (৩) ও (৪) এ উল্লিখিত এন্ট্রিসমূহ বিলুপ্ত হইবে; (২) টেবিল-৪ (‘খণ্ড-ক’-মূসক আরোপযোগ্য পণ্য) এর কলাম (১) এর- (ক) শিরনামা সংখ্যা ৪৮.০১ এবং উহার বিপরীতে কলাম (২), (৩) ও (৪) এ উল্লিখিত এন্ট্রিসমূহের পূর্বে নিম্নরূপ শিরনামা সংখ্যা এবং এন্ট্রিসমূহ সন্নিবেশিত হইবে, যথা:-

“২২.০৮

সংশ্লিষ্ট এইচ.এস.কোড

বাংলাদেশে প্রস্তুত বিলাতি মদ

৫০০ টাকা

(প্রতি লিটার প্রুফ)

২৪.০১

সংশ্লিষ্ট এইচ.এস.কোড

অপ্রক্রিয়াজাত তামাক (রপ্তানি ও প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব প্রসেসিং কার্যক্রমের ক্ষেত্র ব্যতীত প্রসেসিং ইউনিট হইতে পণের বিনিময়ে অন্যকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নিকট সরবরাহের ক্ষেত্রে)

৫০ টাকা

(প্রতি কেজি)

”

(খ) শিরনামা সংখ্যা ৭২.০৪ এবং উহার বিপরীতে কলাম (৪) এ উল্লিখিত “১২০০ টাকা” সংখ্যা ও শব্দের পরিবর্তে “১৫০০ টাকা” সংখ্যা ও শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে; এবং (গ) শিরনামা সংখ্যা ৭২.১৩ হইতে ৭২.১৬ এবং উহাদের বিপরীতে কলাম (২), (৩) ও (৪) এ উল্লিখিত এন্ট্রিসমূহের পরিবর্তে নিম্নরূপ শিরনামা সংখ্যাসমূহ এবং এন্ট্রিসমূহ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

৭২.১৩ হইতে

৭২.১৬

সকল

এইচ,এস,কোড

(ক) আমদানি/স্থানীয়ভাবে সংগৃহীত রি-রোলেবল স্ক্র্যাপ হইতে প্রস্তুতকৃত এম.এস. পণ্য

২১০০ টাকা

(প্রতি মে: টন)

(খ)আমদানিকৃত/স্থানীয়ভাবে সংগৃহীত মেলটেবল স্ক্র্যাপ হইতে প্রস্তুতকৃত সকল প্রকার বিলেট ও ইনগট

১৯০০ টাকা (প্রতি মে: টন)

(গ) বিলেট/ইনগট হইতে প্রস্তুতকৃত এম.এস. পণ্য

২০০০ টাকা (প্রতি মে: টন)

(ঘ) গর্দা/মেলটেবল স্ক্র্যাপ হইতে প্রস্তুতকৃত ইনগট/বিলেট এবং ইনগট/বিলেট হইতে প্রস্তুতকৃত এম.এস. পণ্য

৩৪০০ টাকা (প্রতি মে: টন) ”

(৩) টেবিল-৪ এর (‘খণ্ড-খ’-মূসক আরোপযোগ্য সেবা) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ (‘খণ্ড-খ’-মূসক আরোপযোগ্য সেবা) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “ (‘খন্ড-খ’ - মূসক আরোপযোগ্য সেবা)

S০২৬

S০২৬.০০

স্বর্ণ বা স্বর্ণালংকার

২৫০০ টাকা
(প্রতি ভরি)

রৌপ্য বা রৌপ্যালংকার

১০০ টাকা
(প্রতি ভরি)

প্লাটিনাম বা প্লাটিনামের তৈরী অলংকার

২৫০০ টাকা
(প্রতি ভরি)

ডায়মন্ড বা ডায়মন্ডের তৈরী অলংকার

২৫০০ টাকা
(প্রতি গ্রাম)

;এবং (৪) অনুচ্ছেদ (৩) এর শেষে উল্লিখিত ব্যাখ্যা বিলুপ্ত হইবে।

তৃতীয় অধ্যায় - আয়কর আইন-২০২৩ (২০২৩ সনের ১২ নং আইন) এর সংশোধন

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২ এর সংশোধন

২৩। আয়কর আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ১২ নং আইন), অতঃপর উক্ত আইন বলিয়া উল্লিখিত, এর ধারা ২ এর- (ক) দফা (১৩) এর উপ-দফা (গ) এ উল্লিখিত “ক্ষতি” শব্দের পরিবর্তে “লোকসান” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে; (খ) দফা (১৪) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (১৪) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(১৪) “আয়কর” অর্থ এই আইনের অধীন আয়ের উপর আরোপযোগ্য বা পরিশোধযোগ্য যেকোনো প্রকারের কর;”; (গ) দফা (১৭)-তে উল্লিখিত “কমিশনার ও ট্যাক্স রিকোভারি অফিসারও” শব্দগুলির পরিবর্তে “কমিশনারও” শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে; (ঘ) দফা (২১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (২১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(২১) “কর” অর্থ আয়কর, এবং যেকোনো অতিরিক্ত কর, অতিরিক্ত মুনাফা কর, দণ্ড কর, সুপার কর, সারচার্জ, জরিমানা, সুদ, ফি এবং এই আইনের অধীন অন্যবিধ আরোপযোগ্য বা পরিশোধযোগ্য অর্থও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে; (ঙ) দফা (২২) এর পর নিম্নরূপ নূতন দফা (২২ক) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:- “(২২ক) “করদিবস” অর্থ করদাতা উদ্বুদ্ধকরণ, সম্মাননা প্রদান এবং কর শিক্ষণসহ জনসচেতনতা বৃদ্ধিকল্পে সরকার কর্তৃক ঘোষিত জাতীয় কর দিবস;”; (চ) দফা (২৬খ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (২৬খ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(২৬খ) “কর নির্ধারণ” অর্থ এই আইনের অধীন যেকোনো প্রকারের আয় ও কর নির্ধারণ, এবং পুনঃআয় ও পুনঃকর নির্ধারণ, অতিরিক্ত আয় ও অতিরিক্ত কর নির্ধারণ, অধিকতর আয় ও অধিকতর কর নির্ধারণও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;” (ছ) দফা (৩০) এর পর নিম্নরূপ নূতন দফা (৩০ক) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:- “(৩০ক) “কাঁচামাল” অর্থ এইরূপ কোনো দ্রব্য, উপাদান বা সামগ্রী, যাহা কোনো পণ্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, প্রস্তুতকরণ বা সংযোজন কার্যক্রমে প্রত্যক্ষভাবে ব্যবহৃত হইয়া সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ভোগ (consumed), রূপান্তরিত অথবা চূড়ান্ত পণ্যে পরিণত হয়;”; (জ) দফা (৩১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (৩১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(৩১) “কোম্পানি” অর্থ কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ (১৯৯৪ সনের ১৮ নং আইন) এ সংজ্ঞায়িত কোনো কোম্পানি, এবং নিম্নবর্ণিত সত্তাসমূহও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে- (ক) বিদেশি কোনো প্রতিষ্ঠানের লিয়াজোঁ অফিস বা রিপ্রেজেন্টেটিভ অফিস বা ব্রাঞ্চ অফিস বা স্থায়ী স্থাপনা; (খ) বাংলাদেশ ব্যতীত অন্য কোনো দেশের আইন দ্বারা বা আইনের অধীন নিবন্ধিত কোনো সত্তা; (গ) ব্যাংকিং, বিমা, লিজিং বা ফাইন্যান্স কার্যক্রমে নিয়োজিত যেকোনো প্রতিষ্ঠান; (ঘ) এনজিও বিষয়ক ব্যুরো বা মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির সহিত নিবন্ধিত কোনো প্রতিষ্ঠান; (ঙ) কোনো ফার্ম, ব্যক্তিসংঘ, কৃত্রিমসত্তার কোনো অংশীদার বা উহা গঠনে অংশগ্রহণকারী কোনো ব্যক্তি (person) যদি কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ (১৯৯৪ সনের ১৮ নং আইন) অনুযায়ী কোম্পানি হইয়া থাকে; (চ) ব্যবসায়িক কার্যক্রম রহিয়াছে এইরূপ যেকোনো রাষ্ট্রায়ত্ত (State Owned)-প্রতিষ্ঠান, কোম্পানি, কর্পোরেশন, বোর্ড, সংবিধিবদ্ধ বা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা বা কর্তৃপক্ষ; (ছ) কোনো আইন দ্বারা বা আইনের অধীন নিগমিত (incorporated) নহে, এইরূপ কোনো বিদেশি সংঘ বা সংস্থা যাহা, বোর্ড কর্তৃক, সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে কোম্পানি হিসাবে ঘোষিত;”; (ঝ) দফা (৪০) এর পর নিম্নরূপ নূতন দফা (৪০ক) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:- “(৪০ক) “ডেভেলপার (Developer)” অর্থ এইরূপ কোনো স্বাভাবিক ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, কোম্পানি, ফার্ম, ব্যক্তিসংঘ, কৃত্রিমসত্তা, রাষ্ট্রায়ত্ত কর্তৃপক্ষ যিনি বা যাহা- (ক) নিজ বা অন্যের মালিকানাধীন ভূমি, ভবন বা স্থাবর সম্পত্তির উপর- (অ) ভূমি উন্নয়ন বা অবকাঠামো নির্মাণ বা প্লট প্রস্তুতকরণ অথবা আবাসিক বা বাণিজ্যিক বা শিল্প ভবন নির্মাণ বা উন্নয়ন বা পুনঃউন্নয়ন বা রূপান্তর কার্যক্রম পরিচালনা করে; এবং (আ) উক্ত উন্নয়ন বা নির্মাণকৃত সম্পত্তি বিক্রয় বা হস্তান্তর বা বরাদ্দ বা ইজারা প্রদানের মাধ্যমে আয় অর্জন করে বা করিবার উদ্দেশ্যে কার্যক্রম পরিচালনা করে; (খ) ভূমির মালিক এবং উক্ত ভূমিতে যৌথ উন্নয়ন চুক্তি (joint development agreement), অপ্রত্যাহারযোগ্য ক্ষমতাপত্র (irrevocable power of attorney), সহ-উন্নয়ন (co-development), বিশেষায়িত চুক্তি (specified agreement) বা অনুরূপ ব্যবস্থার অধীন ডেভেলপাররূপে কার্যক্রম পরিচালনা করে;”; (ঞ) দফা (৫১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (৫১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(৫১) “পরিদর্শী অতিরিক্ত কর কমিশনার” অর্থ ধারা ৪ এ উল্লিখিত অতিরিক্ত কর কমিশনার, যুগ্মকর কমিশনার বা ট্যাক্স রিকোভারি অফিসার;”; (ট) দফা (৫৪) বিলুপ্ত হইবে; (ঠ) দফা (৬৫) এর পর নিম্নরূপ নূতন দফা (৬৫ক) সংযোজিত হইবে, যথা:- “(৬৫ক) “বেসরকারি ইনস্টিটিউট” অর্থে নিম্নবর্ণিত বেসরকারি প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত হইবে, যথা:- (ক) বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ; (খ) এমপিওভুক্ত নহে অথবা বেসরকারি এইরূপ বাংলা মাধ্যম, ইংরেজি মাধ্যম বা ইংরেজি ভার্সন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান; (গ) নার্সিং বা কেয়ারগিভার স্কুল, কলেজ বা ইনস্টিটিউট; (ঘ) মেরিন স্কুল, কলেজ বা ইনস্টিটিউট; (ঙ) ফ্লাইং স্কুল, কলেজ বা ইনস্টিটিউট; (চ) টেকনিক্যাল বা কারিগরি স্কুল, কলেজ বা ইনস্টিটিউট; (ছ) ট্রেনিং স্কুল, কলেজ বা ইনস্টিটিউট; (জ) ভোকেশনাল স্কুল, কলেজ বা ইনস্টিটিউট; (ঝ) ভাষা শিক্ষা স্কুল, কলেজ বা ইনস্টিটিউট; (ঞ) হসপিটালিটি ও ট্যুরিজম স্কুল, কলেজ বা ইনস্টিটিউট; (ট) আর্ট, ফাইন আর্ট বা ফ্যাশন ডিজাইন স্কুল, কলেজ বা ইনস্টিটিউট; (ঠ) ড্রাইভিং স্কুল, কলেজ বা ইনস্টিটিউট; ড) সকল ধরনের পেশা, দক্ষতা, সৃজনশীলতা ও ভাষা শিক্ষা, উন্নয়ন বা প্রশিক্ষণভিত্তিক কার্যক্রম বা প্রতিষ্ঠান;”; (ড) দফা (৬৯) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (৬৯) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(৬৯) “ব্যক্তি (Person)” অর্থ- (ক) স্বাভাবিক ব্যক্তি (individual); (খ) ফার্ম (Firm); গ) কোম্পানি Company); (ঘ) হিন্দু অবিভক্ত পরিবার (Hindu Undivided Family, HUF); (ঙ) আয়, মুনাফা বা লাভ অর্জন করা অথবা অর্জন না করিবার উদ্দেশ্যে গঠিত বা নিবন্ধিত ব্যক্তিসংঘ (Association of Persons, AOP); (চ) পূর্ববর্তী উপ-দফাসমূহের কোনোটির অন্তর্ভুক্ত নহে এইরূপ কৃত্রিমসত্তা (Artificial Juridical Person, AJP); ব্যাখ্যা।-এই দফার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, সকল ধরনের বেসরকারি ইনস্টিটিউট, ট্রাস্ট, ফান্ড, তহবিল, ধর্মীয় বা দাতব্য প্রতিষ্ঠান বা এন্ডাওমেন্ট অথবা যাহা আয় অর্জন, সম্পদ ধারণ, অধিকার গ্রহণ বা করদায় বহন বা করদাতা হিসাবে গণ্য এইরূপ সম্পদ বা স্থাপনা কৃত্তিমসত্তার অন্তর্ভুক্ত হইবে;”; (ঢ) দফা (৬৯) এর পর নিম্নরূপ নূতন দফা (৬৯ক) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:- (৬৯ক) “ব্যক্তিসংঘ (Association of Persons, AOP)” অর্থ দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কর্তৃক স্বেচ্ছায় বা অন্য কোনোভাবে অভিন্ন উদ্দেশ্যে একত্রিত বা গঠিত বা গঠিত বলিয়া বিবেচিত, এইরূপ যেকোনো সত্তা, সংঘ, সমিতি অথবা যৌথ উদ্যোগ (joint venture) বা ব্যবস্থাপনা, যাহা আয়, মুনাফা বা অর্থনৈতিক সুবিধা অর্জনের উদ্দেশ্যে কার্যক্রম পরিচালনা করে, তবে, কোম্পানি, ফার্ম, হিন্দু অবিভক্ত পরিবার বা কৃত্রিমসত্তা ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে না;”; (ণ) দফা (৭৬) এর পর নিম্নরূপ নূতন দফা (৭৬ক) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:- “(৭৬ক) “মুখ্য কর্মকর্তা (Principal Officer)” অর্থে এই আইনের অধীন কোনো কোম্পানি, ফার্ম, ব্যক্তিসংঘ, বেসরকারি ইনস্টিটিউট বা কৃত্রিমসত্তার ক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিগণ অন্তর্ভুক্ত হইবেন, যথা:- (ক) ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা, ব্যবস্থাপক, সচিব, কোষাধ্যক্ষ, এবং পরিচালনা বা হিসাব সম্পাদনের জন্য দায়ী কোনো কর্মকর্তা, তিনি যে নামেই অভিহিত হন না কেন; বা (খ) ব্যবস্থাপনা বা প্রশাসনের সহিত সম্পৃক্ত কোনো ব্যক্তি, যাহাকে উপকর কমিশনার উক্ত প্রতিষ্ঠানের মুখ্য কর্মকর্তা গণ্য করিয়া নোটিশ প্রদান করিয়াছেন;”; (ত) দফা (৭৭) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (৭৭) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(৭৭) “মূলধনি পরিসম্পদ (Capital Asset)” অর্থ- (ক) কোনো করদাতা কর্তৃক ধারণকৃত যেকোনো প্রকৃতির বা ধরনের সম্পত্তি; (খ) কোনো ব্যবসা বা উদ্যোগ (undertaking) সামগ্রিকভাবে বা ইউনিট হিসাবে; (গ) কোনো সিকিউরিটিজ; (ঘ) ব্যবসায়িক পণ্য নহে এইরূপ ব্যক্তিগত স্বর্ণ, রৌপ্য, স্বর্ণালংকার, রৌপ্যালংকার, রত্ন-হীরক, ধাতব মুদ্রা, মূল্যবান ধাতু, চিত্রকর্ম, এন্টিকস (antiques), ক্লাবের মেম্বারশিপ; তবে নিম্নবর্ণিত বিষয়সমূহ ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে না, যথা:- (অ) করদাতার ব্যবসার উদ্দেশ্যে ধারণকৃত কোনো মজুদ, ভোগ্য পণ্য বা কাঁচামাল; (আ) ব্যক্তিগত ব্যবহার্য সামগ্রী, যেমন- পরিধেয় পোশাক, আসবাবপত্র, ফিক্সার বা কারুপণ্য, যন্ত্রপাতি ও যানবাহন যাহা করদাতা কর্তৃক অথবা তাহার উপর নির্ভরশীল পরিবারের কোনো সদস্য কর্তৃক কেবল ব্যক্তিগত প্রয়োজনে ব্যবহার করা হয় এবং তাহার ব্যবসার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয় নাই;”; (থ) দফা (৮০) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (৮০) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(৮০) “রপ্তানি” অর্থ বাংলাদেশের অভ্যন্তর হইতে বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমার বাহিরে কোনো পণ্য বা সেবার সরবরাহ এবং নিম্নবর্ণিত ব্যবসায়িক কার্যক্রমও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে, যথা:- (ক) ব্যাক টু ব্যাক এলসির অধীন রপ্তানিমুখী শিল্পে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত কাঁচামাল ও অন্যান্য উপকরণ সরবরাহ; (খ) বৈদেশিক মুদ্রায় অভ্যন্তরীণ (লোকাল) এলসির অধীন রপ্তানিমুখী শিল্পে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত কাঁচামাল সরবরাহ;”; (দ) দফা (৮০ক) বিলুপ্ত হইবে; (ধ) দফা (৮১) এর- (অ) উপ-দফা (ছ) এ উল্লিখিত “মুনাফা হইতে কোনো” শব্দগুলির পর “স্বাভাবিক ব্যক্তি” শব্দগুলি সংযোজিত হইবে; (আ) উপ-দফা (উ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-দফা (উ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(উ) জয়েন্ট ভেঞ্চার কর্তৃক অংশীদারগণের মধ্যে কর পরবর্তী মুনাফার বন্টনকৃত অর্থ;”। (ন) দফা (৮৬) এর পর নিম্নরূপ নূতন দফা (৮৬ক) ও (৮৬খ) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:- “(৮৬ক) “সহযোগী প্রতিষ্ঠান (Associate Enterprise, AE)” অর্থ এইরূপ কোনো প্রতিষ্ঠান, যাহা প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে, অথবা এক বা একাধিক মধ্যবর্তী সত্তার মাধ্যমে, অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা, নিয়ন্ত্রণ বা মূলধনে অংশগ্রহণ করে বা উহাতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে সম্পর্কযুক্ত থাকে, এবং যাহা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের সহিত নিম্নবর্ণিত কোনো সম্পর্কে আবদ্ধ থাকে, যথা:- (ক) একই ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ (তাহার স্ত্রী/স্বামী, উত্তরসূরি বা পূর্বসূরিগণসহ), প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে বা এক বা একাধিক মধ্যবর্তী সত্তার মাধ্যমে, উভয় প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা বা নিয়ন্ত্রণ বা মূলধনে অংশগ্রহণ করেন; (খ) এক প্রতিষ্ঠান, প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে, বা এক বা একাধিক মধ্যবর্তী সত্তার মাধ্যমে, অন্য প্রতিষ্ঠানের ২৫% (পঁচিশ শতাংশ) এর অধিক ভোটের ক্ষমতাসম্পন্ন শেয়ার ধারণ করে; (গ) একই ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ (তাহার স্ত্রী/স্বামী, উত্তরসূরি বা পূর্বসূরীগণসহ) প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে, বা এক বা একাধিক মধ্যবর্তী সত্তার মাধ্যমে উভয় প্রতিষ্ঠানের ২৫% (পঁচিশ শতাংশ) এর অধিক ভোটের ক্ষমতাসম্পন্ন উভয় শেয়ার ধারণ করেন; (ঘ) এক প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ বা গভর্নিং বোর্ডের মোট সদস্যের অর্ধেকের অধিক সদস্য, অন্য প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হন; (ঙ) কোনো প্রতিষ্ঠানের কোনো নির্বাহী পরিচালক বা গভর্নিং বোর্ডের নির্বাহী সদস্য, অন্য প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত বা উভয় প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে একই ব্যক্তি হন; (চ) উভয় প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ বা গভর্নিং বোর্ডের মোট সদস্যের অর্ধেকের অধিক সদস্য, একই ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হন; (ছ) উভয় প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক বা নির্বাহী সদস্য, একই ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হন; (জ) কোনো প্রতিষ্ঠান কর্তৃক, অন্য প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্তকে নিয়ন্ত্রণ করিবার কার্যকর ক্ষমতা থাকে; (ঝ) উভয় প্রতিষ্ঠান, একই প্যারেন্ট কোম্পানি বা গ্রুপের সদস্য, সাবসিডিয়ারি বা কনসার্ন; (ঞ) উভয় প্রতিষ্ঠান, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সম্পর্কের ভিত্তিতে সম্পর্কযুক্ত থাকে; (ট) এক প্রতিষ্ঠানের নিকট, অন্য প্রতিষ্ঠানের ক্রমযোজিত দায়ের পরিমাণ, ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের মোট সম্পদের বুক ভ্যালুর ৩৫% (পয়ত্রিশ শতাংশ) এর অধিক হয়; বা (ঠ) এক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক, অন্য প্রতিষ্ঠানের পক্ষে প্রদত্ত গ্যারান্টির ক্রমযোজিত পরিমাণ, অন্য প্রতিষ্ঠানের মোট দেনার বুক ভ্যালুর ১০% (দশ শতাংশ) এর অধিক হয়। ব্যাখ্যা।-এই দফার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, “মোট সম্পদের বুক ভ্যালু” অর্থ কোনো প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট হিসাববর্ষের সমাপ্তি তারিখে প্রণীত নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণীতে প্রদর্শিত মোট সম্পদের বহনমূল্য (carrying amount) এর সমষ্টি; এক্ষেত্রে, Carrying amount = Cost-cumulated depreciation-accumulated impairment (+/- other adjustment); (৮৬খ) “সারচার্জ” অর্থে পরিবেশ সারচার্জ, টোবাকো সারচার্জ এবং অন্যান্য সারচার্জও অন্তর্ভুক্ত হইবে;”; (প) দফা (৮৮) এর পর নিম্নরূপ নূতন দফা (৮৮ক) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:- “(৮৮ক) “সেট-এসাইড (set aside)” অর্থে ধারা ৩৩৫ অনুসারে নোটিশ জারি না হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে, আপিল আয়কর কর্তৃপক্ষ বা আপিল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সেট-এসাইড, আংশিক সেট-এসাইড, যাচাই-বাছাই বা পরীক্ষা বা তদন্ত বা প্রমাণাদি দাখিলের সুযোগ প্রদান করাসহ করদাতাকে উপকর কমিশনারের নিকট শুনানি বা আত্মপক্ষ সমর্থন বা দলিলাদি উপস্থাপনের যেকোনো সুযোগ প্রদানের নির্দেশনা অন্তর্ভুক্ত হইবে;” (ফ) দফা (৯২)- (অ) এ উল্লিখিত “ব্যবসা আয়ের ক্ষেত্রে, ব্যবসার সেইরূপ নির্দিষ্ট স্থান বা কার্যক্রম যাহার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির উক্তরূপ ব্যবসা সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে পরিচালিত হয়,” শব্দগুলি ও কমাগুলির পরিবর্তে “বাংলাদেশের সহিত অন্যান্য দেশের সম্পাদিত দ্বৈত কর পরিহার চুক্তি (Double Taxation Avoidance Agreement, DTAA) এর শর্ত অক্ষুণ্ন রাখিয়া ব্যবসা বা পেশা হইতে আয়ের ক্ষেত্রে, ব্যবসা বা পেশার সেইরূপ নির্দিষ্ট স্থান বা কার্যক্রম যাহার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির উক্তরূপ ব্যবসা বা পেশা সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে পরিচালিত হয়,” শব্দগুলি, কমাগুলি ও বন্ধনী প্রতিস্থাপিত হইবে; (আ) উপ-দফা (ছ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-দফা (ছ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(ছ) কোনো ওয়ার্কশপ (workshop);”; (ই) উপ-দফা (ঠ) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-দফা (ড) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:- “(ড) কোনো অনিবাসী সত্তার বাংলাদেশে “ডিজিটাল” বা “অনলাইন” কার্যক্রম বা উপস্থিতি, যদি উক্ত সত্তার ১,০০,০০০ (এক লক্ষ) বা তদূর্ধ্ব, ডিজিটাল বা অনলাইন গ্রাহক বা সাবস্ক্রাইবার থাকে;”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৪ এর প্রতিস্থাপন

২৪। উক্ত আইনের ধারা ৪ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৪ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “৪। আয়কর কর্তৃপক্ষ।-(১) এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, নিম্নবর্ণিত প্রতিষ্ঠান ও পদসমূহ আয়কর কর্তৃপক্ষ হইবে, যথা:- (ক) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড; (খ) মুখ্য কর কমিশনার; (গ) মহাপরিচালক (প্রশিক্ষণ); (ঘ) মহাপরিচালক (পরিদর্শন); (ঙ) কর কমিশনার (আপিল); (চ) মহাপরিচালক (কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল); (ছ) কর কমিশনার; (জ) অতিরিক্ত কর কমিশনার যিনি, অতিরিক্ত কর কমিশনার (আপিল) বা পরিচালক (কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল), পরিচালক (প্রশিক্ষণ), অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিদর্শন) বা পরিদর্শী অতিরিক্ত কর কমিশনার; (ঝ) ট্যাক্স রিকোভারি অফিসার; (ঞ) যুগ্মকর কমিশনার যিনি, যুগ্মকর কমিশনার (আপিল), যুগ্ম পরিচালক (প্রশিক্ষণ), যুগ্মপরিচালক (কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল), যুগ্ম মহাপরিচালক (পরিদর্শন) বা পরিদর্শী যুগ্মকর কমিশনার; (ট) উপকর কমিশনার, উপ মহাপরিচালক (পরিদর্শন), উপপরিচালক (প্রশিক্ষণ) বা উপপরিচালক (কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল); (ঠ) সহকারী কর কমিশনার, সহকারী মহাপরিচালক (পরিদর্শন), সহকারী পরিচালক (প্রশিক্ষণ) বা সহকারী পরিচালক (কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল); (ড) অতিরিক্ত সহকারী কর কমিশনার; এবং (ঢ) কর পরিদর্শক। (২) এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, পরিদর্শী অতিরিক্ত কর কমিশনার বা পরিদর্শী যুগ্মকর কমিশনার তাহার অধিক্ষেত্রের জন্য ট্যাক্স রিকোভারি অফিসার হিসাবে সকল কার্য সম্পাদন করিবেন।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৮ এর সংশোধন

২৫। উক্ত আইনের ধারা ৮ এর উপ-ধারা (৩) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-ধারা (৩ক) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:- “(৩ক) কর কমিশনার (আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট) নিম্নবর্ণিত কার্য সম্পাদন করিবেন, যথা:- (ক) কর ফাঁকি উদঘাটন বা উদঘাটনের কার্যক্রম গ্রহণ, কর ফাঁকি চিহ্নিতকরণে করদাতার তথ্য সংগ্রহ বা সংগ্রহের কার্যক্রম গ্রহণ, অভিযোগ সংগ্রহ বা গ্রহণ, গোয়েন্দা কার্যক্রম বা অভিযান পরিচালনা, তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা বা জব্দকরণ; (খ) ফাঁকিকৃত কর উদ্ধারে বিভিন্ন ব্যক্তি, দপ্তর ও সংস্থা হইতে তথ্য সংগ্রহ, তল্লাশি বা জব্দকরণ এবং সংগৃহীত বা জব্দকৃত তথ্য-দলিলাদি এবং সংশ্লিষ্ট রেকর্ড বিশ্লেষণ; (গ) উদঘাটিত কর ফাঁকির বিষয়ে করদাতার জবানবন্দি গ্রহণ, কর ফাঁকি সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রস্তুতপূর্বক সংশ্লিষ্ট কর অঞ্চলে প্রেরণ ও ফাঁকিকৃত কর আদায়ে সহায়তা প্রদান; (ঘ) কোনো ব্যক্তির আয়, ব্যয়, বিনিয়োগ বা তাহার আওতাধীন সম্পদ তল্লাশি বা জব্দকরণের জন্য এয়ারপোর্ট, বন্দরসহ যেকোনো স্থানে অভিযান পরিচালনা; (ঙ) অন্য কোনো আইন দ্বারা অনুমোদিত বা বোর্ড কর্তৃক অর্পিত অন্য কোনো কার্য সম্পাদন।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৮ এর সংশোধন

২৬। উক্ত আইনের ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (৩) এর দফা (গ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (গ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(গ) রিটার্নের ভিত্তিতে প্রদেয় কর; এবং”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৯ এর সংশোধন।

২৭। উক্ত আইনের ধারা ১৯ এ উল্লিখিত “পরিশোধ করিবে” শব্দগুলির পর “এবং উক্ত কর পরিশোধ করা না হইলে, উপকর কমিশনার এই ধারার অধীন নোটিশ প্রদানপূর্বক উপযুক্ত শুনানির সুযোগ প্রদানের মাধ্যমে কর নির্ধারণ করিবেন” শব্দগুলি ও কমা সংযোজিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২২ এর সংশোধন

২৮। উক্ত আইনের ধারা ২২ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ২২ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “২২। সংরক্ষিত আয় (retained earnings), সঞ্চিতি (reserve), উদ্বৃত্ত (surplus), ইত্যাদির উপর কর আরোপ।-এই আইন বা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি কোনো আয়বর্ষে কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ (১৯৯৪ সনের ১৮ নং আইন) এর অধীন নিগমিত (incorporated) এবং বাংলাদেশ স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত ব্যাংক, বীমা, লিজিং ও ফাইন্যান্স কোম্পানি ব্যতীত অন্য কোনো তালিকাভুক্ত কোম্পানি কর পরবর্তী নিট আয়ের ৩০% (ত্রিশ শতাংশ) এর কম লভ্যাংশ প্রদান করে, তাহা হইলে উক্ত কর পরবর্তী নিট আয়ের ৩০% (ত্রিশ শতাংশ) এবং বিতরণকৃত লভ্যাংশের পার্থক্যের ১০% (দশ শতাংশ) হারে অতিরিক্ত কর প্রদেয় হইবে এবং উক্ত কর পরিশোধ করা না হইলে, উপকর কমিশনার এই ধারার অধীন নোটিশ প্রদানপূর্বক উপযুক্ত শুনানির সুযোগ প্রদানের মাধ্যমে কর নির্ধারণ করিবেন।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২৩ এর সংশোধন

২৯। উক্ত আইনের ধারা ২৩ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ২৩ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “২৩। স্টক লভ্যাংশের উপর কর আরোপ।-এই আইন বা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি কোনো আয়বর্ষে কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ এর অধীন নিগমিত এবং বাংলাদেশ স্টক এক্সচেঞ্জের তালিকাভুক্ত ব্যাংক, বীমা, লিজিং ও ফাইন্যান্স কোম্পানি ব্যতীত অন্য কোনো কোম্পানি কর্তৃক ঘোষিত বা বিতরণকৃত স্টক লভ্যাংশ ঘোষিত বা বিতরণকৃত নগদ লভ্যাংশকে অতিক্রম করে অথবা নগদ লভ্যাংশ ব্যতীত কেবল স্টক লভ্যাংশের ঘোষণা বা বিতরণ করা হয়, তাহা হইলে উক্ত আয়বর্ষে কোম্পানি কর্তৃক ঘোষিত বা বিতরণকৃত স্টক লভ্যাংশের উপর ১০% (দশ শতাংশ) হারে কর প্রদেয় হইবে এবং উক্ত কর পরিশোধ করা না হইলে, উপকর কমিশনার এই ধারার অধীন নোটিশ প্রদানপূর্বক উপযুক্ত শুনানির সুযোগ প্রদানের মাধ্যমে কর নির্ধারণ করিবেন।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২৭ এর সংশোধন

৩০। উক্ত আইনের ধারা ২৭ এর ব্যাখ্যাংশের দফা (জ) এর প্রান্তস্থিত “।” দাঁড়ি চিহ্নের পরিবর্তে “;” সেমিকোলন চিহ্ন প্রতিস্থাপিত হইবে এবং অতঃপর নিম্নরূপ নূতন দফা (ঝ) সংযোজিত হইবে, যথা:- “(ঝ) পণ্য বা সেবার ক্রয়-বিক্রয় প্রস্তাব প্রদান বা গ্রহণ অনলাইন প্ল্যাটফর্ম (অনলাইন বা ডিজিটাল বা যোগাযোগ নেটওয়ার্ক) এর মাধ্যমে সংঘটিত হইলে এবং উক্ত পণ্য বা সেবা প্রদান কার্যক্রম ও ইহার মূল্য বা বিনিময় (consideration) অনলাইন বা অফলাইনের মাধ্যমে পরিশোধ করা হইলে তাহা ইলেক্ট্রনিক মাধ্যমে পণ্য বা সেবা বিক্রয় বলিয়া গণ্য হইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৩০ এর সংশোধন

৩১। উক্ত আইনের ধারা ৩০ এর দফা (ঘ) এ উল্লিখিত “ব্যবসা” শব্দের পর “বা পেশা” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৩২ এর সংশোধন

৩২। উক্ত আইনের ধারা ৩২ এর উপ-ধারা (২) এর দফা (গ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (গ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(গ) কোম্পানি কর্তৃক গোষ্ঠী বীমা বাবদ কোনো কর্মচারীর পক্ষে বীমা কোম্পানিকে পরিশোধিত প্রিমিয়াম এবং বীমা কোম্পানি কর্তৃক প্রদত্ত গোষ্ঠী বীমা পলিসির আওতায় পুনর্ভরণকৃত (reimbursement) চিকিৎসা খরচ।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৩৫ এর সংশোধন

৩৩। উক্ত আইনের ধারা ৩৫ এর- (ক) দফা (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(১) “গৃহসম্পত্তি” অর্থে যেকোনো গৃহসম্পত্তি, ভবন বা দালানসহ নিম্নবর্ণিত পরিসম্পদও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে, যথা:- (ক) আসবাবপত্র, ফিক্সার, ফিটিংস যাহা উক্ত গৃহের অবিচ্ছেদ্য অংশ; (খ) গৃহসম্পত্তি যে ভূমির উপর স্থাপিত উক্ত ভূমি; এবং (গ) কোনো স্থাপনা যাহা গুদাম হিসাবে ব্যবহৃত হয়: তবে শর্ত থাকে যে, কোনো কারখানা ভবন প্ল্যান্ট ও মেশিনারি ভাড়া প্রদানের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসাবে ভাড়া প্ৰদান করা হইলে তাহা ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে না;”; (খ) দফা (৩) এর প্রান্তস্থিত “।” দাঁড়ি চিহ্নের পরিবর্তে “;” সেমিকোলন চিহ্ন প্রতিস্থাপিত হইবে, এবং অতঃপর নিম্নরূপ নূতন দফা (৪) সংযোজিত হইবে, যথা:- “(৪) “সেলামি বা প্রিমিয়াম” অর্থ সম্পত্তি লিজ বা ভাড়ার ক্ষেত্রে ভাড়াটিয়া কর্তৃক এককালীন প্রদত্ত অফেরতযোগ্য ও অসমন্বয়যোগ্য অর্থ বা ঋণ বা অগ্রিম বা যেকোনো অঙ্ক বা সুবিধা, তবে, ভাড়াটিয়া কর্তৃক ধারা ৩৭ এর উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত আ= বার্ষিক মূল্য, ই= ভাড়াটিয়া কর্তৃক পরিশোধিত যেকোনো সার্ভিস চার্জ, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ চার্জ, উহা যে নামেই অভিহিত হউক না কেন, অন্তর্ভুক্ত হইবে না।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৩৬ এর সংশোধন

৩৪। ২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৩৬ এর সংশোধন।- উক্ত আইনের ধারা ৩৬ এর- (ক) উপ-ধারা (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(১) কোনো ব্যক্তির কোনো সম্পত্তির ভাড়া বা লিজ প্রদানের ক্ষেত্রে, ধারা ৩৭ অনুযায়ী “মোট ভাড়ামূল্য” হইতে এই অধ্যায়ে বর্ণিত সর্বমোট অনুমোদনযোগ্য খরচ বাদ দিলে যাহা অবশিষ্ট থাকে, তাহার সহিত ধারা ৩৯ এ উল্লিখিত “বিশেষ ভাড়া আয়” যোগ করিয়া “ভাড়া হইতে আয়” পরিগণনা করিতে হইবে।”; (খ) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত “ব্যবসা” শব্দের পর “বা পেশা” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে; (গ) উপ-ধারা (৩) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৩) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(৩) হোটেল, মোটেল, হোস্টেল বা রিসোর্ট বা বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল আইন, ২০১০ (২০১০ সনের ৪২ নং আইন) এর ধারা ৪ এবং ৫ অনুসারে যথাক্রমে প্রতিষ্ঠিত ও ঘোষিত অর্থনৈতিক অঞ্চলে উক্ত আইনের ধারা ৮ অনুসারে নিয়োগকৃত অর্থনৈতিক অঞ্চল ডেভেলপার এবং বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১০ (২০১০ সনের ৮ নং আইন) এর ধারা ২০ অনুসারে নিয়োগকৃত ডেভেলপার কর্তৃক ভাড়ায় প্রদানকৃত জমি বা স্থাপনা’র ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য কোনো সম্পত্তির ভাড়ার প্রকৃতি, কারবার, বাণিজ্য বা ব্যবসা নির্বিশেষে যে ধরনের হউক না কেন, উক্ত সম্পত্তি হইতে অর্জিত আয় “ভাড়া হইতে আয়” খাতের অধীন পরিগণনা করিতে হইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৩৭ এর সংশোধন

৩৫। উক্ত আইনের ধারা ৩৭ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৩৭ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “৩৭। মোট ভাড়ামূল্য ও ভাড়া হইতে আয় পরিগণনা।-(১) কোনো আয়বর্ষে কোনো ব্যক্তির স্বীয় মালিকানাধীন কোনো গৃহসম্পত্তিসহ যেকোনো সম্পত্তির মোট ভাড়ামূল্য নিম্নবর্ণিত সূত্রানুযায়ী পরিগণিত হইবে, যথা:- অ = (আ+ই)-ঈ, যেখানে- অ = মোট ভাড়ামূল্য, আ = বার্ষিক মূল্য, ই = ভাড়াটিয়া কর্তৃক পরিশোধিত যেকোনো সার্ভিস চার্জ, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ চার্জ, উহা যে নামেই অভিহিত হউক না কেন, ঈ = শূন্যতা ভাতা যাহা কেবল বিদ্যুৎ বিল উপস্থাপন সাপেক্ষে অনুমোদনযোগ্য হইবে। (২) কোনো আয়বর্ষে কোনো ব্যক্তির স্বীয় মালিকানাধীন কোনো সম্পত্তির ভাড়া হইতে আয় নিম্নবর্ণিত সূত্রানুযায়ী পরিগণিত হইবে, যথা:- ক= (খ+গ), যেখানে- ক = ভাড়া হইতে আয়, খ = মোট ভাড়ামূল্য, গ = ধারা 39 এ উল্লিখিত বিশেষ ভাড়া হইতে আয় ।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৩৮ এর সংশোধন

৩৬। উক্ত আইনের ধারা ৩৮ এর উপ-ধারা (২) এর দফা (ক) এ উল্লিখিত “ব্যবসা” শব্দের পর “বা পেশা” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৩৯ এর সংশোধন

৩৭। উক্ত আইনের ধারা ৩৯ এর- (ক) উপ-ধারা (৩), (৪), (৫) ও (৬) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৩), (৪), (৫) ও (৬) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(৩) কোনো আয়বর্ষে, কোনো ব্যক্তি কর্তৃক সম্পত্তি লিজ বা ভাড়া প্রদানের বিপরীতে ফেরতযোগ্য বা সমন্বয়যোগ্য জামানত, নিরাপত্তা জামানত বা অগ্রিম বাবদ অর্থ গৃহীত বা প্রাপ্ত হইলে, উক্ত প্রাপ্ত বা গৃহীত মোট অংকের, অর্থবৎসর শেষের স্থিতির ১০% (দশ শতাংশ), বিশেষ ভাড়া আয় হিসাবে গণ্য হইবে। (৪) কোনো আয়বর্ষে কোনো ব্যক্তি কর্তৃক সম্পত্তি লিজ বা ভাড়া প্রদানের বিপরীতে গৃহীত অফেরতযোগ্য বা অসমন্বয়যোগ্য অঙ্ক, যাহা সেলামি বা প্রিমিয়াম বা অন্য যেকোনো অঙ্ক, তাহা যে নামেই অভিহিত হউক না কেন, তাহার সমুদয় অর্থ উক্ত আয়বর্ষে উক্ত ব্যক্তির বিশেষ ভাড়া আয় হিসাবে গণ্য হইবে: তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত লিজ বা ভাড়ার মেয়াদ বা ৫ (পাঁচ) বৎসর, এই দুইয়ের মধ্যে যাহা কম, সেই মেয়াদের মধ্যে এই বিশেষ ভাড়া আয়, করদাতা তাহার ইচ্ছানুযায়ী বন্টন করিতে পারিবে: আরও শর্ত থাকে যে, যেইক্ষেত্রে করদাতা উক্ত অফেরতযোগ্য বা অসমন্বয়যোগ্য অর্থ বা তাহার কোনো অংশ পরবর্তী কোনো আয়বর্ষে ফেরত প্রদান করে, সেইক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আয়বর্ষে করদাতার “ভাড়া হইতে আয়” পরিগণনার ক্ষেত্রে, উক্ত ফেরত প্রদানকৃত অর্থ বিয়োজনযোগ্য হইবে। (৫) এই আইনের অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, গৃহসম্পত্তি ভিন্ন অন্য কোনো সম্পত্তির ভাড়া হইতে আয়ের বিপরীতে খরচের ক্ষেত্রে এই আইনের অংশ ৭ এর বিধান অনুযায়ী উৎসে কর কর্তন না করিলে, উক্ত খরচ বিশেষ ভাড়া আয় হিসাবে গণ্য হইবে। (৬) এই আইনের অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, বিশেষ ভাড়া হইতে আয় হিসাবে পরিগণিত আয়ের বিপরীতে তৃতীয় তফসিলের অধীন কোনো ভাতা অনুমোদিত হইবে না এবং এইরূপ আয়ের উপর নিয়মিত হারে করদায় নির্ধারিত হইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৪০ এর সংশোধন

৩৮। উক্ত আইনের ধারা ৪০ এর উপ-ধারা (২) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (২) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(২) কোনো ব্যক্তি কর্তৃক উৎপাদিত ও প্রক্রিয়াকৃত চা এবং রাবার এর মোট আয়ের ৪০% (চল্লিশ শতাংশ) ব্যবসা বা পেশা হইতে আয় এবং ৬০% (ষাট শতাংশ) কৃষি হইতে আয় হিসাবে পরিগণিত হইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৪১ এর সংশোধন

৩৯। উক্ত আইনের ধারা ৪১ এর উপ-ধারা (৬) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৬) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(৬) এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে,- (ক) এই আইনের অংশ ৭ এর বিধান অনুযায়ী উৎসে কর কর্তন সম্পর্কিত বিধান পরিপালন না করিলে, যে পরিমাণ কম কর কর্তন বা সংগ্রহ বা পরিশোধ করা হইয়াছে সেই পরিমাণ এবং তাহার অতিরিক্ত ৫০% (পঞ্চাশ শতাংশ) কর প্রদেয় হইবে; (খ) এই আইনের অংশ ৭ অনুযায়ী উৎসে কর কর্তন, সংগ্রহ ইত্যাদি ব্যর্থতার ফলাফলস্বরূপ ধারা ১৪৩ এর আওতায় গৃহিত কার্যক্রমের ফলে পরিশোধিত কর, দফা (ক) এ উল্লিখিত কর অপেক্ষা কম হইলে, যেই পরিমাণ কম হইবে, সেই পরিমাণ কর এবং উহার ৫০% (পঞ্চাশ শতাংশ) অতিরিক্ত কর প্রদেয় হইবে; এবং (গ) ধারা ৫৫ অনুযায়ী অননুমোদনযোগ্য বিয়োজন, কৃষি হইতে আয় হিসাবে পরিগণিত হইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের পঞ্চম অধ্যায়ের শিরোনামের সংশোধন

৪০। উক্ত আইনের পঞ্চম অধ্যায়ের শিরোনামে উল্লিখিত “ব্যবসা” শব্দের পর “বা পেশা” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৪৫ এর সংশোধন

৪১। উক্ত আইনের ধারা ৪৫- (ক) এর উপান্তটীকায় উল্লিখিত “ব্যবসা” শব্দের পর “বা পেশা” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে; (খ) এ উল্লিখিত “ব্যবসা” শব্দের পর “বা পেশা” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে; (গ) এর দফা (খ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (খ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(খ) কোনো ব্যবসায় বা পেশাজীবী সংগঠন বা এইরূপ কোনো সংগঠন কর্তৃক উহার সদস্য বা সদস্য নহে, এইরূপ সকলকে যেকোনো সেবা প্রদানের মাধ্যমে অর্জিত আয়;”; (ঘ) এর দফা (ছ) এ উল্লিখিত “ব্যবসা” শব্দের পর “বা পেশা” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৪৬ এর সংশোধন

৪২। উক্ত আইনের ধারা ৪৬- (ক) এর উপান্তটীকায় উল্লিখিত “ব্যবসা” শব্দের পর “বা পেশা” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে; (খ) এর উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “ব্যবসা” শব্দের পর “বা পেশা” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে; (গ) এর উপ-ধারা (২) এর সারণির কলাম (১) এর- (অ) ক্রমিক নং (১) এর বিপরীতে কলাম (৩) এ উল্লিখিত “ব্যবসা” শব্দের পর “বা পেশা” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে; আ) ক্রমিক নং ২) এর বিপরীতে কলাম ৩) এ উল্লিখিত “ব্যবসা” শব্দের পর “বা পেশা” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে; (ঘ) এর উপ-ধারা (৩) এর সারণির কলাম (১) এর- (অ) ক্রমিক নং (১) এর বিপরীতে কলাম (৩) এ উল্লিখিত “ব্যবসা” শব্দের পর “বা পেশা” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে; (আ) ক্রমিক নং (২) এর বিপরীতে কলাম (৩) এ দুইবার উল্লিখিত “ব্যবসা” শব্দের পর “বা পেশা” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে; (ঙ) এর উপ-ধারা (৪) এ উল্লিখিত “ব্যবসা” শব্দের পর “বা পেশা” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে; (চ) এর উপ-ধারা (৬) এ উল্লিখিত “ব্যবসা” শব্দের পর “বা পেশা” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে; (ছ) এর উপ-ধারা (৬) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-ধারা (৬ক) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:- “(৬ক) যদি কোনো আয়বর্ষে এই অধ্যায়ের অধীন আয় পরিগণনায় কোনো ব্যক্তির নিকট প্রদেয় সুদ বা মুনাফা বাবদ কোনো খরচ বিয়োজিত হয় এবং যে আয়বর্ষে বিয়োজিত হইয়াছে তাহা শেষ হইবার পরবর্তী ৩ (তিন) বৎসরের মধ্যে যদি উক্ত সুদ বা মুনাফা পরিশোধ করা না হয় তাহা হইলে বর্ণিত ৩ (তিন) বৎসর সমাপ্তির পরবর্তী আয়বর্ষে উক্ত সুদ বা মুনাফার অপরিশোধিত অঙ্ক করদাতার ব্যবসা বা পেশা হইতে আয় শ্রেণির আয় হিসাবে গণ্য হইবে: তবে শর্ত থাকে যে, আয় হিসাবে গণ্য হইয়াছে এইরূপ কোনো সুদ বা মুনাফা যদি পরবর্তী কোনো বৎসরে পরিশোধ করা হয়, তাহা হইলে উক্ত পরিশোধ সংশ্লিষ্ট আয়বর্ষে উক্ত অঙ্ক করদাতার আয় পরিগণনা হইতে বাদ যাইবে।”; (জ) এর উপ-ধারা (৮) এর- (অ) দফা (ক)-তে উল্লিখিত “ব্যবসা” শব্দের পর “বা পেশা” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে; (আ) দফা খ)-তে উল্লিখিত “ব্যবসা” শব্দের পর “বা পেশা” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে; (ঝ) ‍এর উপ-ধারা (৯) এ উল্লিখিত “ব্যবসা” শব্দের পর “বা পেশা” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে; (ঞ) এর উপ-ধারা (১০) এ উল্লিখিত “ব্যবসা” শব্দের পর “বা পেশা” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে; (ট) এর উপ-ধারা (১১)-তে উল্লিখিত- (অ) “লাভ ক্ষতির হিসাবে” শব্দগুলির পরিবর্তে “লাভ-ক্ষতি হিসাব (আয় বিবরণী) এ” শব্দগুলি, চিহ্ন ও বন্ধনী প্রতিস্থাপিত হইবে; এবং (আ) “ব্যবসা” শব্দের পর “বা পেশা” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে; (ঠ) এর উপ-ধারা (১১) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-ধারা (১১ক) ও (১১খ) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:- “(১১ক) ধারা ৫২ এর উপ-ধারা (২) এর শর্তাংশ অনুযায়ী, ব্যাংক, ফাইন্যান্স ও লিজিং কোম্পানি ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তি কর্তৃক তাহার কোনো সহযোগী প্রতিষ্ঠানকে, প্রদানকৃত ঋণের বিপরীতে প্রাপ্ত সুদের পরিমাণ, বার্ষিক ১২% (বারো শতাংশ) অপেক্ষা কম হইলে, যে পরিমাণে কম সুদ প্রাপ্ত হইবে, সেই পরিমাণ অঙ্ক সংশ্লিষ্ট আয়বর্ষে উক্ত ব্যক্তির “ব্যবসা বা পেশা হইতে আয়” হিসাবে গণ্য হইবে। (১১খ) ধারা ৬৬ এর দফা (ক) এর শর্তাংশে উল্লিখিত আয় সংশ্লিষ্ট আয়বর্ষে “ব্যবসা বা পেশা হইতে আয়” হিসাবে গণ্য হইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৪৯ এর সংশোধন

৪৩। উক্ত আইনের ধারা ৪৯- (ক) এর উপান্তটীকায় উল্লিখিত “ব্যবসা” শব্দের পর “বা পেশা” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে; (খ) এ উল্লিখিত “ব্যবসা” শব্দের পর “বা পেশা” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে; (গ) এর দফা (থ) এ উল্লিখিত “ক্ষতি” শব্দের পরিবর্তে “লোকসান” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৫০ এর সংশোধন

৪৪। উক্ত আইনের ধারা ৫০- (ক) এর উপান্তটীকায় উল্লিখিত “ব্যবসা” শব্দের পর “বা পেশা” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে; (খ) এর উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত “ব্যবসা” শব্দের পর “বা পেশা” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে; (গ) এর উপ-ধারা (৪) এ উল্লিখিত “ব্যবসা” শব্দের পর “বা পেশা” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৫২ এর সংশোধন

৪৫। উক্ত আইনের ধারা ৫২ এর- (ক) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “পরিশোধ করা” শব্দগুলির পরিবর্তে “পরিশোধিত বা প্রদেয়” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে; (খ) উপ-ধারা (২) এর প্রান্তস্থিত “।” দাঁড়ি চিহ্নের পরিবর্তে “:” কোলন চিহ্ন প্রতিস্থাপিত হইবে, এবং অতঃপর নিম্নরূপ নূতন শর্তাংশ সংযোজিত হইবে, যথা:- “তবে শর্ত থাকে যে, ধারা ৪৬ এর উপ-ধারা (১১ক) এর প্রযোজ্যতা সাপেক্ষে, ব্যবসায়ের উদ্দেশ্যে ধারকৃত অর্থের কোনো অংশ কোনো সহযোগী প্রতিষ্ঠানকে ঋণ প্রদান করা হইলে ধারকৃত অর্থের সেই অংশের সুদ বা মুনাফা ব্যয়, ব্যবসায়িক ব্যয় হিসাবে অনুমোদিত হইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৫৩ এর সংশোধন

৪৬। উক্ত আইনের ধারা ৫৩ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৫৩ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “৫৩। সুদ অনুমোদনের ক্ষেত্রে বিশেষ বিধান।-এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ব্যাংক, ফাইন্যান্স ও লিজিং কোম্পানি ব্যতীত কোনো নিবাসী ব্যক্তি কর্তৃক কোনো সহযোগী প্রতিষ্ঠান হইতে গৃহীত ঋণের বিপরীতে কোনো করবর্ষে সুদ পরিশোধ করিলে, তাহা ব্যবসায়িক ব্যয় হিসাবে অনুমোদিত হইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৫৪ এর সংশোধন

৪৭। উক্ত আইনের ধারা ৫৪ এর উপ-ধারা (২) এর দফা (ক)-তে উল্লিখিত “ব্যবসা” শব্দের পর “বা পেশা” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৫৫ এর সংশোধন

৪৮। উক্ত আইনের ধারা ৫৫- (ক) তে উল্লিখিত “ব্যবসা” হইতে আয় পরিগণনায়” শব্দগুলির পরিবর্তে “ব্যবসা বা পেশা হইতে আয় পরিগণনায় ধারা ৪৯, ৫০, ৫১, ৫২, ৫৩ ও ৫৪ এর শর্ত পরিপালন সত্ত্বেও” শব্দগুলি, সংখ্যাগুলি ও কমাগুলি সন্নিবেশিত হইবে; (খ) এর দফা (ক) বিলুপ্ত হইবে; (গ) এর দফা (ঘ)-তে উল্লিখিত “২০ (বিশ)” সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দের পরিবর্তে “২৫ (পঁচিশ)” সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে; (ঘ) এর দফা (জ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (জ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(জ) আপ্যায়ন ব্যয় হিসাবে নিম্নবর্ণিত অঙ্কের অতিরিক্ত অঙ্ক- (অ) আপ্যায়ন ব্যয় বিয়োজন ব্যতীত নিরূপিত ব্যবসায় আয়ের ৪% চার শতাংশ); এবং (আ) দাবিকৃত খরচ, এর মধ্যে যাহা কম;”; (ঙ) এর দফা (ঝ) এর উপ-দফা (অ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-দফা (অ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(অ) ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পের ক্ষেত্রে- (১) ব্যবসায়িক টার্নওভারের ১০ (দশ) কোটি টাকা পর্যন্ত ২% (দুই শতাংশ) হারে; (২) ব্যবসায়িক টার্নওভার ১০ (দশ) কোটি টাকার অধিক, তবে ২০ (বিশ) কোটি টাকার অধিক নহে এইরূপ ক্ষেত্রে ১.৫% (এক দশমিক পাঁচ শতাংশ) হারে; (৩) ব্যবসায়িক টার্নওভার ২০ (বিশ) কোটি টাকার অধিক এইরূপ ক্ষেত্রে ১% (এক শতাংশ) হারে; (৪) করদাতার দাবিকৃত ফ্রি স্যাম্পল বিতরণ খরচ, এর মধ্যে যাহা কম;”; (চ) এর দফা (ঞ)-তে উল্লিখিত “০.৫% (শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশ)” সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দগুলির পরিবর্তে “১% (এক শতাংশ)” সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে; (ছ) এর দফা (ন)-তে উল্লিখিত “ক্ষতি” শব্দের পরিবর্তে “লোকসান” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৫৬ এর প্রতিস্থাপন

৪৯। উক্ত আইনের ধারা ৫৬ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৫৬ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “৫৬। ব্যবসা বা পেশা হইতে আয়ের ক্ষেত্রে উৎসে কর কর্তন, সংগ্রহ বা পরিশোধে ব্যর্থতায় কর আরোপণ।-(১) এই আইনের অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধারা ৫৪ এর উপ-ধারা (২) এর প্রযোজ্যতা সাপেক্ষে,- (ক) এই আইনের অংশ ৭ এর বিধান অনুযায়ী উৎসে কর কর্তন সম্পর্কিত বিধান পরিপালন না করিলে, যে পরিমাণ কম কর কর্তন বা সংগ্রহ বা পরিশোধ করা হইয়াছে সেই পরিমাণ এবং উহার অতিরিক্ত ৫০% (পঞ্চাশ শতাংশ) কর প্রদেয় হইবে; বা (খ) এই আইনের অংশ ৭ অনুযায়ী উৎসে কর কর্তন, সংগ্রহ ইত্যাদি ব্যর্থতার ফলাফলস্বরূপ ধারা ১৪৩ এর আওতায় গৃহিত কার্যক্রমের ফলে পরিশোধিত কর, দফা (ক) এ উল্লিখিত কর অপেক্ষা কম হইলে, যেই পরিমাণ কম হইবে, সেই পরিমাণ কর এবং উহার ৫০% (পঞ্চাশ শতাংশ) অতিরিক্ত কর প্রদেয় হইবে; (২) ধারা ৫৫ অনুযায়ী অননুমোদনযোগ্য বিয়োজন, ব্যবসা বা পেশা হইতে আয় হিসাবে পরিগণিত হইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৫৬ক এর সংযোজন

৫০। উক্ত আইনের ধারা ৫৬ এর পর নিম্নরূপ নূতন ধারা ৫৬ক সংযোজিত হইবে, যথা:- “৫৬ক। ব্যবসা বা পেশা এর মূলধনী পরিসম্পদ (Capital Asset) অর্জনকালে উৎসে কর কর্তন, সংগ্রহ বা পরিশোধে ব্যর্থতায় করারোপণ।-কোনো আয়বর্ষে ব্যবসা বা পেশা সংশ্লিষ্ট মূলধনী পরিসম্পদ অর্জনকালে, পরিশোধিত অর্থ হইতে এই আইনের অংশ ৭ অনুযায়ী উৎসে কর কর্তন বা সংগ্রহ করা না হইলে, এইরূপ ক্ষেত্রে- (ক) যে পরিমাণ কম কর কর্তন বা সংগ্রহ বা পরিশোধ করা হইয়াছে সেই পরিমাণ এবং উহার অতিরিক্ত ৫০% (পঞ্চাশ শতাংশ) কর প্রদেয় হইবে; বা (খ) ধারা ১৪৩ এর আওতায় গৃহিত কার্যক্রমের ফলে পরিশোধিত কর, দফা (ক) এ উল্লিখিত কর অপেক্ষা কম হইলে, যেই পরিমাণ কম হইবে, সেই পরিমাণ কর এবং উহার ৫০% (পঞ্চাশ শতাংশ) অতিরিক্ত কর প্রদেয় হইবে;”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৫৮ এর সংশোধন

৫১। উক্ত আইনের ধারা ৫৮ এর উপ-ধারা (২) এর পর নূতন উপ-ধারা (৩) ও (৪) সংযোজিত হইবে, যথা:- “(৩) ভূমি, ভূমিসহ স্থাপনা এর মালিক, কোনো নির্মাণ বা উন্নয়ন কার্যক্রম বা ভেঞ্চারের জন্য, ডেভেলপার বা রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার এর নিকট হইতে বিশেষায়িত চুক্তিমূলে বা চুক্তির বাহিরে নগদ, ফ্ল্যাটসহ যেকোনো সুবিধা প্রাপ্ত হইলে, তাহা উক্ত মালিকের মূলধনী প্রাপ্তি হিসাবে বিবেচিত হইবে এবং নিম্নবর্ণিতভাবে মূলধনী মুনাফা কর পরিগণনা করিতে হইবে- ক= (খ-গ ) × ১৫% (পনেরো শতাংশ), যেখানে- ক= মূলধনী মুনাফা কর; খ= বিশেষায়িত চুক্তিমূলে বা চুক্তির বাহিরে ডেভেলপারের নিকট হইতে নগদ, ফ্ল্যাট সহ প্রাপ্ত সকল সুবিধার আর্থিক মূল্য; গ= বিশেষায়িত চুক্তিমূলে ডেভেলপারকে প্রদানকৃত ভূমি, স্থাপনাসহ ভূমির অর্জনমূল্য: তবে শর্ত থাকে যে, এই মূলধনী মুনাফা আয়ের উপর প্রযোজ্য আয়কর, আয় সংশ্লিষ্ট করবছর ও পরবর্তী ২ (দুই) করবছরের মধ্যে সমান কিস্তিতে বণ্টনপূর্বক পরিশোধ করা যাইবে। ব্যাখ্যা।-এই উপ-ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, “বিশেষায়িত চুক্তি (Specified Contract)” অর্থ কোনো নিবন্ধিত চুক্তি, যাহার মাধ্যমে ভূমি, স্থাপনা, বাড়ি, ফ্ল্যাট, এপার্টমেন্ট বা ফ্লোরস্পেস মালিক, অন্য কোনো ব্যক্তিকে উক্ত ভূমি, স্থাপনা, বাড়ি, ফ্ল্যাট, এপার্টমেন্ট বা ফ্লোরস্পেস, রিয়েল এস্টেট প্রকল্প উন্নয়ন বা নির্মাণের জন্য অনুমতি প্রদান করিতে সম্মত হন এবং তাহার বিনিময়ে ভাগ হিসাবে, যাহা উক্ত প্রকল্পে নগদ, জমি বা ভবন এবং অন্য কোনো সুবিধা তাহা যে নামেই অভিহিত করা হউক না কেন, প্রাপ্ত হন। (৪) ব্যক্তিগত স্বর্ণ, রৌপ্য, স্বর্ণালংকার, রৌপ্যালংকার, রত্ন-হীরক, ধাতব মুদ্রা, মূল্যবান ধাতু, চিত্রকর্ম, এন্টিকস (antiques), ক্লাবের মেম্বারশিপ হস্তান্তর হইতে অর্জিত মুনাফা, মূলধনি মুনাফা হিসাবে বিবেচিত হইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৬১ এর সংশোধন

৫২। উক্ত আইনের ধারা ৬১ এর উপ-ধারা (৩) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-ধারা (৪), (৫) ও (৬) সংযোজিত হইবে, যথা:- “(৪) ধারা ৫৮-তে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো ফার্ম কর্তৃক তাহার ব্যবসা পরিচালনার ধারাবাহিকতায় কোনো কোম্পানির নিকট মূলধনী সম্পদ বা স্পর্শাতীত সম্পদ (intangible asset) হস্তান্তরের ফলে মূলধনী আয় উদ্ভূত হইলে, নিম্নবর্ণিত শর্তসাপেক্ষে তাহা করমুক্ত থাকিবে- (ক) যদি হস্তান্তরের পূর্বে, ফার্মের সকল সম্পদ ও দায়সমূহ, কোম্পানির সম্পদ ও দায়ে পরিণত হয়; (খ) যদি হস্তান্তরের পূর্বে, ফার্মের সকল অংশীদার, কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার হিসেবে পরিগণিত হয় এবং ফার্মে তাহাদের মূলধনী হিসাব অনুযায়ী, কোম্পানিতে একই অনুপাত বজায় থাকে; (গ) যদি অংশীদারগণ শেয়ার বরাদ্দ ব্যতীত অন্য কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সুবিধা বা প্রতিদান প্রাপ্ত না হন; (ঘ) ফার্মের অংশীদারদের সম্মিলিত শেয়ারধারণ, কোম্পানির মোট ভোটাধিকার ক্ষমতার কমপক্ষে ৫০% (পঞ্চাশ শতাংশ) হয় এবং হস্তান্তরের তারিখ হইতে পরবর্তী ৫ (পাঁচ) বৎসর এই শেয়ারধারণ অব্যাহত থাকে। (৫) উপ-ধারা (৪) এ বর্ণিত শর্তসমূহের কোনো একটির পরিপালন না হইলে, উক্ত শর্তাবলির মাধ্যমে এই উপ-ধারার অধীন কর আরোপ হইতে অব্যাহতিপ্রাপ্ত মূলধনী বা স্পর্শাতীত সম্পদ হস্তান্তরজনিত মুনাফা বা লাভ, সংশ্লিষ্ট করবৎসরে উত্তরাধিকারী কোম্পানির জন্য নিয়মিত হারে করযোগ্য মূলধনী আয় হিসেবে গণ্য হইবে; উত্তরাধিকারী কোম্পানি তাহা মূলধনী আয় হিসাবে প্রদর্শন না করিলে উপকর কমিশনার এই ধারায় নোটিশ প্রদান করিবেন এবং শুনানির সুযোগ প্রদানপূর্বক প্রযোজ্য ক্ষেত্রে মূলধনী আয় নিরূপণ করিবেন। (৬) ব্যবসা পুনর্গঠনের অংশ হিসাবে কোনো ফার্ম উপ-ধারা (৪) এর শর্তসমূহ পূরণ সাপেক্ষে একটি কোম্পানিতে রূপান্তরিত হইলে সেইক্ষেত্রে অন্য কোনো ধারায় যাহা কিছুই থাকুক না কেন, উক্ত ফার্মের সঞ্চিত লোকসান এবং অনিঃশেষিত অবচয় উত্তরাধিকারী কোম্পানির জন্য সংশ্লিষ্ট করবর্ষে লোকসান বা অবচয় ভাতা হিসাবে গণ্য হইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৬৬ এর সংশোধন

৫৩। উক্ত আইনের ধারা ৬৬ এর- (ক) দফা (ক) এ প্রান্তঃস্থিত “;” সেমিকোলন চিহ্নের পরিবর্তে “:” কোলন চিহ্ন প্রতিস্থাপিত হইবে এবং অতঃপর নিম্নরূপ নূতন শর্তাংশ সন্নিবেশিত হইবে, যথা:- “তবে শর্ত থাকে যে, এই দফায় উল্লিখিত আয় যদি করদাতার পরিচালিত ব্যবসার অংশ হিসাবে নিয়মিতভাবে অর্জিত হয়, তাহা হইলে উক্ত আয় ‘ব্যবসা বা পেশা হইতে আয়’ হিসাবে পরিগণিত হইবে;”; (খ) দফা (ঙ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (ঙ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(ঙ) জয়েন্ট ভেঞ্চার কর্তৃক অংশীদারগণের মধ্যে কর পরবর্তী মুনাফার বন্টনকৃত অর্থের পরিমাণ;”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৬৭ এর সংশোধন

৫৪। উক্ত আইনের ধারা ৬৭ এর- (ক) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত- (অ) “অঙ্কের ক্রেডিট (any sum found credited) দেখা যায়” শব্দগুলি ও বন্ধনীর পরিবর্তে “লিপিবদ্ধ (any sum found credited) হইয়াছে” শব্দগুলি ও বন্ধনী প্রতিস্থাপিত হইবে; এবং (আ) “প্রতীয়মান হয় না” শব্দগুলির পরিবর্তে “প্রতীয়মান না হয়” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে; (খ) উপ-ধারা (৬) বিলুপ্ত হইবে; (গ) উপ-ধারা (৭) বিলুপ্ত হইবে; (ঘ) উপ-ধারা (৮)- (অ) এ উল্লিখিত “প্রেক্ষিতে” শব্দের পরিবর্তে “পরিপ্রেক্ষিতে” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে; (আ) শর্তাংশের দফা (খ) এর প্রান্তস্থিত “।” দাঁড়ি চিহ্নের পরিবর্তে “;” সেমিকোলন চিহ্ন প্রতিস্থাপিত হইবে, এবং অতঃপর নিম্নরূপ নূতন দফা (গ) সংযোজিত হইবে, যথা:- “(গ) স্বামী-স্ত্রী, আপন ভাই বা বোন, পিতা-মাতা বা সন্তানের নিকট হইতে গৃহীত ঋণ পরবর্তীতে মওকুফ করিলে বা দানে রূপান্তরিত করিলে এবং উভয়ের রিটার্নে তাহার প্রতিফলন থাকিলে।”; (ঙ) উপ-ধারা (১২)-তে উল্লিখিত “যেইক্ষেত্রে কোনো আয়বর্ষে কোনো কোম্পানি করদাতা সরাসরি বা ভাড়ায়” শব্দগুলির পরিবর্তে “যেইক্ষেত্রে গাড়ি ভাড়া ব্যবসায় নিয়োজিত কোম্পানি ব্যতীত, কোনো কোম্পানি করদাতা, কোনো আয়বর্ষে সরাসরি বা ভাড়া-ক্রয় এর আওতায়” শব্দগুলি, কমাগুলি ও চিহ্ন প্রতিস্থাপিত হইবে; (চ) উপ-ধারা ১৩- (অ) তে উল্লিখিত “ব্যক্তির নিকট হইতে” শব্দগুলির পরিবর্তে “ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের নিকট হইতে একক বা সম্মিলিতভাবে” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে; (আ) প্রান্তস্থিত “।” দাঁড়ি চিহ্নের পরিবর্তে “:” চিহ্ন প্রতিস্থাপিত হইবে, এবং অতঃপর নূতন শর্তাংশ সন্নিবেশিত হইবে, যথা:- “আরও শর্ত থাকে যে, কোনো স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতা, কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের নিকট হইতে একক বা সম্মিলিতভাবে ক্রসড চেক বা ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে ব্যাংক, ফাইন্যান্স বা লিজিং কোম্পানি ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তির নিকট হইতে অগ্রিম, ঋণ বা অন্য কোনো প্রকার ডিপোজিট হিসাবে সর্বমোট ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকার অধিক অর্থ গ্রহণ করিলে, উহা যেই আয়বর্ষে গৃহীত হইয়াছিল তাহা সমাপ্ত হইবার পরবর্তী ৬ (ছয়) বৎসরের মধ্যে পরিশোধ করিতে ব্যর্থ হইলে তাহা পরবর্তী অর্থবছরে “অন্যান্য উৎসের আয়” হিসাবে বিবেচিত হইবে। আরও শর্ত থাকে যে, উক্ত গৃহিত অগ্রিম, ঋণ বা ডিপোজিট যেই অর্থবৎসরে পরিশোধ করা হইবে, সেই অর্থবৎসর সংশ্লিষ্ট কর বৎসরের মোট আয় হইতে উক্ত পরিশোধিত অঙ্ক বিয়োজিত হইবে”; (ছ) উপ-ধারা (১৫) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (১৫) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(১৫) যেক্ষেত্রে কোনো করদাতা কোনো সংশোধিত রিটার্ন দাখিল করেন এবং উক্ত সংশোধিত রিটার্নে এইরূপ কোনো আয় প্রদর্শন করেন যাহা কর অব্যাহতিপ্রাপ্ত বা হ্রাসকৃত করহারের আওতাধীন, সেইক্ষেত্রে ক-খ এর সমপরিমাণ অঙ্ক উক্ত আয়বর্ষে করদাতার “অন্যান্য উৎস হইতে আয়” খাতের আয় হিসাবে অর্ন্তভুক্ত হইবে, যেখানে- ক = কর অব্যাহতিপ্রাপ্ত বা হ্রাসকৃত করহারের আওতাধীন আয় হিসাবে সংশোধিত রিটার্নে প্রদর্শিত আয়ের পরিমাণ , খ = কর অব্যাহতিপ্রাপ্ত বা হ্রাসকৃত করহারের আওতাধীন অভিন্ন উৎসের আয় হিসাবে মূল রিটার্নে প্রদর্শিত আয়ের পরিমাণ: তবে শর্ত থাকে যে, ষষ্ঠ তফসিলের অংশ ১ এর দফা (৪), (৫), (৬), (৭), (৮), (১৭) ও (৩৫) এর আওতায় মোট আয়ের বহির্ভূত আয় এবং চাকরি হইতে আয় পরিগণনায় কর অব্যাহতির ক্ষেত্রে এই উপ-ধারার বিধান প্রযোজ্য হইবে না।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের নবম অধ্যায়ের সংশোধন

৫৫। উক্ত অধ্যায়ের শিরোনামে উল্লিখিত “ক্ষতির” শব্দের পরিবর্তে “লোকসানের” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৭০ এর সংশোধন

৫৬। উক্ত আইনের ধারা ৭০- (ক) এর উপান্তটীকায় উল্লিখিত “ক্ষতির” শব্দের পরিবর্তে “লোকসানের” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে; (খ) এর উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “ক্ষতি” শব্দের পরিবর্তে “লোকসান” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে; (গ) এর উপ-ধারা (২) এর সারণি এর কলাম (১) এর- (অ) ক্রমিক নং (১) এর বিপরীতে কলাম (২) এ উল্লিখিত “ক্ষতি” শব্দের পরিবর্তে “লোকসান” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে; (আ) ক্রমিক নং (২) এর বিপরীতে কলাম (২) এ উল্লিখিত “ক্ষতি” শব্দের পরিবর্তে “লোকসান” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে এবং কলাম (৩) এ উল্লিখিত “কেবল ব্যবসা” শব্দগুলির পর “বা পেশা” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে; (ই) ক্রমিক নং (১) এর বিপরীতে কলাম (৩) এ উল্লিখিত “ক্ষতি” শব্দের পরিবর্তে “লোকসান” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে; (ঘ) এর উপ-ধারা (৩) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৩) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(৩) কর অব্যাহতিপ্রাপ্ত, হ্রাসকৃত করহার বা ধারা ১৬৩ এর উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী চূড়ান্ত করদায় প্রযোজ্য হয় এইরূপ কোনো উৎসের বা খাতের লোকসানের সমন্বয় বা জের টানা যাইবে না।”; (ঙ) এর উপ-ধারা (৪) এ উল্লিখিত “ক্ষতি” শব্দের পরিবর্তে “লোকসান” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে; (চ) এর উপ-ধারা (৫) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৫) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(৫) কোনো করবর্ষে কোনো খাতের নিরূপিত লোকসান উক্ত বৎসরের অন্য কোনো খাতের বা উৎসের আয়ের সহিত সম্পূর্ণ সমন্বয় করা না গেলে অসমন্বিত লোকসানের জের টানিয়া পরবর্তী ৬ (ছয়) করবর্ষে সমন্বয় করা যাইবে।”; (ছ) এর উপ-ধারা (৬) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৫) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(৬) অষ্টম তফসিলের অংশ ১ এর বিধান অনুযায়ী ব্যবসা পুনর্গঠিত হইলে, ব্যবসা বা পেশায় উত্তরাধিকার ব্যতীত অন্য কোনোভাবে কোনো ব্যক্তি স্থলাভিষিক্ত হইলে, উত্তরসূরি নিজের কোনো আয়ের বিপরীতে পূর্বসূরির লোকসানের সমন্বয় বা জের টানিতে পারিবেন না।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৭১ এর সংশোধন

৫৭। উক্ত আইনের ধারা ৭১ এর উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত “ক্ষতির” শব্দের পরিবর্তে “লোকসানের” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনে নূতন ধারা ৭২ক এর সন্নিবেশ

৫৮। উক্ত আইনের ধারা ৭২ এর পর নিম্নরূপ নূতন ধারা ৭২ক সন্নিবেশিত হইবে, যথা:- “৭২ক। হিসাব, দলিল, বিল-ভাউচার, ইত্যাদি সংরক্ষণের মেয়াদ ও পদ্ধতি।- কোনো ব্যবসা বা কোনো শ্রেণির ব্যবসা বা অন্য কোনো উৎস বা অন্য কোনো উৎসের আয়ের হিসাব দলিল, সহায়ক-দলিল, বিল-ভাউচার, বিবরণী, চালান বা হিসাব সংশ্লিষ্ট দলিলাদি- (ক) এই আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সকল কোম্পানির ক্ষেত্রে কোম্পানি আইন, ১৯৯৪ এ উল্লিখিত সময় এবং কোম্পানি ব্যতীত অন্য সকল করদাতার ক্ষেত্রে ৬ (ছয়) বৎসর পর্যন্ত সংরক্ষণ করিবে; (খ) এনালগ অথবা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৩৯ নং আইন) অনুযায়ী ডিজিটাল আকারে অথবা উভয় পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করিতে পারিবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৭৩ এর সংশোধন

৫৯। উক্ত আইনের ধারা ৭৩ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৭৩ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “৭৩। কোম্পানি, ইত্যাদি কর্তৃক নিরীক্ষাকৃত আর্থিক প্রতিবেদন এবং আয় পরিগণনাপত্র দাখিল।- (১) কোম্পানির আওতাভুক্ত সকল করদাতা এবং দীর্ঘ মেয়াদি চুক্তি হইতে আয় রহিয়াছে এইরূপ যেকোনো ব্যক্তি অথবা ১০ (দশ) কোটি টাকার অধিক টার্নওভার অথবা ৫ (পাঁচ) কোটি টাকার অধিক মূলধন রহিয়াছে, এইরূপ সকল ফার্ম, ব্যক্তিসংঘ, হিন্দু অবিভক্ত পরিবার বা কৃত্রিমসত্তার আওতাভুক্ত সকল করদাতার আয়বর্ষের রিটার্নের সহিত দাখিলকৃত আর্থিক বিবরণীসমূহ নিবন্ধিত চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট কর্তৃক নিরীক্ষিত ও প্রত্যয়িত হইতে হইবে এবং আয় পরিগণনাপত্র (Income Computation Sheet) নিবন্ধিত চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট অথবা কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্টেন্ট অথবা আয়কর আইনজীবী দ্বারা প্রস্তুতকৃত এবং প্রত্যয়িত হইতে হইবে। (২) সকল ফার্ম, ব্যক্তিসংঘ, হিন্দু অবিভক্ত পরিবার বা কৃত্রিমসত্তার আওতাভুক্ত সকল করদাতার রিটার্নের সহিত দাখিলকৃত আয় পরিগণনাপত্র (Income Computation Sheet), চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট অথবা কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্টেন্ট অথবা আয়কর আইনজীবী দ্বারা প্রস্তুতকৃত ও প্রত্যয়িত হইতে হইবে। (৩) ধারা ১১২ক-তে উল্লিখিত সকল স্বর্ণ, রৌপ্য, স্বর্ণালংকার, রৌপ্যালংকার, রত্ন-হীরক বা প্লাটিনাম ক্রয়-বিক্রয় ব্যবসা বা পেশায় নিয়োজিত যেকোনো ব্যক্তি এবং ধারা ১৩০ক-তে উল্লিখিত সকল উৎপাদনকারী, আমদানিকারক, সরবরাহকারী বা পরিবেশক বা আড়তদার তাহাদের আয়কর রিটার্নের সহিত আয় পরিগণনাপত্র (Income Computation Sheet) চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট অথবা কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্টেন্ট অথবা আয়কর আইনজীবী দ্বারা প্রস্তুত ও প্রত্যয়নপূর্বক দাখিল করিবেন। (৪) ডেভেলপার বা রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার তাহার হিসাব বিবরণী প্রস্তুতের ক্ষেত্রে আইএফআরএস (IFRS) এর সকল শর্ত অনুসরণ করিবে এবং আইএফআরএস ১৫ (IFRS 15) অনুযায়ী রেভিনিউ লিপিবদ্ধ করিবে। ব্যাখ্যা।-এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, “আয় পরিগণনাপত্র” অর্থ ধারা ৪৫, ৪৬, ৪৭, ৪৮ এ উল্লিখিত আয় এবং ধারা ৪৯, ৫০, ৫১, ৫২, ৫৩ ও ৫৪ এ উল্লিখিত ব্যবসা হইতে বিয়োজনযোগ্য খরচ এবং ধারা ৫৫ ও ৫৬ এ উল্লিখিত ব্যবসা হইতে অননুমোদনযোগ্য বিয়োজনসমূহ প্রয়োগ ও সমন্বয় করিয়া একটি করযোগ্য আয় ও পরিশোধযোগ্য কর পরিগণনার বিবরণী; আর্থিক বিবরণী (Financial Statement) অর্থে-বিশদ আয় বিবরণী (Statement of Comprehensive Income), মালিকানা স্বত্ত্ব বিবরণী (Statement of Changes in Equity), নগদ প্রবাহ বিবরণী (Cash Flow Statement), আর্থিক অবস্থার বিবরণী (Statement of Financial Position /Balance Sheet) ও আর্থিক বিবরণীর টিকাসমূহ (Notes to the Financial Statements) অন্তর্ভুক্ত হইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৭৪ এর সংশোধন

৬০। উক্ত আইনের ধারা ৭৪ এর উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “ব্যবসা” শব্দের পর “বা পেশা” শব্দগুলি এবং “উপচিত” শব্দের পর “(accrual)” শব্দ ও বন্ধনী সন্নিবেশিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৭৮ এর সংশোধন

৬১। উক্ত আইনের ধারা ৭৮ এ- (ক) দফা (খ)-তে উল্লিখিত “০.১৫” সংখ্যার পরিবর্তে “০.১০” সংখ্যা প্রতিস্থাপিত হইবে; (খ) দফা (গ)-তে উল্লিখিত “১০ (দশ)” সংখ্যা, শব্দ ও বন্ধনীর পরিবর্তে “৭.৫০ (সাত দশমিক পাঁচ শূন্য)” সংখ্যা, শব্দগুলি ও বন্ধনী প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৭৯ এর সংশোধন

৬২। উক্ত আইনের ধারা ৭৯ এর দফা (ক) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (ক) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(ক) কৃষি;”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৮১ এর সংশোধন

৬৩। উক্ত আইনের ধারা ৮১ এর- (ক) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “ব্যবসা” শব্দের পর “বা পেশা” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে; এবং (খ) ব্যাখ্যাংশে উল্লিখিত “ব্যবসা” শব্দের পর “বা পেশা” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৮৪ এর সংশোধন

৬৪। উক্ত আইনের ধারা ৮৪ এর- (ক) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত “ব্যবসা” শব্দের পর “বা পেশা” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে; (খ) উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত “ব্যবসা” শব্দের পর “বা পেশা” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে; (গ) উপ-ধারা (৪) এ উল্লিখিত “ক্ষতি” শব্দের পরিবর্তে “লোকসান” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৯৭ এর সংশোধন

৬৫। উক্ত আইনের ধারা ৯৭ এর- (ক) উপ-ধারা (৪) এ উল্লিখিত “তুলা এবং” শব্দগুলি বিলুপ্ত হইবে; (খ) উপ-ধারা (৫) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৫) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(৫) ধান, ধানের কুড়া, চাল, পুষ্টি চালের কার্নেল, গম, আলু, গবাদি পশু, গবাদি পশুর হাড়, হাঁস-মুরগি, মাছ, চিংড়ি, মাংস, পেঁয়াজ, রসুন, মটর, ছোলা, মসুর, আদা, হলুদ, শুকনা মরিচ, ডাল, ভূট্টা, আটা, ময়দা, লবণ, আয়োডিন, ভোজ্যতেল, চিনি, বীজ, পাট, পাটকাঠি, সরিষা, তিল, কাঁচা চা-পাতা, গোলমরিচ, এলাচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, তেজপাতা, ডিম, শাকসবজি, লেবু, কাঁচামরিচ, তরল দুধ, স-মিলের ভূসি, পোল্ট্রি ফিড, পিলেটেড পোল্ট্রি ফিড, মাশরুম, মধু, গুড়, তামাক ব্যতীত অন্যান্য গাছের পাতা ও বাকল, চিটাগুড়, খৈল, সয়াবিন মিল, ডি-ও-আর-বি (De-oiled Rice Bran), তুলা, কাঁচা চামড়া, জৈব সার, জৈব বালাইনাশক, হস্তশিল্পজাত পণ্য ক্রয়ের জন্য খোলা বা কৃত স্থানীয় ঋণপত্র খোলা বা অন্য কোনো অর্থায়ন চুক্তির ক্ষেত্রে ব্যাংক বা ফাইন্যান্স কোম্পানি কর্তৃক পরিশোধিত বা ঋণকৃত পরিমাণের উপর ব্যাংক বা ফাইন্যান্স কোম্পানি ০.৫% (শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশ) হারে কর কর্তন করিবে।”; (গ) উপ-ধারা (৫) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-ধারা (৫ক) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(৫ক) এম এস বিলেট ব্যতীত সিমেন্ট, লৌহ বা লৌহপণ্য, ফেরো অ্যালয় পণ্য বিক্রয়ের ক্ষেত্রে স্থানীয় ঋণপত্র খোলা বা অন্য কোনো অর্থায়ন চুক্তির মাধ্যমে ব্যাংক বা ফাইন্যান্স কোম্পানি কর্তৃক পরিশোধিত বা ঋণকৃত পরিমাণের উপর ব্যাংক বা ফাইন্যান্স কোম্পানি ২% (দুই শতাংশ) হারে কর কর্তন করিবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৯৮ এর বিলুপ্তি

৬৬। উক্ত আইনের ধারা ৯৮ বিলুপ্ত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১০৯ এর সংশোধন

৬৭। উক্ত আইনের ধারা ১০৯ এর উপ-ধারা (১) এর- (ক) দফা (গ) এ উল্লিখিত “বা” শব্দ বিলুপ্ত হইবে; (খ) দফা (ঘ) এর প্রান্তস্থিত “,” কমা চিহ্নের পরিবর্তে “; বা” সেমিকোলন চিহ্ন ও শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে, এবং অতঃপর নিম্নরূপ নূতন দফা (ঙ) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:- “(ঙ) কোনো ভবন যাহা সম্পূর্ণভাবে গুদাম ঘর হিসাবে ব্যবহৃত হয়,”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১১১ এর সংযোজন

৬৮। উক্ত আইনের ধারা ১১১-তে উল্লিখিত “কোনো ক্ষতিপূরণ” শব্দের পর “, উহা যে নামেই অভিহিত হউক না কেন,” ‍কমাগুলি ও শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১১২ এর সংশোধন

৬৯। উক্ত আইনের ধারা ১১২ এ উল্লিখিত “১০% (দশ শতাংশ)” সংখ্যা, চিহ্ন, শব্দগুলি ও বন্ধনীর পরিবর্তে “৫% (পাঁচ শতাংশ)” সংখ্যা, চিহ্ন, শব্দগুলি ও বন্ধনী প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনে নূতন ধারা ১১২ক এর সন্নিবেশ।

৭০। উক্ত আইনের ধারা ১১২ এর পর নিম্নরূপ ধারা ১১২ক সন্নিবেশিত হইবে, যথা:- “১১২ক । স্বর্ণ, রৌপ্য, স্বর্ণালংকার, রৌপ্যালংকার, রত্ন-হীরক বা প্লাটিনাম ক্রয়ে উৎসে কর কর্তন।-স্বর্ণ, রৌপ্য, স্বর্ণালংকার, রৌপ্যালংকার, রত্ন-হীরক বা প্লাটিনাম ক্রয়-বিক্রয় ব্যবসা বা পেশায় নিয়োজিত যেকোনো ব্যক্তি (person) স্বর্ণ, রৌপ্য, স্বর্ণালংকার, রৌপ্যালংকার, রত্ন-হীরক বা প্লাটিনাম ক্রয়ের ক্ষেত্রে বিক্রেতার নিকট হইতে ক্রয়মূল্যের উপর ০.৫% (শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশ) হারে উৎসে কর কর্তন করিবেন।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১১৪ এর সংশোধন

৭১। উক্ত আইনের ধারা ১১৪ এর উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “৪% (চার শতাংশ)” সংখ্যা, চিহ্ন, শব্দগুলি ও বন্ধনীর পরিবর্তে “৩% (তিন শতাংশ)” সংখ্যা, চিহ্ন, শব্দগুলি ও বন্ধনী প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১১৭ এর সংশোধন

৭২। উক্ত আইনের ধারা ১১৭ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ১১৭ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “১১৭। লভ্যাংশ হইতে কর কর্তন।-বাংলাদেশে নিবন্ধিত কোনো কোম্পানি কোনো শেয়ারহোল্ডারকে বা ইউনিট হোল্ডারকে লভ্যাংশ প্রদানকালে, কোনো নিবাসীর ক্ষেত্রে, উক্ত লভ্যাংশ হইতে নিম্নরূপে কর কর্তন করিবেন, যদি- (ক) শেয়ারহোল্ডার বা ইউনিট হোল্ডার স্বাভাবিক ব্যক্তি হয়, তাহা হইলে ১৫% (পনেরো শতাংশ); (খ) শেয়ারহোল্ডার বা ইউনিট হোল্ডার স্বাভাবিক ব্যক্তি ব্যতীত অন্যান্য ব্যক্তি হয়, তাহা হইলে ২০% (বিশ শতাংশ): তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারার বিধান কোনো কোম্পানির কর লভ্যাংশ বিতরণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না, যদি উক্ত কর লভ্যাংশ ষষ্ঠ তফসিলের অংশ ১ এর দফা (৩২) এর অধীন কর অব্যাহতি প্রাপ্ত হইয়া থাকে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১১৮ এর সংশোধন

৭৩। উক্ত আইনের ধারা ১১৮ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ১১৮ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “১১৮। লটারি, ইত্যাদি হইতে প্রাপ্ত আয় হইতে কর কর্তন।-লটারি, শব্দজট, কার্ড গেইম, অনলাইন গেইম অথবা এইরূপ যেকোনো প্রকৃতির খেলায় জয় লাভ করিয়া কোনো অর্থ প্রাপ্ত হইলে অর্থ পরিশোধের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি, উক্তরূপ অর্থ প্রদানকালে, ২৫% (পঁচিশ শতাংশ) হারে কর কর্তন করিবেন। ব্যাখ্যা।-এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, “উক্তরূপ অর্থ” অভিব্যক্তিটির অর্থ কোনো পণ্য বা সম্পত্তির মূল্য যেখানে উক্ত বিজয়ীর হিসাবে নগদে অর্থ বা সম্পদ দ্বারা প্রদান করা হয়।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১১৯ এর সংশোধন

৭৪। ২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১১৯ এর সংশোধন।-উক্ত আইনের ধারা ১১৯ এর উপ-ধারা (৩) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৩) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(৩) বাংলাদেশে কোনো স্থায়ী স্থাপনা নাই এইরূপ কোনো অনিবাসী মর্যাদাভুক্ত করদাতার নিকট হইতে এই ধারার অধীন কর্তনকৃত কর, যে আয়ের উপর উক্ত কর কর্তন করা হইয়াছে, উক্ত আয়ের উপর প্রাপকের চূড়ান্ত কর বলিয়া গণ্য হইবে এবং কোনো দাবির বিপরীতে উহা সমন্বয় করা যাইবে না। ব্যাখ্যা।-কোনো বিদেশে নিবাসী (resident in a foreign country) এর বাংলাদেশে স্থায়ী স্থাপনা প্রতিষ্ঠা ও নিবাসী বা অনিবাসী মর্যাদা নিরূপণের বিষয়সমূহ দ্বৈত কর পরিহার চুক্তি (Double Taxation Avoidance Agreement) এর আলোকে নির্ধারিত হইবে; যেক্ষেত্রে, কোনো করদাতা এমন কোনো দেশের নাগরিক, যাহার সহিত বাংলাদেশের দ্বৈত কর পরিহার চুক্তি নাই, সেই করদাতার বাংলাদেশে স্থায়ী স্থাপনা ও নিবাসী মর্যাদা নিরূপণ হইবে আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১২৪ এর সংশোধন

৭৫। উক্ত আইনের ধারা ১২৪- (ক) এ উল্লিখিত “৭.৫% (সাত দশমিক পাঁচ শতাংশ)” সংখ্যা, চিহ্ন, শব্দগুলি ও বন্ধনীর পরিবর্তে “৫% (পাঁচ শতাংশ)” সংখ্যা, চিহ্ন, শব্দগুলি ও বন্ধনী প্রতিস্থাপিত হইবে; (খ) এর শর্তাংশের ক্রমিক নং (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ক্রমিক নং (১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(১) ফ্রেইট ফরওয়ার্ড এজেন্ট বা শিপিং এজেন্ট কর্তৃক প্রাপ্ত গ্রস বিলের ১% (এক শতাংশ) অথবা উক্ত এজেন্টের কমিশন সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা থাকিলে উক্ত কমিশনের ১০% (দশ শতাংশ), যাহা বেশি, সেই হারে কর সংগ্রহ করিতে হইবে;”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১২৫ এর সংশোধন

৭৬। উক্ত আইনের ধারা ১২৫- (ক) এর উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “নির্ধারিত হারে” শব্দগুলির পর “প্রতিটি দলিলের বিপরীতে এ-চালানের মাধ্যমে” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে; (খ) এর উপ-ধারা (২) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-ধারা (২ক) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:- “(২ক) সম্পত্তি হস্তান্তর দলিল নিবন্ধনের ক্ষেত্রে নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা দানকর আইন, ১৯৯০ এর প্রযোজ্যতা সাপেক্ষে প্রযোজ্য হারে দানকর এ-চালানের মাধ্যমে সংগ্রহ করিবেন।”; (গ) উপ-ধারা (৩) এর প্রান্তস্থিত “।” দাঁড়ি চিহ্নের পরিবর্তে “:” কোলন চিহ্ন প্রতিস্থাপিত হইবে, এবং অতঃপর নিম্নরূপ নূতন শর্তাংশ ও ব্যাখ্যা সংযোজিত হইবে, যথা:- “তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে বন্ধকী সম্পত্তির মালিকের নিকট আয়কর পাওনা রহিয়াছে সেইক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর কমিশনার কর্তৃক অনুমোদিত বন্ধকী সম্পত্তির মালিকের প্রদেয় কর ব্যাংক বা ফাইন্যান্স কোম্পানি পরিশোধ করিবে মর্মে অঙ্গীকারনামা দাখিল করা সাপেক্ষে নিবন্ধন কর্মকর্তা উক্ত বন্ধকী সম্পত্তির হস্তান্তর সম্পাদন করিবেন। ব্যাখ্যা।-এই উপ-ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, “স্পেশাল পারপাজ ভেহিকল (Special Purpose Vehicle, SPV)” অর্থ সরকার বা সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত সুকুক বা অনুরূপ অর্থায়ন ব্যবস্থার উদ্দেশ্যে গঠিত কোনো কোম্পানি, ট্রাস্ট, ফান্ড বা অন্য কোনো পৃথক আইনগত সত্তা, যাহা সংশ্লিষ্ট সম্পদ ধারণ, ব্যবস্থাপনা, হস্তান্তর, অর্থ সংগ্রহ বা বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং যাহার কার্যক্রম উক্ত উদ্দেশ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৩০ এর সংশোধন

৭৭। উক্ত আইনের ধারা ১৩০ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ১৩০ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “১৩০। ইট প্রস্তুতকারকের নিকট হইতে কর সংগ্রহ।-(১) ইট প্রস্তুত বা উৎপাদনের জন্য অর্থবৎসরের প্রথম ইট পোড়ানোর পূর্বে ইট প্রস্তুতকারক নিম্নবর্ণিত সারণিতে উল্লিখিত হারে প্রযোজ্য অগ্রিম কর পরিশোধ করিবে, যথা:- সারণি

()

(১)

(২)

(৩)

১।

এক সেকশন বা ১,০৮,০০০ (এক লক্ষ আট হাজার) ঘনফুট আয়তনের অধিক নহে এইরূপ ইটভাটার ক্ষেত্রে

১,‌০০,০০০ (এক লক্ষ) টাকা

২।

দেড় সেকশন বা ১,০৮,০০০ (এক লক্ষ আট হাজার) ঘনফুট আয়তনের অধিক কিন্তু ১,২৪,০০০ (এক লক্ষ চব্বিশ হাজার) ঘনফুটের অধিক নহে এইরূপ ইটভাটার ক্ষেত্রে

১,৫০,০০০ (এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা

৩।

দুই সেকশন বা ১,২৪,০০০ (এক লক্ষ চব্বিশ হাজার) ঘনফুটের অধিক এইরূপ ইটভাটার ক্ষেত্রে

২,০০,০০০ (দুই লক্ষ) টাকা

৪।

ক্রমিক নং ১, ২ ও ৩ এ উল্লিখিত হয় নাই এইরূপ ইটভাটার ক্ষেত্রে

৩,০০,০০০ (তিন লক্ষ) টাকা

(২) এই আইন বা অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন তাহা এই ধারার অধীন অগ্রিম আয়কর প্রদানকে বাধাগ্রস্ত করিবে না। (৩) ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ৫৯ নং আইন) এর অধীন ইট প্রস্তুত বা উৎপাদনের লাইসেন্স প্রদান বা নবায়নের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি এই ধরনের লাইসেন্স প্রদান বা নবায়ন করিবেন না, যদি এই ধরনের লাইসেন্স প্রদান বা নবায়নের আবেদনপত্রের সহিত উপ-ধারা (১) এর অধীন উপর্যুক্ত হারে কর পরিশোধের এ-চালান এবং আয়কর পরিশোধ সম্পর্কিত হালনাগাদ সনদ সংযুক্ত না থাকে; ইহার ব্যত্যয় ঘটিলে লাইসেন্স প্রদান বা নবায়নের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি খেলাপি করদাতা হিসাবে বিবেচিত হইবেন; ব্যাখ্যা।-এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে,- (ক) “আয়তন” অর্থ ইটভাটার দেয়ালের ভেতরের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতার পরিমাপ; (খ) “ইটভাটা” অর্থ এইরূপ কোনো স্থান বা অবকাঠামো যেখানে ইট প্রস্তুত করা হয়।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনে নূতন ধারা ১৩০ক এর সন্নিবেশ

৭৮। উক্ত আইনের ধারা ১৩০ এর পর নিম্নরূপ নূতন ধারা ১৩০ক সন্নিবেশিত হইবে, যথা:- “১৩০ক। খুচরা বিক্রেতার নিকট হইতে অগ্রিম কর সংগ্রহ।- (১) কোনো উৎপাদনকারী, আমদানিকারক, সরবরাহকারী বা পরিবেশক বা আড়তদার তাহার উৎপাদিত বা আমদানিকৃত বা ক্রয়কৃত বা বিক্রয়ের জন্য সংগ্রহকৃত বা প্রাপ্ত পণ্য, খুচরা বিক্রেতার নিকট সরাসরি বিক্রয় বা সরবরাহের বিপরীতে উক্ত খুচরা বিক্রেতার নিকট হইতে ০.২% (শূন্য দশমিক দুই শতাংশ) হারে উৎসে অগ্রিম আয়কর সংগ্রহ করিবেন। (২) এই ধারার অধীন সংগৃহীত কর, করদাতা হিসাবে নিবন্ধিত খুচরা বিক্রেতার জন্য অগ্রিম আয়কর হিসাবে বিবেচিত হইবে। (৩) ‘ব্যক্তি’ সংজ্ঞার আওতাধীন সকল উৎপাদনকারী, আমদানিকারক, সরবরাহকারী বা পরিবেশক বা আড়তদার, যিনিই খুচরা বিক্রেতার নিকট পণ্য বিক্রয় করিবেন তিনিই উৎসে কর সংগ্রহে দায়বদ্ধ থাকিবেন। (৪) উপ-ধারা (১) এর পরিপালন ব্যতীত খুচরা বিক্রেতার নিকট বিক্রয় বা সরবরাহ করিবার ক্ষেত্রে অনাদায়ী করের সমপরিমাণ অর্থ উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত ‘ব্যক্তি’ সংজ্ঞার আওতাধীন সকল উৎপাদনকারী, আমদানিকারক, সরবরাহকারী বা পরিবেশক বা আড়তদার নিজে পরিশোধ করিবেন এবং এই পরিশোধিত অর্থ উক্ত ব্যক্তির ব্যবসা বা পেশা হইতে আয় নিরূপণকালে অনুমোদনযোগ্য বিয়োজন হিসাবে গণ্য হইবে। ব্যাখ্যা।-এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, “আড়তদার” অর্থ এইরূপ ব্যক্তি যিনি অন্যের পণ্য নিজের আড়ত বা গুদামে রাখিয়া বিক্রয়ের ব্যবস্থা করেন এবং ইহার বিনিময়ে কমিশন বা মুনাফা প্রাপ্ত হন।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৩১ এর সংশোধন

৭৯। উক্ত আইনের ধারা ১৩১- (ক) এর উপান্তটীকায় “প্রদান বা” শব্দগুলি বিলুপ্ত হইবে; এবং (খ) এ উল্লিখিত “নবায়নের জন্য” শব্দগুলির পর “এ-চালানের মাধ্যমে” শব্দগুলি ও চিহ্ন সন্নিবেশিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনে নূতন ধারা ১৩৭ক এর সন্নিবেশ

৮০। উক্ত আইনের ধারা ১৩৭ এর পর নিম্নরূপ নূতন ধারা ১৩৭ক সন্নিবেশিত হইবে, যথা:- “১৩৭ক। নিবন্ধিত ক্লাবের সদস্যদের নিকট হইতে কর সংগ্রহ।- Societies Registration Act, 1860 (Act No. XXI of 1860) বা বিদ্যমান অন্য কোনো আইনের আওতায় নিবন্ধিত ক্লাবের সদস্যপদ গ্রহণ, নবায়ন, হস্তান্তর বা পরিবর্তনের সময় পরিশোধিত অর্থের পরিমাণ, তাহা যে নামেই অভিহিত হউক না কেন, এর উপর ক্লাব কর্তৃপক্ষ ১০% (দশ শতাংশ) হারে উৎসে কর সংগ্রহ করিবেন।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৩৮ এর সংশোধন

৮১। উক্ত আইনের ধারা ১৩৮ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ১৩৮ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “১৩৮। বাণিজ্যিকভাবে পরিচালিত মোটরযান হইতে কর সংগ্রহ।-(১) উপ-ধারা (২) এর বিধান সাপেক্ষে, নিম্নবর্ণিত সারণিতে উল্লিখিত হারে পরিশোধিত অগ্রিম করের চালান মোটরযানের নিবন্ধন বা ফিটনেস নবায়নের আবেদনের সহিত দাখিল করা না হইলে মোটরযান নিবন্ধন বা ফিটনেস নবায়নের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষ মোটরযানের নিবন্ধন বা ফিটনেস নবায়ন করিবেন না, যথা:- সারণি

(১)

(২)

(৩)

১।

৫২ (বায়ান্ন) আসনের অধিক আসন বিশিষ্ট বাস

২৫,০০০ (পঁচিশ হাজার)

২।

৫২ (বায়ান্ন) আসনের অধিক আসন নহে এইরূপ বাস

২০,০০০ (বিশ হাজার)

৩।

শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাস

৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার)

৪।

ডাবল ডেকার বাস(নন এসি)

২৫,০০০ (পঁচিশ হাজার)

৫।

শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ডাবল ডেকার/স্লিপার বাস

৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার)

৬।

শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মিনিবাস/কোস্টার

২৫,০০০ (পঁচিশ হাজার)

৭।

শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত নহে এইরূপ মিনিবাস/ কোস্টার

১২,৫০০ (বারো হাজার পাঁচশত)

৮।

৫(পাঁচ) টনের অধিককিন্তু২০ (বিশ) টনের কম পেলোড ক্যাপাসিটি বিশিষ্ট ট্রাক, ডাম্পট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, প্রাইম মুভার, লরি বা ট্যাংক লরি

৩০,০০০ (ত্রিশ হাজার)

৯।

২০ টন বাতাহারঅধিক পেলোড ক্যাপাসিটি বিশিষ্ট ট্রাক, ডাম্পট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, প্রাইম মুভার, লরি বা ট্যাংক লরি

৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার)

১০।

১.৫ (দেড়) টনের অধিক, তবে ৫ (পাঁচ) টনের অধিক নহে এইরূপ পেলোড ক্যাপাসিটি বিশিষ্ট ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, কার্গো ভ্যান, লরি বা ট্যাংক লরি

১৫,০০০ (পনেরো হাজার)

১১।

১.৫ (দেড়) টনের অধিক নহে এইরূপ পেলোড ক্যাপাসিটি বিশিষ্ট ট্রাক, লরি বা ট্যাংক লরি

৭,৫০০ (সাত হাজার পাঁচশত)

১২।

পিকআপ ভ্যান, হিউম্যান হলার, ট্রাক্টর, ম্যাক্সি বা অটো রিক্সা

৭,৫০০ (সাত হাজার পাঁচশত)

১৩।

ক্রেন, এক্সকাভেটর, ড্রেজার, রোলার, কংক্রিট মিক্সচার সহ সকল হেভি মোটর ভেহিকেল বা স্পেশাল পারপাস ভেহিকেল

৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার)

১৪।

শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ট্যাক্সিক্যাব

১৫,০০০ (পনেরো হাজার)

১৫।

শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত নহে এইরূপ ট্যাক্সিক্যাব

৭,৫০০ (সাত হাজার পাঁচশত)

(২) যেক্ষেত্রে একাধিক বৎসরের জন্য নিবন্ধন প্রদান বা ফিটনেস নবায়ন করা হয় সেইক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর অধীন পরিশোধিতব্য কর নিবন্ধন প্রদান বা ফিটনেস নবায়নের বৎসরের পরবর্তী বৎসর বা বৎসরগুলোর ৩০ জুন তারিখ বা তৎপূর্বে সংগ্রহ করিতে হইবে। (৩) যেক্ষেত্রে কোনো বৎসর কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (২) অনুযায়ী অগ্রিম কর পরিশোধে ব্যর্থ হন, সেইক্ষেত্রে পরবর্তী বৎসরে উক্ত ব্যক্তি কর্তৃক পরিশোধিতব্য অগ্রিম করের পরিমাণ ক+খ নিয়মে নির্ধারিত হইবে, যেখানে- ক = পূর্ববর্তী বৎসর বা বৎসরগুলোতে অপরিশোধিত অগ্রিম করের পরিমাণ, এবং খ = পরিশোধের বৎসরে উপ-ধারা (১) অনুযায়ী পরিশোধিতব্য অগ্রিম করের পরিমাণ। (৪) উপ-ধারা (১) এর অধীন অগ্রিম কর সংগ্রহ করা যাইবে না, যদি মোটরযানটি নিম্নবর্ণিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের হয়, যথা:- (ক) সরকার; (খ) সরকার বা স্থানীয় সরকারের অধীন কোনো প্রকল্প, কর্মসূচি বা কার্যক্রম; (গ) কোনো বৈদেশিক কূটনীতিক, বাংলাদেশে কোনো কূটনৈতিক মিশন, জাতিসংঘ ও ইহার অঙ্গ সংগঠনের দপ্তরসমূহ; (ঘ) বাংলাদেশের কোনো বিদেশি উন্নয়ন অংশীজন এবং ইহার সংযুক্ত দপ্তর বা দপ্তরসমূহ; (ঙ) ধারা ১৬৬ এর উপ-ধারা (২) অনুসারে রিটার্ন দাখিল হইতে অব্যাহতিপ্রাপ্ত করদাতাগণ; বা (চ) অগ্রিম কর পরিশোধ করিতে হইবে না মর্মে বোর্ড হইতে সার্টিফিকেট গ্রহণকারী কোনো প্রতিষ্ঠান।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনে নূতন ধারা ১৩৮ক এর সন্নিবেশ

৮২। উক্ত আইনের ধারা ১৩৮ এর পর নিম্নরূপ নূতন ধারা ১৩৮ক সন্নিবেশিত হইবে, যথা:- “১৩৮ক। বেসামরিক আকাশযান হইতে অগ্রিম কর সংগ্রহ।-(১) উপ-ধারা (২) এর বিধান সাপেক্ষে, নিম্নবর্ণিত সারণিতে উল্লিখিত হারে পরিশোধিত অগ্রিম করের এ-চালান বেসামরিক আকাশযানের নিবন্ধন বা ফিটনেস নবায়নের আবেদনের সহিত দাখিল করা না হইলে বেসামরিক আকাশযান নিবন্ধন বা ফিটনেস নবায়নের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষ বেসামরিক আকাশযানের নিবন্ধন বা ফিটনেস নবায়ন করিবেন না- সারণি

(১)

(২)

(৩)

১।

হেলিকপ্টার বা চপার

১০,০০,০০০ (দশ লক্ষ)

(২) যেক্ষেত্রে একাধিক বৎসরের জন্য নিবন্ধন প্রদান বা ফিটনেস নবায়ন করা হয় সেইক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর অধীন পরিশোধিতব্য কর নিবন্ধন প্রদান বা ফিটনেস নবায়নের বৎসরের পরবর্তী বৎসর বা বৎসরগুলোর ৩০ জুন তারিখ বা তৎপূর্বে সংগ্রহ করিতে হইবে। (৩) যেক্ষেত্রে কোনো বৎসর কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (২) অনুযায়ী অগ্রিম কর পরিশোধে ব্যর্থ হন, সেইক্ষেত্রে পরবর্তী বৎসরে উক্ত ব্যক্তি কর্তৃক পরিশোধিতব্য অগ্রিম করের পরিমাণ ক+খ নিয়মে নির্ধারিত হইবে, যেখানে- ক = পূর্ববর্তী বৎসর বা বৎসরগুলোতে অপরিশোধিত অগ্রিম করের পরিমাণ, এবং খ = পরিশোধের বৎসরে উপ-ধারা (১) অনুযায়ী পরিশোধিতব্য অগ্রিম করের পরিমাণ। (৪) উপ-ধারা (১) এর অধীন অগ্রিম কর সংগ্রহ করা যাইবে না, যদি আকাশযানটি নিম্নবর্ণিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের হয়, যথা:- (ক) সরকার; (খ) কোনো বৈদেশিক কূটনীতিক, বাংলাদেশে কোনো কূটনৈতিক মিশন, জাতিসংঘ ও ইহার অঙ্গ সংগঠনের দপ্তরসমূহ; (গ) বাংলাদেশের কোনো বিদেশি উন্নয়ন অংশীজন এবং ইহার সংযুক্ত দপ্তর বা দপ্তরসমূহ; (ঘ) ধারা ১৬৬ এর উপ-ধারা (২) অনুসারে রিটার্ন দাখিল হইতে অব্যাহতিপ্রাপ্ত করদাতাগণ; বা (ঙ) অগ্রিম কর পরিশোধ করিতে হইবে না মর্মে বোর্ড হইতে সার্টিফিকেট গ্রহণকারী কোনো প্রতিষ্ঠান।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৪০ এর সংশোধন

৮৩। উক্ত আইনের ধারা ১৪০ এর- (ক) দফা (১) এর- (অ) উপ-দফা (অ)-তে উল্লিখিত “প্রধান কর্মকর্তাও” শব্দগুলির পরিবর্তে “মুখ্য কর্মকর্তাও” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে; (আ) উপ-দফা (আ)-তে উল্লিখিত “প্রধান কর্মকর্তা” শব্দগুলির পরিবর্তে “মুখ্য কর্মকর্তা” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে; (ই) উপ-দফা (ই)-তে উল্লিখিত “প্রধান কর্মকর্তাও” শব্দগুলির পরিবর্তে “মুখ্য কর্মকর্তাও” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে। (খ) দফা (৩) এর উপ-দফা (ছ) এর প্রান্তঃস্থিত “;” সেমিকোলন এর পরিবর্তে “,” কমা প্রতিস্থাপিত হইবে এবং অতঃপর নিম্নরূপ নূতন উপ-দফা (জ) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:- “(জ) বার্ষিক ১০ (দশ) কোটি টাকার অধিক ব্যবসায়িক টার্নওভার রহিয়াছে এইরূপ যেকোনো স্বাভাবিক ব্যক্তি;”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৪৭ এর সংশোধন

৮৪। উক্ত আইনের ধারা ১৪৭ এর- (ক) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত “যদি” শব্দের পরিবর্তে “বা প্রবেশ করিবার পর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক)-তে উল্লিখিত কোনো কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে” শব্দগুলি, সংখ্যা, চিহ্ন ও বন্ধনী প্রতিস্থাপিত হইবে; (খ) উপ-ধারা (৩) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-ধারা (৪) সংযোজিত হইবে, যথা:- “(৪) এই ধারার অধীন উপ-ধারা (১) এর দফা (ক)-তে উল্লিখিত কোনো কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট অর্থবৎসর ও ইহার পূর্বের সর্বোচ্চ ২ (দুই) অর্থবৎসর পর্যন্ত পরিচালনা করা যাইবে।”

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৫৩ এর সংশোধন

৮৫। ২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৫৩ এর সংশোধন।-উক্ত আইনের ধারা ১৫৩ এর- (ক) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত সারণির পরিবর্তে নিম্নরূপ সারণি-১ ও সারণি-২ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “ সারণি - ১

()

()

()

()

১।

১,৫০০ (এক হাজার পাঁচশত) সিসির ঊর্ধ্বে নহে এইরূপ প্রতিটি মোটরযানের জন্য

২৫,০০০(পঁচিশ হাজার)

২।

১,৫০০ (এক হাজার পাঁচশত) সিসির ঊর্ধ্বে, তবে ২,০০০ (দুই হাজার) সিসির ঊর্ধ্বে নহে এইরূপ প্রতিটি মোটরযানের জন্য

৫০,০০০(পঞ্চাশ হাজার)

৩।

২,০০০ (দুই হাজার) সিসির ঊর্ধ্বে, তবে ২,৫০০ (দুই হাজার পাঁচশত) সিসির ঊর্ধ্বে নহে এইরূপ প্রতিটি মোটরযানের জন্য

৭৫,০০০(পঁচাত্তর হাজার)

৪।

২,৫০০ (দুই হাজার পাঁচশত) সিসির ঊর্ধ্বে, তবে ৩০০০ (তিন হাজার) সিসির ঊর্ধ্বে নহে এইরূপ প্রতিটি মোটরযানের জন্য

২,০০,০০০(দুই লক্ষ)

৫।

৩,০০০ (তিন হাজার) সিসির ঊর্ধ্বে, তবে ৩,৫০০ (তিন হাজার পাঁচশত) সিসির ঊর্ধ্বে নহে এইরূপ প্রতিটি মোটরযানের জন্য

২,৫০,০০০(দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার)

৬।

৩,৫০০ (তিন হাজার পাঁচশত) সিসির ঊর্ধ্বে তবে ৪,৫০০ (চার হাজার পাঁচশত) সিসির ঊর্ধ্বে নহে এইরূপ প্রতিটি মোটরযানের জন্য

৪,০০,০০০(চার লক্ষ)

৭।

৪,৫০০ (চার হাজার পাঁচশত) সিসির ঊর্ধ্বে প্রতিটি মোটরযানের জন্য

৫,০০,০০০ (পাঁচ লক্ষ)

৮।

মাইক্রোবাস ও ডাবল কেবিন পিকআপ প্রতিটির জন্য

৪০,০০০(চল্লিশ হাজার)

সারণি - ২

()

(১)

(২)

(৩)

১।

২০০ (দুইশত) কিলোওয়াটের ঊর্ধ্বে নহে এইরূপ প্রতিটি মোটরযানের জন্য

২৫,০০০(পঁচিশ হাজার)

২।

২০০ (দুইশত) কিলোওয়াটের ঊর্ধ্বে, তবে ৩০০ (তিনশত) কিলোওয়াটের ঊর্ধ্বে নহে এইরূপ প্রতিটি মোটরযানের জন্য

৫০,০০০(পঞ্চাশ হাজার)

৩।

৩০০ (তিনশত) কিলোওয়াটের ঊর্ধ্বে, তবে ৪০০ (চারশত) কিলোওয়াটের ঊর্ধ্বে নহে এইরূপ প্রতিটি মোটরযানের জন্য

৭৫,০০০(পঁচাত্তর হাজার)

৪।

৪০০ (চারশত) কিলোওয়াটের ঊর্ধ্বে প্রতিটি মোটরযানের জন্য

১,০০,০০০ (এক লক্ষ)”

(খ) উপ-ধারা (৩) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-ধারা (৩ক) সন্নিবেশিত হইবে, যথা: - “(৩ক) উপ -ধারা (২ ) এর অধীন পরিশোধিত কর অগ্রিম কর হিসাবে বিবেচিত হইবে । ” ।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনে নূতন ধারা ১৫৩ক এর সন্নিবেশ

৮৬। উক্ত আইনের ধারা ১৫৩ এর পর নিম্নরূপ নূতন ধারা ১৫৩ক সন্নিবেশিত হইবে, যথা:- “১৫৩ক। আগ্নেয়াস্ত্রের মালিকগণের নিকট হইতে অগ্রিম কর সংগ্রহ-আগ্নেয়াস্ত্রের মালিকানা নিবন্ধন বা লাইসেন্স ইস্যু বা নবায়নের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষ আগ্নেয়াস্ত্রের মালিকানা নিবন্ধন বা লাইসেন্স ইস্যু বা নবায়ন করিবার ক্ষেত্রে আগ্নেয়াস্ত্রের মালিকের নিকট হইতে নিম্নবর্ণিত সারণিতে উল্লিখিত হারে এ-চালানের মাধ্যমে অগ্রিম আয়কর সংগ্রহ করিবেন, যথা:- সারণি

নং

()

(১)

(২)

(৩)

১।

বন্দুক বা শর্টগান বা রাইফেল

৫০,০০০(পঞ্চাশ হাজার)

২।

পিস্তল বা রিভলবার

১,০০,০০০ (এক লক্ষ)

”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৫৪ এর সংশোধন

৮৭। উক্ত আইনের ধারা ১৫৪ এর উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “৬ (ছয়) লক্ষ” সংখ্যা, শব্দগুলি ও বন্ধনীর পরিবর্তে “১০ (দশ) লক্ষ” সংখ্যা, শব্দগুলি ও বন্ধনী প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৫৫ এর সংশোধন

৮৮। উক্ত আইনের ধারা ১৫৫ এর- (ক) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত “ন্যূনতম” শব্দ বিলুপ্ত হইবে; এবং (খ) উপ-ধারা (৫) এ উল্লিখিত “কম” শব্দের পর “বা বেশি” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৬২ এর সংশোধন

৮৯। উক্ত আইনের ধারা ১৬২ এর উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত শর্তাংশের পরিবর্তে নিম্নরূপ শর্তাংশ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “তবে শর্ত থাকে যে, আয়বর্ষ সংশ্লিষ্ট করবর্ষ সমাপ্তির পরে বিলম্ব রিটার্ন দাখিল করা হইলে, সুদের হার ৫০% (পঞ্চাশ শতাংশ) অধিক হইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের অংশ ৮ এর সংশোধন

৯০। উক্ত আইনের অংশ ৮ এর শিরোনামের পরিবর্তে নিম্নরূপ শিরোনাম প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “অগ্রিম কর, চূড়ান্ত কর এবং টার্নওভার ট্যাক্স সংক্রান্ত বিশেষ বিধান”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৬৩ এর সংশোধন

৯১। উক্ত আইনের ধারা ১৬৩ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ১৬৩ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “১৬৩। অগ্রিম কর, চূড়ান্ত কর এবং টার্নওভার ট্যাক্স।- (১) এই আইনের অংশ ৭ এর বিধানসমূহের আলোকে করদাতার কর্তিত বা সংগৃহীত বা পরিশোধিত কর, করদাতার নিরূপিত করের তুলনায় যে পরিমাণ অতিরিক্ত কর্তন বা সংগ্রহ বা পরিশোধ করা হইয়াছে, সেই পরিমাণ কর, করদাতার অনুকূলে প্রত্যর্পণযোগ্য (Refundable) হইবে। (২) করদাতা, উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রত্যর্পণযোগ্য আয়কর ফেরত পাওয়ার জন্য আবেদন করিতে পারিবেন অথবা পূর্ববর্তী করদাবির সাথে সমন্বয় অথবা পরবর্তী করবৎসরের করদাবির সহিত সমন্বয়ের উদ্দেশ্যে জের টানিতে (Carry Forward) পারিবেন। (৩) ধারা ১৩৮ ও ১৩৯ এর অধীন কর্তিত বা সংগৃহীত কর, যে সকল এক বা একাধিক উৎসসমূহের জন্য কর্তন বা সংগ্রহ করা হইয়াছে, সেই সকল উৎসসমূহের আয়ের জন্য চূড়ান্ত করদায় হিসাবে গণ্য হইবে। (৪) ধারা ১৬৬ এর উপ-ধারা (২) অনুযায়ী রিটার্ন দাখিল হইতে অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে, অংশ ৭ এর অন্তর্ভুক্ত সকল ধারার অধীন কর্তনকৃত বা সংগৃহীত উৎসে অগ্রিম আয়কর, চূড়ান্ত করদায় হিসাবে গণ্য হইবে। (৫) উপ-ধারা (৩) এর অধীন চূড়ান্ত করদায় প্রযোজ্য এইরূপ কোনো উৎসের প্রদর্শিত আয়ের উপর প্রযোজ্য হারে কর পরিগণনা করিতে হইবে, যদি উক্তরূপ পরিগণনাকৃত কর উপ-ধারা (৩) এর অধীন চূড়ান্ত করদায় অপেক্ষা অধিক হয়, তাহা হইলে উক্ত অধিকতর কর প্রদেয় হইবে। (৬) উপ-ধারা (৩) এর বিধানাবলি অক্ষুণ্ণ রাখিয়া, যেকোনো ব্যক্তির ব্যবসা বা পেশা হইতে আয়ের উপর প্রদেয় কর, নিম্নবর্ণিত সারণিতে উল্লিখিত টার্নওভার কর (turnover tax) অপেক্ষা কম হইলে, মুনাফা বা লোকসান নির্বিশেষে, ব্যবসা বা পেশার গ্রস প্রাপ্তির উপর, নিম্নবর্ণিত সারণিতে উল্লিখিত হারে টার্নওভার কর (turnover tax) প্রযোজ্য হইবে, যথা:- সারণি

(১)

(২)

(৩)

১।

সিগারেট,বিড়ি,চিবাইয়াখাওয়ারতামাক,ধোঁয়াবিহীনতামাক,গুলবাঅন্যকোনোতামাকজাতদ্রব্যপ্রস্তুতকারক

গ্রসপ্রাপ্তির৩% (তিনশতাংশ)।

২।

কার্বোনেটেড বেভারেজ(carbonated beverage),মিষ্টি পানীয়(sweetened beverage)প্রস্তুতকারক

গ্রসপ্রাপ্তির২.৫% (দুইদশমিকপাঁচশতাংশ)।

৩।

মোবাইল ফোন অপারেটর, এনটিটিএন

গ্রস প্রাপ্তির ১.৫% (এক দশমিক পাঁচ শতাংশ)।

৪।

অন্যান্য ক্ষেত্রে

গ্রসপ্রাপ্তির১% (একশতাংশ)।

তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নবর্ণিত ব্যবসা বা পেশা হইতে আয় রহিয়াছে এইরূপ যেকোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রে তাহার ব্যবসা বা পেশার গ্রস প্রাপ্তির (Turnover) উপর টার্নওভার ট্যাক্স প্রযোজ্য হইবে না, যথা:- (অ) কোনো সরকারি সংস্থা অথবা রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বা কর্পোরেশন কর্তৃক সার, বীজ অথবা নিত্য প্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য আমদানি, বিতরণ বা খোলা বাজারে বিক্রয়; (আ) কমিশন ব্যবসা; (ই) ডিও (delivery order) ব্যবসা; (ঈ) মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবসা; (উ) স্বর্ণ, রৌপ্য, স্বর্ণালংকার, রৌপ্যালংকার, রত্ন-হীরক বা প্লাটিনাম ক্রয়-বিক্রয় ব্যবসা: আরও শর্ত থাকে যে, উক্ত সারণির ক্রমিক নং ৪ প্রযোজ্য হয়, এইরূপ উৎপাদনে নিয়োজিত কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে, ইহার বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর প্রথম ৩ (তিন) বৎসরের জন্য, উক্ত হার হইবে এইরূপ প্রাপ্তির ০.২% (শূন্য দশমিক দুই শতাংশ): আরও শর্ত থাকে যে, কোনো করবর্ষে প্রদেয় করের তুলনায় টার্নওভার কর অধিক হইবার ফলে, যে পরিমাণ অধিক কর প্রদান করা হইয়াছে, সেই পরিমাণ অধিক কর পরবর্তী করবৎসরে জের টানা যাইবে এবং প্রদেয় করের সাথে সমন্বয় করা যাইবে; আরও শর্ত থাকে যে, যেইক্ষেত্রে করদাতার এইরূপ কোনো আয়ের উৎস থাকে যাহা কর অব্যাহতিপ্রাপ্ত, সেইক্ষেত্রে কর অব্যাহতি বা হ্রাসকৃত করহার প্রাপ্ত উৎস হইতে অর্জিত প্রাপ্তির জন্য, অব্যাহতি প্রাপ্ত বা হ্রাসকৃত কর হারের আনুপাতিক হারে উপ-ধারা (৬) এর সারণিতে উল্লিখিত টার্নওভার করহার হ্রাস করত হিসাব করিতে হইবে। (৭) যেক্ষেত্রে কোনো সারচার্জ, অতিরিক্ত অন্য কোনো সুদ, অতিরিক্ত কোনো অর্থ, ইত্যাদি এই আইনের বিধানাবলির অধীন পরিশোধযোগ্য হয়, সেইক্ষেত্রে তাহা টার্নওভার কর ও চূড়ান্ত করের অতিরিক্ত হিসাবে পরিশোধযোগ্য হইবে। ব্যাখ্যা।-এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, “গ্রস প্রাপ্তি (Turnover)” অর্থ- (অ) পণ্য বিক্রয় বা সেবা প্রদানের মাধ্যমে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক ব্যতীত অর্জিত সকল প্রাপ্তি; বা (আ) কমিশন ও ডিসকাউন্টসহ সেবা বা সুবিধা প্রদানের জন্য প্রাপ্ত সকল কমিশন, ডিসকাউন্ট, ফি বা চার্জ বা যেকোনো সুবিধা।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৬৪ এর বিলুপ্তি

৯২। উক্ত আইনের ধারা ১৬৪ বিলুপ্ত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৬৬ এর সংশোধন

৯৩। উক্ত আইনের ধারা ১৬৬ এর উপ-ধারা (২) এর দফা (ঝ)-তে উল্লিখিত “নির্দিষ্ট ভিত্তি (fixed base)” শব্দগুলি ও বন্ধনীর পরিবর্তে “স্থায়ী স্থাপনা (permanent establishment)” শব্দগুলি ও বন্ধনী প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৬৭ এর সংশোধন

৯৪। উক্ত আইনের ধারা ১৬৭ এর- (ক) উপ-ধারা (৭) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৭) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(৭) উপকর কমিশনার, লিখিত নোটিশ দ্বারা, কোনো ব্যক্তিকে যেকোনো আয়বর্ষের অথবা দাখিলকৃত রিটার্নের পরিসম্পদ ও দায়ের বিবরণী দাখিল করিতে বলিতে পারিবেন, যদি- (ক) উক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট আয়বর্ষের পরিসম্পদ ও দায়ের বিবরণী দাখিল না করিয়া থাকেন; বা (খ) উক্ত করদাতার সংশ্লিষ্ট আয়বর্ষের করদায় নির্ধারণের জন্য উক্ত পরিসম্পদ ও দায়ের বিবরণী আবশ্যক বলিয়া উপকর কমিশনারের নিকট প্রতীয়মান হইয়া থাকে; বা (গ) উক্ত ব্যক্তি ত্রুটিপূর্ণ বা অসম্পূর্ণ পরিসম্পদ ও দায়ের বিবরণী দাখিল করিয়াছেন বলিয়া উপকর কমিশনারের নিকট প্রতীয়মান হয়।”; (খ) উপ-ধারা (৭) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-ধারা (৮) সংযোজিত হইবে, যথা:- “(৮) উপ-ধারা (৭) এর নোটিশের প্রেক্ষিতে কোনো ব্যক্তি উল্লিখিত পরিসম্পদ ও দায়ের বিবরণী দাখিলে ব্যর্থ হইলে দাখিলকৃত রিটার্নটি অসম্পূর্ণ রিটার্ন বলিয়া গণ্য হইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৬৮ এর সংশোধন

৯৫। উক্ত আইনের ধারা ১৬৮ এর- (ক) উপ-ধারা (২) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (২) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(২) উপকর কমিশনার, লিখিত নোটিশ দ্বারা, কোনো ব্যক্তিকে কোনো আয়বর্ষের বা দাখিলকৃত রিটার্নের জীবনযাপন সংশ্লিষ্ট ব্যয় বিবরণী দাখিল করিতে বলিতে পারিবেন, যদি- (ক) উক্ত স্বাভাবিক ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট আয়বর্ষের উক্ত ব্যয় বিবরণী দাখিল না করিয়া থাকেন; বা (খ) উক্ত করদাতার সংশ্লিষ্ট আয়বর্ষের করদায় নির্ধারণের জন্য উক্ত ব্যয় বিবরণী আবশ্যক বলিয়া প্রতীয়মান হইয়া থাকে; বা (গ) উক্ত ব্যক্তি ত্রুটিপূর্ণ বা অসম্পূর্ণ ব্যয় বিবরণী দাখিল করিয়াছেন বলিয়া উপকর কমিশনারের নিকট প্রতীয়মান হয়।”; (খ) উপ-ধারা (২) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-ধারা (৩) সংযোজিত হইবে, যথা:- “(৩) উপ-ধারা (২) এর নোটিশের প্রেক্ষিতে কোনো ব্যক্তি উল্লিখিত ব্যয় বিবরণী দাখিলে ব্যর্থ হইলে দাখিলকৃত রিটার্নটি অসম্পূর্ণ রিটার্ন বলিয়া গণ্য হইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৬৯ এর সংশোধন

৯৬। উক্ত আইনের ধারা ১৬৯ এর- (ক) উপ-ধারা (২) এর- (অ) দফা (গ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (গ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(গ) ধারা ৭৩ এ উল্লিখিত আয় পরিগণনাপত্র; এবং”; (আ) দফা (গ) এর পর নিম্নরূপ নূতন দফা (ঘ) সংযোজিত হইবে, যথা:- “(ঘ) ধারা ১৭৭ এর বিধান সাপেক্ষে, উৎসে করের রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র বা প্রাপ্তি স্বীকার পত্র।”; (খ) উপ-ধারা (৫) এর দফা (গ)-তে উল্লিখিত “প্রধান কর্মকর্তা” শব্দগুলির পরিবর্তে “মুখ্য কর্মকর্তা” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৭০ এর সংশোধন

৯৭। উক্ত আইনের ধারা ১৭০ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ১৭০ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “১৭০। রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা।-(১) স্বাভাবিক ব্যক্তি ও হিন্দু অবিভক্ত পরিবার করদাতা নিম্নবর্ণিত সারণির শর্তানুযায়ী আয়বর্ষ সমাপ্তি পরবর্তী সংশ্লিষ্ট করবর্ষব্যাপী ধারা ১৭০ক-তে বর্ণিত পদ্ধতিতে রিটার্ন দাখিল করিতে পারিবে, যথা:- (ক) নিম্নসারণিতে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে করদাতা নিম্নবর্ণিত হারে কর প্রণোদনা প্রাপ্ত হইবেন বা অতিরিক্ত কর পরিশোধ করিবেন, যথা:-

(১)

(২)

(৩)

১।

১ জুলাই হইতে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

দ্রুত রিটার্ন দাখিলের জন্য করদাতা ধারা ১৭৩ এর উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত পরিশোধযোগ্য করের ৫% (পাঁচ শতাংশ) অথবা ২৫ (পঁচিশ) হাজার টাকা যাহা কম সেই পরিমাণ কর প্রণোদনা পাইবেন।

২।

১ অক্টোবর হইতে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত

প্রণোদনা অথবা অতিরিক্ত কর কোনোটিই প্রযোজ্য নহে।

(১)

(২)

(৩)

৩।

১ জানুয়ারী হইতে ৩১ মার্চ পর্যন্ত

বিলম্বে রিটার্ন দাখিলের জন্য ধারা ১৭৩ এর উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত পরিশোধযোগ্য করের ২% (দুই শতাংশ) অথবা ৩ (তিন) হাজার টাকা, যাহা অধিক সেই পরিমাণ অতিরিক্ত কর প্রযোজ্য হইবে।

৪।

১ এপ্রিল হইতে ৩০ জুন পর্যন্ত

বিলম্বে রিটার্ন দাখিলের জন্য ধারা ১৭৩ এর উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত পরিশোধযোগ্য করের ৫% (পাঁচ শতাংশ) অথবা ৫ (পাঁচ) হাজার টাকা, যাহা অধিক সেই পরিমাণ অতিরিক্ত কর প্রযোজ্য হইবে।

(খ) পূর্বে কখনোই রিটার্ন দাখিল করেন নাই এইরূপ স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতা সংশ্লিষ্ট কর বর্ষের জন্য প্রযোজ্য হারে আয়কর পরিশোধ করিয়া আয়বর্ষ শেষ হইবার পরবর্তী ৩০ জুন তারিখের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করিতে পারিবেন; (গ) বিদেশে অবস্থানরত কোনো স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার ক্ষেত্রে, তাহার বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তনের দিন হইতে ৯০ (নব্বই) তম দিনের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিল করিবেন, যদি উক্তরূপ ব্যক্তি- (অ) উচ্চ শিক্ষার জন্য ছুটিতে অথবা চাকরির জন্য প্রেষণে বা লিয়েনে নিযুক্ত হইয়া বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থান করেন; বা (আ) অর্থ উপার্জনের উদ্দেশ্যে বৈধ ভিসা এবং পারমিটধারী হয়ে বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থান করেন। (২) স্বাভাবিক ব্যক্তি ও হিন্দু অবিভক্ত পরিবার ব্যতীত, অন্যান্য করদাতার ক্ষেত্রে, রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা হইবে আয়বর্ষ সমাপ্তির পরবর্তী নবম মাসের পনেরোতম দিন অথবা, যেক্ষেত্রে উক্ত পনেরোতম দিন সেপ্টেম্বর মাসের পনেরোতম দিনের পূর্বের তারিখে পড়ে, সেইক্ষেত্রে আয়বর্ষ সমাপ্তির পরবর্তী সেপ্টেম্বর মাসের পনেরোতম দিন, তবে, নিম্ন সারণিতে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে করদাতা নিম্নবর্ণিত হারে কর প্রণোদনা প্রাপ্ত হইবেন বা অতিরিক্ত কর পরিশোধ করিবেন, যথা:-

(১)

(২)

(৩)

১

করদাতার রিটার্ন দাখিলের এই উপ-ধারায় বর্ণিত সময়সীমা অতিক্রান্তহইবার২ (দুই) মাস পূর্বে রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে

দ্রুত রিটার্ন দাখিলের জন্য করদাতা ধারা ১৭৩ এর উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত পরিশোধযোগ্য করের ৫% (পাঁচ শতাংশ) অথবা ২৫ (পঁচিশ) হাজার  টাকা, যাহা কম, সেই পরিমাণ কর প্রণোদনা পাইবেন।

(১)

(২)

(৩)

২

১ নং ক্রমিকে বর্ণিত সময়সীমার পর, তবে এই উপ-ধারায় বর্ণিত সময়সীমার মধ্যে রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে

প্রণোদনা অথবা অতিরিক্ত কর কোনোটিই প্রযোজ্য নহে।

৩

এই উপ-ধারায় বর্ণিতরিটার্ন দাখিলের সময়সীমার পরেসংশ্লিষ্ট করবৎসরের অবশিষ্ট সময়কালের মধ্যে

বিলম্বে রিটার্ন দাখিলের জন্য ধারা ১৭৩ এর উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত পরিশোধযোগ্য করের ২% (দুই শতাংশ) অথবা ২৫ (পঁচিশ) হাজার টাকা, যাহা বেশি, সেই পরিমাণ অতিরিক্ত কর প্রযোজ্য হইবে।

(৩) যদি উপ-ধারা (১) এর দফা (ক), (খ) ও (গ) এবং উপ-ধারা (২) এর সারণিতে উল্লিখিত দিন সরকারি ছুটির দিন হয়, তাহা হইলে উক্ত দিনের অব্যবহিত পরবর্তী কর্মদিবস।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনে নূতন ধারা ১৭০ক এর সন্নিবেশ

৯৮। উক্ত আইনের ধারা ১৭০ এর পর নিম্নরূপ নূতন ধারা ১৭০ক সন্নিবেশিত হইবে, যথা:- “১৭০ক। রিটার্ন দাখিল পদ্ধতি।- (১) রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা রহিয়াছে এইরূপ সকল ব্যক্তি ধারা ১৭০ এ উল্লিখিত সময়ে কর মামলা নিষ্পত্তির জন্য রিটার্ন দাখিল করিবেন। (২) স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতা ধারা ১৮০-তে স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে কর নির্ধারণের জন্য রিটার্ন দাখিল করিবে। (৩) যে সকল স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার শুধু চাকরি হইতে আয়, আর্থিক পরিসম্পদ হইতে আয় ও কৃষি হইতে আয় রহিয়াছে, তাহাদের ক্ষেত্রে ধারা ১৮০-তে স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে কর নির্ধারণের জন্য দাখিলকৃত রিটার্নে কর প্রত্যর্পণ সৃষ্টি হইলে, ধারা ২১৫-তে উল্লিখিত পদ্ধতিতে ও সময়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রত্যর্পণ (automated refund) প্রদান করা হইবে। (৪) স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতা ব্যতীত, অন্য সকল করদাতা ধারা ১৮০-তে স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে কর নির্ধারণের জন্য অথবা উপকর কমিশনার কর্তৃক ধারা ১৮৩-তে কর নির্ধারণের জন্য রিটার্ন দাখিল করিতে পারিবেন। (৫) উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত ক্ষেত্র ব্যতীত, অন্য সকল করদাতার ধারা ১৮০-তে স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে কর নির্ধারণের জন্য দাখিলকৃত রিটার্নে কর প্রত্যর্পণ প্রদর্শিত হওয়ার প্রেক্ষিতে, উক্ত দাখিলকৃত রিটার্নটি, উপকর কমিশনার কর্তৃক ধারা ১৮৩-তে কর নির্ধারণের জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিবেচিত হইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৭১ এর সংশোধন

৯৯। উক্ত আইনের ধারা ১৭১ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ১৭১ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “১৭১। রিটার্ন দাখিলের সময় ও আয়কর পরিশোধ।- (১) প্রত্যেক করদাতা ধারা ১৭০ এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে ধারা ১৭০ক এর অধীন আয়কর রিটার্ন দাখিল করিবেন। (২) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী দাখিলকৃত রিটার্নের সঙ্গে করদাতাকে ধারা ১৭৩ এবং ১৭০ এর প্রযোজ্য সারণিতে উল্লিখিত হিসাব অনুযায়ী আয়কর পরিশোধ করিতে হইবে। (৩) ধারা ১৭০ এ উল্লিখিত সময়সীমা অতিক্রান্ত হইবার পর রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে ধারা ১৭৪ অনুযায়ী আয়কর পরিশোধ করিতে হইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৭২ এর প্রতিস্থাপন

১০০। উক্ত আইনের ধারা ১৭২ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ১৭২ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “১৭২। বিশেষ পরিস্থিতিতে রিটার্ন দাখিল।-নিম্নবর্ণিত বিশেষ পরিস্থিতিতে উপকর কমিশনারের নোটিশের প্রেক্ষিতে করদাতা এই ধারার অধীন রিটার্ন দাখিল করিবেন- (ক) করদাতার দাখিলকৃত রিটার্নটি অসম্পূর্ণ বিবেচিত হইলে; (খ) শেয়ার মার্কেটে তালিকাভুক্ত পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি ব্যতীত অন্য কোনো ব্যবসার ক্ষেত্রে, কোনো অর্থবৎসরে যদি ব্যবসা বন্ধ হয় বা ব্যবসার মালিকানা বা স্বত্ব হস্তান্তর হয় বা হস্তান্তর হইবে মর্মে বিশ্বাস করিবার যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকিলে; (গ) কোনো অর্থবৎসরে কোনো স্বাভাবিক ব্যক্তি বাংলাদেশ ত্যাগ করিলে বা বাংলাদেশ ছাড়িয়া চলিয়া যাইবেন মর্মে বিশ্বাস করিবার যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকিলে; (ঘ) করদাতা কোনো করবর্ষের প্রদেয় কর এড়াইয়া গেলে বা কোনো করবর্ষের রিটার্ন দাখিল না করিলে; (ঙ) কোনো অংশীদারী ফার্মের গঠনতন্ত্রে পরিবর্তন হইলে; (চ) কোনো অংশীদারী ফার্মের উত্তরসূরী হিসাবে নূতন কোনো ফার্ম সৃষ্টি করা হইলে; (ছ) কোনো আয়বর্ষে মৃত্যু ব্যতীত অন্য কোনোভাবে কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির কোনো ব্যবসার উত্তরাধিকারী হইলে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৭৩ এর সংশোধন

১০১। উক্ত আইনের ধারা ১৭৩ এর- (ক) এর উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “১৯১, ১৯৩ বা ২১২ ইহার” সংখ্যাগুলি, শব্দগুলির ও কমার পরিবর্তে “১৮২, ১৮৮, ১৮৯, ১৯০, ১৯১, ১৯২, ১৯৩ বা ২১২ এর” সংখ্যাগুলি, শব্দগুলি ও কমাগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে; (খ) এর উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত “(৫)” সংখ্যা ও বন্ধনীর পরিবর্তে “(৬)” সংখ্যা ও বন্ধনী প্রতিস্থাপিত হইবে; (গ) এর উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত “নিয়মিত” শব্দ বিলুপ্ত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৭৪ এর সংশোধন

১০২। উক্ত আইনের ধারা ১৭৪ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ১৭৪ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “১৭৪। বিলম্ব রিটার্ন, ইত্যাদি।- (১) ধারা ১৬৬ এর অধীন রিটার্ন দাখিলের আইনানুগ বাধ্যবাধকতা রহিয়াছে এইরূপ কোনো ব্যক্তি কর্তৃক ধারা ১৭০ এ উল্লিখিত রিটার্ন দাখিলের সময় অতিক্রান্ত হইবার পর করদাতা কর্তৃক স্বপ্রণোদিতভাবে দাখিলকৃত যেকোনো রিটার্ন, অথবা করবৎসর অতিক্রান্ত হওয়ার প্রেক্ষিতে ধারা ২১২ এর উপ-ধারা (৪) এর দফা (ক) এর ক্ষেত্রে ধারা ২১২ এর উপ-ধারা (১) অনুসারে নোটিশ জারির প্রেক্ষিতে করদাতা কর্তৃক দাখিলকৃত রিটার্ন “বিলম্ব রিটার্ন” হিসাবে গণ্য হইবে। (২) ধারা ১৭০ এ উল্লিখিত রিটার্ন দাখিলের সময় অতিক্রান্ত হইবার পর, করদাতা স্বপ্রণোদিতভাবে বিলম্ব রিটার্ন দাখিলকালে, ধারা ১৭৩ অনুযায়ী কর পরিশোধ করিবেন এবং অতিরিক্ত কর হিসাবে পরিশোধযোগ্য করের ১০% (দশ শতাংশ) অথবা ৫ (পাঁচ) হাজার টাকা, যাহা অধিক সেই পরিমাণ কর প্রদান করিবেন। (৩) করবৎসর অতিক্রান্ত হওয়ার পর, ধারা ২১২ এর উপ-ধারা (৪) এর দফা (ক) এর ক্ষেত্রে, ধারা ২১২ এর উপ-ধারা (১) অনুসারে নোটিশ জারির প্রেক্ষিতে, করদাতা বিলম্ব রিটার্ন দাখিলকালে, ধারা ১৭৩ অনুযায়ী কর পরিশোধ করিবেন এবং অতিরিক্ত কর হিসাবে পরিশোধযোগ্য করের ১৫% (পনেরো শতাংশ) অথবা ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা, যাহা অধিক, সেই পরিমাণ কর প্রদান করিবে। (৪) ষষ্ঠ তফসিলের অংশ ১ এর দফা (১), (৪), (৫), (৬), (৭), (৮), (১৭) ও (৩৫) এ উল্লিখিত আয় এবং চাকরি হইতে আয় পরিগণনায় কর অব্যাহতিপ্রাপ্ত আয়ের ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য কোনো প্রকার আয়ের ক্ষেত্রে, কর অব্যাহতি প্রযোজ্য না হইলে যেইরূপে কর পরিগণনা করা হইত, সেইরূপে কর পরিগণনাপূর্বক কর পরিশোধ করিতে হইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৭৫ এর সংশোধন

১০৩। উক্ত আইনের ধারা ১৭৫ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ১৭৫ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “১৭৫। সংশোধিত রিটার্ন ও সংশোধিত রিটার্ন দাখিল সংক্রান্ত বিধানাবলি।- (১) নিম্নবর্ণিত রিটার্নসমূহ “সংশোধিত রিটার্ন” বলিয়া গণ্য হইবে, এবং করদাতা এই ধারায় সংশোধিত রিটার্ন দাখিল করিবেন, যথা:- (ক) স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে নিষ্পত্তিকৃত রিটার্নে, করদাতা কর্তৃক ত্রুটি পরিলক্ষিত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে, ধারা ১৮০ এর উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত এবং এই ধারায় দাখিলকৃত সংশোধিত রিটার্ন; (খ) কর মামলা অডিটকালে ধারা ১৮২ এর উপ-ধারা (৫) এ উল্লিখিত এবং এই ধারায় দাখিলকৃত সংশোধিত রিটার্ন; (গ) উপকর কমিশনার কর্তৃক কর নির্ধারণকালে ধারা ১৮৩ এর উপ-ধারা (৪ক) এ উল্লিখিত এবং এই ধারায় দাখিলকৃত সংশোধিত রিটার্ন; (ঘ) করদাতার দাখিলকৃত রিটার্নে, কর ও অন্যান্য অঙ্ক পরিশোধ এড়াইয়া যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে, ধারা ২১২ এর উপ-ধারা (১) এর নোটিশে উল্লিখিত এবং এই ধারায় দাখিলকৃত সংশোধিত রিটার্ন; (ঙ) ধারা ২৮৯ এর আওতায় আপিল আয়কর কর্তৃপক্ষ বা ধারা ২৯২ এর আওতায় কর আপিল ট্রাইবুনাল কর্তৃক জারীকৃত সেট-এসাইড আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে করদাতা রিটার্ন দাখিল করিলে, উক্ত দাখিলকৃত সংশোধিত রিটার্ন। (২) সংশোধিত রিটার্ন দাখিলকালে বা তাহার পূর্বে ধারা ১৭৩ অনুযায়ী কর পরিশোধ করিতে হইবে। (৩) এই ধারায় দাখিলকৃত সংশোধিত রিটার্নে একই করবর্ষের জন্য দাখিলকৃত মূল রিটার্নের কর দায় হ্রাস করা যাইবে না। (৪) সংশোধিত রিটার্নে একই করবর্ষের জন্য দাখিলকৃত মূল রিটার্নে প্রদর্শিত আয়-সম্পদ-দায়-ব্যয়, দালিলিক প্রমাণক ব্যতিরেকে পরিবর্তন বা স্থানান্তর করা যাইবে না।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৭৬ এর সংশোধন

১০৪। উক্ত আইনের ধারা ১৭৬ এর- (ক) উপ-ধারা (৩) এর দফা (ক)-তে উল্লিখিত “ধারা” শব্দের পর “১৬৭ এর উপ-ধারা (৭), ধারা ১৬৮ এর উপ-ধারা (২) বা” সংখ্যাগুলি, শব্দগুলি, কমা ও বন্ধনীগুলি সন্নিবেশিত হইবে; (খ) উপ-ধারা (৫) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৫) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(৫) কোনো করদাতা উপ-ধারা (২) এর অধীন প্রদত্ত নোটিশের বিষয়বস্তু সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন না করিলে তাহার দাখিলকৃত রিটার্নটি বাতিল বা অকার্যকর বলিয়া গণ্য করিয়া উপকর কমিশনার ধারা ১৭২ এর অধীন রিটার্ন দাখিলের জন্য, এই ধারায় অথবা করবৎসর অতিক্রান্ত হইলে ধারা ২১২ এর উপ-ধারা (১) এর অধীন নোটিশ জারি করিবেন।”; (গ) উপ-ধারা (৫) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-ধারা (৬) সংযোজিত হইবে, যথা:- “(৬) কেবল প্রাপ্তি স্বীকারের কারণে কোনো রিটার্ন সম্পূর্ণ বলিয়া বিবেচিত হইবে না।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৭৭ এর সংশোধন

১০৫। উক্ত আইনের ধারা ১৭৭ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (চ) এর প্রান্তস্থিত “।” দাঁড়ি চিহ্নের পরিবর্তে “;” সেমিকোলন চিহ্ন প্রতিস্থাপিত হইবে এবং অতঃপর নিম্নরূপ নূতন দফা (ছ), (জ), (ঝ), (ঞ) ও (ট) সংযোজিত হইবে, যথা:- “(ছ) পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশীপ; (জ) বার্ষিক ১ (এক) কোটি টাকার অধিক টার্নওভার বিশিষ্ট কোনো ই-কমার্স প্লাটফর্ম বা অনলাইন মার্কেটপ্লেস; (ঝ) বার্ষিক ১ (এক) কোটি টাকার অধিক টার্নওভার বিশিষ্ট হোটেল, রিসোর্ট, মোটেল, রেস্টুরেন্ট, কনভেনশন সেন্টার, কমিউনিটি সেন্টার, ট্রান্সপোর্ট এজেন্সি; (ঞ) কৃষক নহেন, এইরূপ কোনো ব্যক্তি যিনি তামাক পাতা, সিগারেট, বিড়ি, জর্দা, গুল ও অন্যান্য তামাক জাতীয় পণ্য উৎপাদনে জড়িত; (ট) বার্ষিক ১০ (দশ) কোটি টাকার অধিক ব্যবসায়িক টার্নওভার রহিয়াছে এইরূপ যেকোনো স্বাভাবিক ব্যক্তি।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৮০ এর সংশোধন

১০৬। উক্ত আইনের ধারা ১৮০ এর- (ক) উপান্তটীকার পরিবর্তে নিম্নরূপ উপান্তটীকা প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে কর নির্ধারণ”; (খ) উপ-ধারা (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(১) কোনো ব্যক্তি কর্তৃক ধারা ১৭০ক-তে দাখিলকৃত রিটার্ন স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে নিষ্পন্ন করিতে চাহিলে, এই ধারার অধীন কর নির্ধারণ সম্পন্ন হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে, যদি উক্ত রিটার্ন- (ক) ধারা ১৬৯ এ উল্লিখিত সকল বিধান পরিপালনপূর্বক দাখিল করা হয়; এবং (খ) ধারা ১৭৩ এ উল্লিখিত সকল বিধান পরিপালনপূর্বক কর পরিশোধ করা হয়।”; (গ) উপ-ধারা (৪) এর দফা (ঙ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (ঙ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(ঙ) ধারা ১৭০ এ উল্লিখিত সময়সীমা অনুযায়ী রিটার্ন দাখিল করেন; এবং”; (ঘ) উপ-ধারা (৪) এর দফা (চ)-তে উল্লিখিত “বকেয়া” শব্দের পরিবর্তে “বিলম্ব” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে; (ঙ) উপ-ধারা (৬) এর দফা (খ)-তে উল্লিখিত “বকেয়া” শব্দের পরিবর্তে “বিলম্ব” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৮৩ এর সংশোধন

১০৭। উক্ত আইনের ধারা ১৮৩ এর- (ক) উপ-ধারা (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(১) উপকর কমিশনার, এই ধারার অধীন, সংশ্লিষ্ট রিটার্ন, দলিলাদি বা এই আইনের অন্য কোনো বিধান অনুযায়ী নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রসমূহে প্রদেয় কর নির্ধারণ করিতে পারিবেন, যদি- (ক) কোনো ব্যক্তি ধারা ১৭০ক এর উপ-ধারা (৪) অথবা উপ-ধারা (৫) অনুযায়ী তার রিটার্নটি উপকর কমিশনার কর্তৃক কর নির্ধারণের জন্য দাখিল করেন বা কর নির্ধারণের জন্য দাখিল বলিয়া গণ্য হয়; (খ) কোনো ব্যক্তি ধারা ১৭৪ এর অধীন বিলম্ব রিটার্ন দাখিল করেন; (গ) কোনো ব্যক্তি ধারা ১৭৫ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) ব্যতীত, দফা (খ), (গ), (ঘ) ও (ঙ) অনুযায়ী সংশোধিত রিটার্ন দাখিল করেন;” (খ) উপ-ধারা (৪) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-ধারা (৪ক) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:- “(৪ক) কর নির্ধারণ সম্পন্ন হওয়ার পূর্বে করদাতা সংশোধিত রিটার্ন দাখিল করিলে উপকর কমিশনার উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী শুনানির নোটিশ প্রদান করিবেন।”; (গ) উপ-ধারা (৫) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৫) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(৫) উপকর কমিশনার করদাতার কর নির্ধারণকালে অধিকতর শুনানি বা প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য, প্রমাণ চাহিতে পারিবেন এবং সেইক্ষেত্রে উপকর কমিশনার শুনানির নোটিশে চাহিত তথ্য-প্রমাণাদি সুনির্দিষ্টভাবে লিপিবদ্ধ এবং পরিপালনে ব্যর্থতায় উদ্ভূত ফলাফলের বর্ণনা করিবেন।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৮৪ এর সংশোধন

১০৮। উক্ত আইনের ধারা ১৮৪ এর উপ-ধারা (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(১) এই ধারার অন্যান্য বিধান সাপেক্ষে, উপকর কমিশনার নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে করদাতার সর্বোত্তম বিচারভিত্তিক কর নির্ধারণ করিতে পারিবেন, যথা:- (ক) যেক্ষেত্রে, কোনো ব্যক্তি বিশেষ পরিস্থিতি উদ্ভবের পরিপ্রেক্ষিতে ধারা ১৭২ এর অধীন রিটার্ন দাখিলে ব্যর্থ হন; অথবা (খ) যেক্ষেত্রে, কোনো ব্যক্তি ধারা ১৭৫ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) ব্যতীত, দফা (খ), (গ) ও (ঘ) অনুযায়ী সংশোধিত রিটার্ন দাখিলে ব্যর্থ হন; বা (গ) যেক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি ধারা ১৮৩ এর উপ-ধারা (৩) বা (৪ক) বা ধারা ১৯১ বা ১৯৩ বা ২১২ এর অধীন প্রদত্ত নোটিশ পরিপালনে ব্যর্থ হইয়াছেন। ব্যাখ্যা।-এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, “সর্বোত্তম বিচারভিত্তিক কর নির্ধারণ (Best judgement assessment)” অর্থ- (অ) করদাতা রিটার্ন বা সংশোধিত রিটার্ন দাখিল না করিলে; বা (আ) নোটিশ বা আইনগত নির্দেশনা অনুসরণ না করিলে, এই আইনের বিধান অনুসারে প্রাপ্ত নির্ভরযোগ্য তথ্য, প্রমাণ এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয়ের ভিত্তিতে উপকর কমিশনার কর্তৃক সরল বিশ্বাসে ও নৈর্ব্যক্তিকভাবে (objectively) সম্পাদিত কোনো করদাতার যৌক্তিক অনুমানভিত্তিক কর নির্ধারণ।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৮৫ এর সংশোধন

১০৯। উক্ত আইনের ধারা ১৮৫ এর- (ক) উপ-ধারা (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(১) উপকর কমিশনার অর্থবৎসর পরবর্তী ১লা জুলাইয়ের পর যে কোনো সময়, দাখিলকৃত রিটার্ন এবং সহিত সংযুক্ত হিসাবপত্র ও দলিলাদির ভিত্তিতে বা যেইক্ষেত্রে রিটার্ন দাখিল করা হয় নাই, সেইক্ষেত্রে সর্বশেষ কর নির্ধারণের ভিত্তিতে, সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে, করদাতার সাময়িক কর নির্ধারণ করিতে পারিবেন।”; (খ) উপ-ধারা (২) ও (৩) বিলুপ্ত হইবে; (গ) উপ-ধারা (৪) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৪) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(৪) এই ধারার অধীন সাময়িক কর নির্ধারণের ক্ষেত্রে, উপকর কমিশনার নিম্নরূপ কার্যক্রমও গ্রহণ করিতে পারিবেন, যথা:- (ক) রিটার্ন, হিসাব এবং দলিলাদির কোনো গাণিতিক ত্রুটি সংশোধন; (খ) রিটার্ন, হিসাব এবং দলিলাদি হইতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ধারা ৭০ এবং ৭১ এর অধীন কোনো লোকসানের সমন্বয় এবং জের টানা বা অবচয় ভাতার জের টানা।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৮৮ এর সংশোধন

১১০। উক্ত আইনের ধারা ১৮৮ এর উপ-ধারা (৩) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-ধারা (৪) সংযোজিত হইবে, যথা:- “(৪) কর নির্ধারণের প্রয়োজনে, উপকর কমিশনার এই ধারার অধীন নোটিশ জারি করিতে পারিবেন এবং করদাতা ধারা ১৭২ এর অধীন রিটার্ন দাখিল করিবেন।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৮৯ এর সংশোধন

১১১। উক্ত আইনের ধারা ১৮৯ এ উল্লিখিত “করিতে হইবে” শব্দগুলির পর “এবং কর নির্ধারণের প্রয়োজনে, উপকর কমিশনার এই ধারার অধীন নোটিশ জারি করিতে পারিবেন এবং করদাতা ধারা ১৭২ এর অধীন রিটার্ন দাখিল করিবেন” শব্দগুলি ও কমা সন্নিবেশিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৯০ এর সংশোধন

১১২। উক্ত আইনের ধারা ১৯০ এর উপ-ধারা (৩) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-ধারা (৪) সংযোজিত হইবে, যথা:- “(৪) কর নির্ধারণের প্রয়োজনে, উপকর কমিশনার এই ধারার অধীন নোটিশ জারি করিতে পারিবেন এবং করদাতা ধারা ১৭২ এর অধীন রিটার্ন দাখিল করিবেন।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৯১ এর সংশোধন

১১৩। উক্ত আইনের ধারা ১৯১ এর- (ক) উপ-ধারা (৫) এর দফা (গ)-তে উল্লিখিত “প্রধান কর্মচারীর” শব্দগুলির পরিবর্তে “মুখ্য কর্মকর্তার” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে; (খ) উপ-ধারা (৬) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৬) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(৬) কর নির্ধারণের উদ্দেশ্যে উপ-ধারা (৫) এর অধীন উপকর কমিশনার কর্তৃক প্রদত্ত নোটিশের প্রেক্ষিতে করদাতা ধারা ১৭২ এর অধীন রিটার্ন দাখিল করিবেন এবং উপকর কমিশনার এই আইনের বিধানাবলি যতটুকু প্রযোজ্য ততটুকু প্রয়োগ করিবেন।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৯৩ এর সংশোধন

১১৪। উক্ত আইনের ধারা ১৯৩ এর উপ-ধারা (৪) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৪) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(৪) কর নির্ধারণের জন্য উপ-ধারা (৩) এর অধীন উপকর কমিশনার কর্তৃক জারীকৃত নোটিশের প্রেক্ষিতে করদাতা ধারা ১৭২ এর অধীন রিটার্ন দাখিল করিবেন।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৯৫ এর সংশোধন

১১৫। উক্ত আইনের ধারা ১৯৫ এর উপ-ধারা (২) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-ধারা (৩) সংযোজিত হইবে, যথা:- “(৩) উপকর কমিশনার উপ-ধারা (১) এর অধীন স্পটে কর নির্ধারণকালে করযোগ্য ব্যবসা আয় থাকিলে উহার সর্বোচ্চ ৪ (চার) গুণ প্রারম্ভিক মূলধন সুবিধা প্রদানপূর্বক কর নির্ধারণ করিতে পারিবেন।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৯৭ এর সংশোধন

১১৬। উক্ত আইনের ধারা ১৯৭ এর- (ক) উপ-ধারা (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(১) উপ-ধারা (২) ও (৩) এর বিধান সাপেক্ষে, নিম্নরূপ মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পূর্বে কর নির্ধারণ বা রিটার্ন প্রসেস সম্পন্ন করিতে হইবে, যথা:- (ক) ধারা ১৮১ অনুসারে রিটার্ন প্রসেসের ক্ষেত্রে যে করবর্ষে রিটার্ন দাখিল করা হইয়াছে সেই করবর্ষ শেষ হইবার পরবর্তী ১২ (বারো) মাস; (খ) যে করবর্ষে ধারা ১৮২ এর উপ-ধারা (২) এর অধীন কোনো রিটার্ন বা সংশোধিত রিটার্ন অডিটের নিমিত্ত নির্বাচন বা উপ-ধারা (৩) এর অধীন অডিটের নিমিত্ত অনুমোদন করা হইয়াছে সেই করবর্ষ শেষ হইবার পরবর্তী ১২ (বারো) মাস; (গ) ধারা ১৮৩ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) এর অধীন কর মামলা নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে, যে করবর্ষে রিটার্ন দাখিল করা হইয়াছে, সেই করবর্ষ শেষ হইবার পরবর্তী ১২ (বারো) মাস; (ঘ) ধারা ১৮৩ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (খ) এর অধীন কর মামলা নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে, যে করবর্ষে রিটার্ন দাখিল করা হইয়াছে, সেই করবর্ষ শেষ হইবার পরবর্তী ১২ (বারো) মাস; (ঙ) ধারা ২৩৫ এর অধীন আর্মস লেংথ প্রাইস পরিগণনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট করবর্ষ শেষ হইবার পরবর্তী ৫ (পাঁচ) করবর্ষ;”; (খ) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত “তাহা সমাপ্তির ২ (দুই) করবর্ষের” শব্দগুলি, সংখ্যা ও বন্ধনীর পরিবর্তে “সেই করবর্ষ সমাপ্তির ১২ (বারো) মাসের” শব্দগুলি, সংখ্যা ও বন্ধনী প্রতিস্থাপিত হইবে; (গ) উপ-ধারা (৩) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৩) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(৩) এই ধারায় যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধারা ২১৩, ২৮৫, ২৮৯, ২৯২, ২৯৪ বা ২৯৫ অনুসারে প্রদত্ত আদেশ, পর্যবেক্ষণ বা নির্দেশনা অথবা ধারা ৩০৪ অনুসারে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি সহায়তাকারীর মতৈক্যের অনুলিপি সংশ্লিষ্ট উপকর কমিশনারকে অবহিতকরণের ৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) দিনের মধ্যে সংশোধিত করাদেশ প্রণয়ন করিয়া এইরূপ সংশোধিত আদেশ পরবর্তী ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে করদাতাকে অবহিত করিতে হইবে।”। (ঘ) উপ-ধারা (৪) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৪) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(৪) যেক্ষেত্রে কোনো কর্তৃপক্ষ কর্তৃক কর নির্ধারণী আদেশ সেট-এসাইড (set aside) করা হয় সেইক্ষেত্রে উক্ত সেট-এসাইড আদেশ সংশ্লিষ্ট উপকর কমিশনারকে অবহিতকরণের ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে কর নির্ধারণ করিতে হইবে।”। (ঙ) উপ-ধারা (৫) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৫) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(৫) যেক্ষেত্রে ধারা ২১৩, ২৮৫, ২৮৯, ২৯২, ২৯৪, ২৯৫ বা ৩০৪ এর অধীন কোনো আদেশের মাধ্যমে বা ঐকমত্যের অনুলিপির মাধ্যমে কোনো করবর্ষের জন্য করদাতার কোনো আয় মোট আয় হইতে বাদ দেওয়া হয় এবং অন্য কোনো ব্যক্তির মোট আয়ে তাহা অন্তর্ভুক্ত করা হয়, তাহা হইলে এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, একই আদেশের অনুবর্তিক্রম বা ধারাবাহিকতায়, এইরূপ অন্য ব্যক্তির করাদেশ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংশোধন করা হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনে নূতন ধারা ২০০ক এর সন্নিবেশ

১১৭। উক্ত আইনের ধারা ২০০ এর পর নিম্নরূপ নূতন ধারা ২০০ক সন্নিবেশিত হইবে, যথা:- “২০০ক। ডিজিটাল পদ্ধতিতে তথ্য সরবরাহের বাধ্যবাধকতা।- (১) এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে বোর্ড, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যেকোনো কর্তৃপক্ষ, ব্যক্তি বা সত্তাকে তাহাদের নিয়ন্ত্রণে থাকা যেকোনো শ্রেণির ব্যক্তির সম্পদ, দায়, আয়, ব্যয় এবং লেনদেন সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে বোর্ড বা কোনো আয়কর কর্তৃপক্ষকে প্রদান করিবার নির্দেশ দিতে পারিবে। (২) উপ-ধারা (১) এর অধীন তথ্য প্রদানের নির্দেশের মধ্যে নিম্নবর্ণিত বিষয়সমূহ অন্তর্ভুক্ত থাকিবে, যথা:- (ক) বোর্ডের নির্ধারিত সিস্টেমে সরাসরি ডেটা আপলোড করা; (খ) বোর্ডের ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক সিস্টেমের সহিত সংশ্লিষ্ট সংস্থার ডেটাবেসের এপিআই (API) সংযোগ বা ডেটা শেয়ারিং নিশ্চিত করা; (গ) ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক তথ্য সিস্টেমে প্রবেশের (access) অনুমতি প্রদান করা।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২০৫ এর সংশোধন

১১৮। উক্ত আইনের ধারা ২০৫ এর- (ক) উপ-ধারা (৩) এর দফা (খ)-তে উল্লিখিত “রেকর্ড কারণ রেকর্ডপূর্বক” শব্দগুলির পরিবর্তে “রেকর্ডসমূহ যথাযথভাবে নথিভুক্তপূর্বক” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে; (খ) উপ-ধারা (৪) এর দফা (ক) এর উপ-দফা (অ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-দফা (অ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(অ) সংশ্লিষ্ট স্থান বা প্রাঙ্গণে প্রবেশ এবং আয়, পরিসম্পদ ও দায় সংক্রান্ত রেকর্ড পরিদর্শন; অথবা”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২০৬ এর সংশোধন

১১৯। উক্ত আইনের ধারা ২০৬ এর- (ক) উপ-ধারা (৩) এর দফা (ছ) এর পর নিম্নরূপ নূতন দফা (জ) সংযোজিত হইবে, যথা:- “(জ) দফা (ঘ) ও (ঙ) এর মাধ্যমে জব্দকৃত মালামাল সংশ্লিষ্ট কর কমিশনারের মহাফেজখানায় সংরক্ষণ;” (খ) উপ-ধারা (৮) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৮) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(৮) উপ-ধারা (৭) এ উল্লিখিত ব্যক্তির দখলে বা নিয়ন্ত্রণে প্রাপ্ত আয় সম্পর্কিত রেকর্ড, অর্থ, মূল্যবান ধাতু, গহনা বা অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী বা বস্তু ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তল্লাশি বা জব্দের স্থান ও সময়ে, উল্লিখিত ব্যক্তি বা তদকর্তৃক নিয়োজিত অন্য কোনো ব্যক্তির উপস্থিতিতে, জব্দতালিকা প্রস্তুত করিবেন এবং তাহাকে কপি প্রদান করিবেন এবং জব্দকৃত রেকর্ড ও মালামাল নিজ হেফাজতে গ্রহণ করিবেন: তবে শর্ত থাকে যে, তল্লাশি বা জব্দকরণকালে উপ-ধারা (৭) এ উল্লিখিত ব্যক্তি বা তাহার নিয়োজিত কোনো ব্যক্তি উপস্থিত না থাকিলে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তল্লাশি বা জব্দের স্থান ও সময়ে জব্দ তালিকা ও তাহার কপি প্রস্তুত করিবেন এবং জব্দের স্থান সিলগালা করিতে পারিবেন।”; (গ) উপ-ধারা (৯) বিলুপ্ত হইবে; (ঘ) উপ-ধারা (১০) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (১০) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(১০) তল্লাশি, জব্দকরণ ও সংরক্ষণে, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, যতদূর সম্ভব, এই উপ- ধারার অধীন Code of Criminal Procedure, 1898 (Act No. V of 1898) এর বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে: তবে শর্ত থাকে যে, এই আইনের বিধান সাপেক্ষে, বোর্ড, সময় সময়, এতদুদ্দেশ্যে বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।” (ঙ) উপ-ধারা (১০) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-ধারা (১০ক) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:- “(১০ক) এই ধারায় উল্লিখিত সকল কার্যক্রম মহাপরিচালক (কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল), পরিচালক (কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল) এবং কর কমিশনার (আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট) একইভাবে পরিচালনা করিতে পারিবেন।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২০৭ এর সংশোধন

১২০। উক্ত আইনের ধারা ২০৭ এর- (ক) উপান্তটীকার পরিবর্তে নিম্নরূপ উপান্তটীকা প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “জব্দকৃত রেকর্ড, অর্থ বা মূল্যবান সামগ্রী কর কমিশনারের নিকট হস্তান্তর ও সংরক্ষণ”; (খ) উপ-ধারা (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(১) যদি ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং উপকর কমিশনার পৃথক ব্যক্তি হন তাহা হইলে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ধারা ২০৬ এর অধীন জব্দকৃত রেকর্ড, অর্থ, মূল্যবান ধাতু, গহনা বা অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী বা বস্তু তাহা যে তারিখে জব্দ করা হয় সেই তারিখ হইতে ৩ (তিন) দিনের মধ্যে জব্দ তালিকাসহ তাহা উক্ত ব্যক্তির উপর কর্তৃত্বসম্পন্ন উপকর কমিশনারের নিকট হস্তান্তর করিবেন।”; (গ) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত “হিসাব বহি বা দলিলাদি” শব্দগুলির পরিবর্তে “রেকর্ড, অর্থ, মূল্যবান ধাতু, গহনা বা অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী বা বস্তু” শব্দগুলি ও কমাগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে; (ঘ) উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত “আয় সম্পর্কিত রেকর্ডসমূহ” শব্দগুলির পরিবর্তে “রেকর্ড, অর্থ, মূল্যবান ধাতু, গহনা বা অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী বা বস্তু” শব্দগুলি ও কমাগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে; (ঙ) উপ-ধারা (৪) এ উল্লিখিত “আয় সম্পর্কিত রেকর্ড” শব্দগুলির পরিবর্তে “রেকর্ড, অর্থ, মূল্যবান ধাতু, গহনা বা অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী বা বস্তু” চিহ্নগুলি ও শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে; (চ) উপ-ধারা (৪) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-ধারা (৫), (৬) ও (৭) সংযোজিত হইবে, যথা:- “(৫) উপকর কমিশনার কোনো ব্যক্তির জব্দকৃত রেকর্ড, অর্থ, মূল্যবান ধাতু, গহনা বা অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী বা বস্তু কর কমিশনারের কার্যালয়ের মহাফেজখানায় সংরক্ষণের নিমিত্তে কর কমিশনারের নিকট সোপর্দ করিবেন। (৬) জব্দকৃত রেকর্ড, অর্থ, মূল্যবান ধাতু, গহনা বা অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী বা বস্তু মহাফেজখানায় সংরক্ষণের কার্যক্রম ও পদ্ধতি Bengal Records Manual, 1943 দ্বারা পরিচালিত হইবে। (৭) এই ধারায় উল্লিখিত সকল কার্যক্রম মহাপরিচালক (কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল), পরিচালক (কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল) এবং কর কমিশনার (আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট) একইভাবে পরিচালনা করিতে পারিবেন।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২০৮ এর সংশোধন

১২১। উক্ত আইনের ধারা ২০৮ এর- (ক) উপান্তটীকায় উল্লিখিত “আয় সম্পর্কিত রেকর্ড” শব্দগুলির পরিবর্তে “রেকর্ড, অর্থ ও মূল্যবান সম্পদ” শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত হইবে; (খ) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “আয় সম্পর্কিত রেকর্ডসমূহ” শব্দগুলির পরিবর্তে “রেকর্ড, অর্থ, মূল্যবান ধাতু, গহনা বা অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী বা বস্তু” শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত হইবে; (গ) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত “আয় সম্পর্কিত রেকর্ড” শব্দগুলির পরিবর্তে “রেকর্ড, অর্থ, মূল্যবান ধাতু, গহনা বা অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী বা বস্তু” শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত হইবে; (ঘ) উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত “জব্দকৃত আয় সম্পর্কিত রেকর্ডের” শব্দগুলির পরিবর্তে “রেকর্ড, অর্থ, মূল্যবান ধাতু, গহনা বা অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী বা বস্তুর” শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত হইবে; (ঙ) উপ-ধারা (৩) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-ধারা (৪) সংযোজিত হইবে, যথা:- “(৪) এই ধারায় উল্লিখিত সকল কার্যক্রম মহাপরিচালক (কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল), পরিচালক (কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল) এবং কর কমিশনার (আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট) একইভাবে পরিচালনা করিতে পারিবেন।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২০৯ এর সংশোধন

১২২। উক্ত আইনের ধারা ২০৯ এর- (ক) উপ-ধারা (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(১) যেক্ষেত্রে ধারা ২০৬ এর অধীন জব্দকৃত কোনো রেকর্ড, অর্থ, মূল্যবান ধাতু, গহনা বা অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী বা বস্তু, অতঃপর রেকর্ড ও সম্পদ বলিয়া উল্লিখিত, উপকর কমিশনারের নিকট হস্তান্তর করা হয়, সেইক্ষেত্রে উপকর কমিশনার উপ-ধারা (২) এ বর্ণিত পদ্ধতি অনুসরণ করিবেন।”; (খ) উপ-ধারা (২) এর দফা (ক) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (ক) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(ক) অপ্রদর্শিত রেকর্ড ও সম্পদ সম্পর্কে আনুমানিক অর্জনমূল্য হিসাব করিয়া অপ্রদর্শিত রেকর্ড ও সম্পদ সংশ্লিষ্ট সারসংক্ষেপ তৈরি;” (গ) উপ-ধারা (২) এর- (অ) দফা (খ)-তে উল্লিখিত “অঙ্ক” শব্দের পরিবর্তে “কর” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে; এবং (আ) দফা (খ) এর উপ-দফা (আ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-দফা (আ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(আ) প্রদেয় কর ও অন্য কোনো অঙ্কের করদায়ের জন্য উক্ত ব্যক্তি কর খেলাপি হইলে অথবা কর খেলাপি হিসাবে বিবেচিত হইলে, সেই করদায় পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় অঙ্ক।”; (ঘ) উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত “কোনো সময়সীমা, কোনো আদেশ বা নিষেধাজ্ঞার কারণে কোনো কার্যধারা” শব্দগুলি ও কমার পরিবর্তে “সময়সীমা, কোনো আদেশ বা নিষেধাজ্ঞায় উল্লিখিত সময়, এই কার্যধারার সময়ের” শব্দগুলি ও কমাগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে; (ঙ) উপ-ধারা (৪) এ উল্লিখিত “উক্ত ব্যক্তির যেই আয়বর্ষের সহিত সংশ্লিষ্ট সম্পদ জব্দ করা হইয়াছে উক্ত বৎসরের” শব্দগুলির পরিবর্তে “যে আয়বর্ষে উক্ত রেকর্ড ও সম্পদ জব্দকরণ করা হইয়াছে সেই বৎসরের অর্জন” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে; (চ) উপ-ধারা (৬) এ দুইবার উল্লিখিত “করে” শব্দের পরিবর্তে “করেন” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে এবং “জব্দকৃত” শব্দের পর “রেকর্ড ও” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে; (ছ) উপ-ধারা (৭) এর- (অ) দফা (ক) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (ক) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(ক) উক্ত ব্যক্তি কম পরিশোধিত কর প্রদানের জন্য খেলাপি করদাতা হিসাবে গণ্য হইবেন; এবং ”; (আ) দফা (খ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (খ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(খ) ধারা ২০৬ এর অধীন জব্দকৃত রেকর্ড ও সম্পদ যাহা করের অনাদায়ী অংশের আদায়ের জন্য যথেষ্ট সেই অংশের পরিমাণ রেকর্ড ও সম্পদ উপকর কমিশনার হেফাজতে রাখিতে পারিবেন।”; (জ) উপ-ধারা (৮) এ উল্লিখিত “সম্পত্তি” শব্দের পরিবর্তে “রেকর্ড ও সম্পদ” শব্দগুলি এবং “করিতে পারিবেন এবং এই ধারার সকল বিধান যথাযথভাবে প্রয়োগযোগ্য হইবে” শব্দগুলির পরিবর্তে “করিবার জন্য এই ধারার সকল বিধান যথাযথভাবে প্রয়োগ করিবেন” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২১০ এর সংশোধন

১২৩। উক্ত আইনের ধারা ২১০ এর উপ-ধারা (১) এর- (ক) দফা (ক) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (ক) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(ক) উপকর কমিশনার এই উপ-ধারার অধীন দায়ী ব্যক্তি বা দায়ী হিসাবে বিবেচিত ব্যক্তির অনাদায়ী কর পরিশোধের জন্য এই অর্থ ব্যবহার করিবেন এবং এইরূপ ক্ষেত্রে যে পরিমাণ অর্থ উক্ত ব্যক্তির নিকট হইতে পরিশোধ করা হইয়াছে সেই পরিমাণ অর্থ দায়মুক্ত হইবে; এবং”; (খ) দফা (খ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (খ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(খ) যেক্ষেত্রে দফা (ক) এর অধীন অর্থ ব্যবহারের পরও অনাদায়ী কর অবশিষ্ট থাকে, উপকর কমিশনার তাহা আদায়ের জন্য ট্যাক্স রিকোভারি অফিসারের মাধ্যমে, অর্থ নহে এইরূপ যেকোনো অস্থাবর সম্পত্তি, নিলাম করিয়া অনাদায়ী কর পুনরুদ্ধারের কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবেন।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২১২ এর সংশোধন

১২৪। উক্ত আইনের ধারা ২১২ এর- (ক) উপ-ধারা (২) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-ধারা (২ক) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:- ‍‍‍‍“(২ক) ধারা ১৭৪ এর অধীন স্বপ্রণোদিতভাবে দাখিলকৃত বিলম্ব রিটার্নের ক্ষেত্রে, বেতন হইতে আয় ও আর্থিক পরিসম্পদ হইতে আয় ব্যতীত অন্য কোনো খাতে আয় না থাকা এবং প্রদেয় কর পরিশোধ সাপেক্ষে উপকর কমিশনার রিটার্নের একটি গ্রহণপত্র প্রেরণ করিবেন, তবে উল্লিখিত শর্তসমূহ পূরণ করা না হইলে ধারা ১৮৩ বা, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, ধারা ১৮৪ এর অধীন কর নির্ধারণে অগ্রসর হইবেন।”; (খ) উপ-ধারা (৪) এর শর্তাংশের দফা (আ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (আ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(আ) যেক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তির অপ্রদর্শিত কোনো আয়, ব্যয় বা পরিসম্পদ যাহা দফা (খ)-তে উল্লিখিত ষষ্ঠ করবর্ষেরও অধিককাল পূর্বে অর্জিত বা ব্যয়িত হইয়াছে, সেইক্ষেত্রে উক্ত আয়, ব্যয় বা পরিসম্পদ উক্ত ষষ্ঠতম করবর্ষে অর্জিত বা ব্যয়িত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের অংশ ১৪ এর সংশোধন

১২৫। উক্ত আইনের অংশ ১৪ এর- (ক) শিরোনামে উল্লিখিত “বকেয়া” শব্দের পরিবর্তে “আয়কর” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে; (খ) প্রথম অধ্যায়ের শিরোনামে উল্লিখিত “বকেয়া কর” শব্দগুলির পরিবর্তে “আয়কর” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২১৫ এর সংশোধন

১২৬। উক্ত আইনের ধারা ২১৫ এর- (ক) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “বকেয়া” শব্দ বিলুপ্ত হইবে; (খ) উপ-ধারা (৩) নিম্নরূপ উপ-ধারা (৩) দ্বারা প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(৩) এই আইন বা অন্য আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধারা ১৭০ক এর উপ-ধারা (৪) ও (৫) এ বর্ণিত ক্ষেত্র ব্যতীত, করদাতার প্রত্যর্পণ প্রদর্শনপূর্বক দাখিলকৃত রিটার্ন ধারা ১৮০-তে স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে নিষ্পন্ন হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে উপকর কমিশনার ১২০ (একশত বিশ) দিনের মধ্যে রিটার্ন প্রসেস (process) সম্পন্ন করিবেন এবং ইহার ফলস্বরূপ প্রত্যর্পণ সৃষ্টি হইলে উক্ত প্রত্যর্পণ করদাতার রিটার্নে উল্লিখিত ব্যাংক হিসাবে ইলেক্ট্রনিক ট্রান্সফার করিবেন, অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে, করদাতার অনলাইনে দাখিলকৃত প্রত্যর্পণ আবেদনপত্রে উল্লিখিত ব্যাংক হিসাবে আবেদনের তারিখ হইতে ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে ইলেক্ট্রনিক ট্রান্সফারের মাধ্যমে প্রত্যর্পণ করিবেন।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২১৮ এর সংশোধন

১২৭। উক্ত আইনের ধারা ২১৮ এর উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “ইন্টিমেশন প্রদান” শব্দগুলির পরিবর্তে “অবহিত” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২২০ এর সংশোধন

১২৮। উক্ত আইনের ধারা ২২০ এর উপ-ধারা (৪) এর প্রান্তঃস্থিত “।” দাঁড়ি চিহ্নের পরিবর্তে “:”কোলন চিহ্ন প্রতিস্থাপিত হইবে এবং অতঃপর নিম্নরূপ নূতন শর্তাংশ সংযোজিত হইবে, যথা:- “তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারার কার্যক্রম গ্রহণের পূর্বে ধারা ২১৬, ধারা ২১৭ ও ধারা ২২১ এর কার্যক্রম সম্পন্ন করিতে হইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২২৬ এর প্রতিস্থাপন

১২৯। উক্ত আইনের ধারা ২২৬ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ২২৬ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “২২৬। প্রত্যর্পণ দাবি ও প্রদান।-এই আইনের অধীন কোনো আদেশ বা কার্যক্রমের ফলে কোনো অঙ্ক প্রত্যর্পণযোগ্য হইলে উক্ত প্রত্যর্পণযোগ্য অঙ্ক করদাতার ব্যাংক হিসাবে ধারা ২১৫ এ উল্লিখিত সময়ে ও পদ্ধতিতে ইলেক্ট্রনিক ট্রান্সফার না হইলে করদাতা কর কমিশনার, বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, বোর্ডকে তাহা অবহিত করিবেন এবং যথাসময়ে ও পদ্ধতিতে কর প্রত্যর্পণ প্রদান না করিলে তাহা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা কর্মকর্তাদের জন্য অসদাচরণ হিসাবে গণ্য হইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২৩৩ এর সংশোধন

১৩০। উক্ত আইনের ধারা ২৩৩ এর­ দফা (৫) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (৫) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(৫) “আন্তর্জাতিক লেনদেন” অর্থ কোনো সহযোগী প্রতিষ্ঠানদ্বয়ের মধ্যে, যাহার কোনো একটি বা উভয়ই অনিবাসী, ট্যানজিবল (tangible) বা স্পর্শাতীত (intangible) সম্পত্তি ক্রয়, বিক্রয় বা লিজ বা বিনিময়, অথবা সেবা বা ট্যানজিবল বা স্পর্শাতীত সম্পত্তি ক্রয়, বিক্রয় বা লিজ অথবা সেবা বিনিময়, বা অর্থ ধার দেওয়া বা নেওয়ার মাধ্যমে সৃষ্ট কোনো লেনদেন, অথবা উক্ত প্রতিষ্ঠানদ্বয়ের মুনাফা, আয়, লোকসান, পরিসম্পদ, আর্থিক অবস্থান বা অর্থনৈতিক মূল্যের সহিত সম্পর্কিত অন্য কোনো লেনদেনকে বুঝাইবে, এবং এর অন্তর্ভুক্ত হইবে খ এর সহিত গ এর কোনো লেনদেন যদি উক্ত লেনদেনের উপর ক এর কর্তৃত্ব থাকে, যেইক্ষেত্রে- (ক) ক ও খ সহযোগী প্রতিষ্ঠান; এবং (খ) খ, গ এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান নহে;”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২৫০ এর সংশোধন

১৩১। উক্ত আইনের ধারা ২৫০ এ উল্লিখিত “আপিল যুগ্ম কমিশনার” শব্দগুলির পরিবর্তে “অতিরিক্ত কর কমিশনার (আপিল)” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২৫২ এর সংশোধন

১৩২। উক্ত আইনের ধারা ২৫২ এর উপ-ধারা (৪) এর- (ক) দফা (ক) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (ক) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- ‍“(ক) অভিভাবক, ব্যবস্থাপক, ট্রাস্টি, সেবায়েত, মতোয়াল্লি বা আর্থিক সংশ্লেষ রহিয়াছে এইরূপ যেকোনো ব্যক্তি, যিনি কোনো নাবালক, অপ্রকৃতিস্থ, নির্বোধ অথবা, আয় অর্জন, সম্পদ ধারণ বা অধিকার গ্রহণ করিতে সক্ষম এইরূপ যেকোনো সম্পদ বা স্থাপনার জন্য বা তাহার পক্ষে বা তাহার কল্যাণে কোনো আয় গ্রহণ করেন বা গ্রহণের অধিকারী হন, তিনি উক্ত আয়ের জন্য প্রতিনিধি হিসাবে গণ্য হইবেন;”; (খ) দফা (ঘ) এর প্রান্তস্থিত “।” দাঁড়ি চিহ্নের পর “;” সেমিকোলন চিহ্ন প্রতিস্থাপিত হইবে এবং অতঃপর নিম্নরূপ নূতন দফা (ঙ) ও (চ) সংযোজিত হইবে, যথা:- “(ঙ) কোনো করদাতা মৃত্যুবরণ করিলে এবং তাহার বৈধ ওয়ারিশগণের মধ্যে করদাতার সম্পদ বণ্টন না হইয়া থাকিলে, তাহার বৈধ ওয়ারিশগণের ঐকমত্যের ভিত্তিতে অথবা উপকর কমিশনার কর্তৃক মনোনয়নের ভিত্তিতে উক্ত ওয়ারিশগণের যেকোনো একজন মৃত করদাতার আয়ের জন্য ‘প্রতিনিধি’ হিসাবে গণ্য হইবেন; (চ) কোনো করদাতা রিটার্ন পূরণে অসমর্থ হইলে বা করদাতার সন্ধান না পাওয়া গেলে তাহার বৈধ ওয়ারিশগণের ঐকমত্যের ভিত্তিতে অথবা উপকর কমিশনার কর্তৃক মনোনয়নের ভিত্তিতে উক্ত ওয়ারিশগণের যেকোনো একজন উল্লিখিত করদাতার আয়ের জন্য প্রতিনিধি হিসাবে গণ্য হইবেন।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২৫৩ এর সংশোধন

১৩৩। উক্ত আইনের ধারা ২৫৩ এর- (ক) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “অনিবাসীর” শব্দের পরিবর্তে “অনিবাসী বা রিটার্ন দাখিলে অসমর্থ বা নিরুদ্দেশ নিবাসী করদাতার” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে; (খ) উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) এর- (অ) উপ-দফা (অ)-তে উল্লিখিত “অনিবাসীর” শব্দের পর “বা রিটার্ন দাখিলে অসমর্থ বা নিরুদ্দেশ নিবাসী করদাতার” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে; (আ) উপ-দফা (আ)-তে উল্লিখিত “অনিবাসীর” শব্দের পর “বা রিটার্ন দাখিলে অসমর্থ বা নিরুদ্দেশ নিবাসী করদাতার” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে; (ই) উপ-দফা (ই)-তে উল্লিখিত “অনিবাসীর” শব্দের পর “বা রিটার্ন দাখিলে অসমর্থ বা নিরুদ্দেশ নিবাসী করদাতার” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে; (ঈ) উপ-দফা (ঈ)-তে উল্লিখিত “অনিবাসীর” শব্দের পর “বা রিটার্ন দাখিলে অসমর্থ বা নিরুদ্দেশ নিবাসী করদাতার” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে; (উ) উপ-দফা (উ)-তে উল্লিখিত “অনিবাসী” শব্দের পর “বা রিটার্ন দাখিলে অসমর্থ বা নিরুদ্দেশ নিবাসী করদাতা” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২৫৪ এর সংশোধন

১৩৪। উক্ত আইনের ধারা ২৫৪ এর- (ক) উপান্তটিকায় উল্লিখিত “প্রতিনিধির” শব্দের পরিবর্তে “প্রতিনিধি বা এজেন্টের” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে; (খ) উপ-ধারা (১) এ দুইবার উল্লিখিত “প্রতিনিধি” শব্দের পর “বা এজেন্ট” শব্দগুলি এবং “২৫২” সংখ্যার পর “বা ধারা ২৫৩” শব্দগুলি ও সংখ্যা সন্নিবেশিত হইবে; (গ) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত “প্রতিনিধি” শব্দের পর “বা এজেন্ট” শব্দগুলি এবং “২৫২” সংখ্যার পর “বা ধারা ২৫৩” শব্দগুলি ও সংখ্যা সন্নিবেশিত হইবে; (ঘ) উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত- (অ) “প্রতিনিধির” শব্দের পরিবর্তে “প্রতিনিধি বা এজেন্টের” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে; (আ) “প্রতিনিধি” শব্দের পর “বা এজেন্টে” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে; (ই) “ব্যক্তি” শব্দের পরিবর্তে “এজেন্ট” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২৫৬ এর সংশোধন

১৩৫। উক্ত আইনের ধারা ২৫৬ এর উপ-ধারা (২) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-ধারা (৩) সংযোজিত হইবে, যথা:- “(৩) আরজেএসসি (Registrar of Joint Stock Companies And Firms) এ নিবন্ধিত কোনো অংশীদারি ফার্ম কর্তৃক উপকর কমিশনার ইস্যুকৃত ট্যাক্স ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দাখিল সাপেক্ষে আরজেএসসি এর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উক্ত ফার্মের বিলুপ্তি (dissolve) এর আদেশ প্রদান করিবেন।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২৬০ এর সংশোধন

১৩৬। উক্ত আইনের ধারা ২৬০ এর উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “ব্যবসা হইতে আয়” শব্দগুলির পরিবর্তে পর “ব্যবসা বা পেশা” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২৬৩ এর সংশোধন

১৩৭। উক্ত আইনের ধারা ২৬৩ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ২৬৩ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “২৬৩। উইথহোল্ডার শনাক্তকরণ নম্বর (ডব্লিউআইএন)।-(১) এই আইনের অংশ ৭ এর অধীন যাহাদের কর কর্তন বা আদায় করিবার বাধ্যবাধকতা রহিয়াছে, তাহাদের উইথহোল্ডার শনাক্তকরণ নম্বর (ডব্লিউআইএন) থাকিতে হইবে এবং এইরূপ প্রত্যেক ব্যক্তির করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) হইবে উইথহোল্ডার শনাক্তকরণ নম্বর (ডব্লিউআইএন)। (২) এই আইনের অংশ ৭ এর অধীন কর কর্তন বা আদায় করিবার বাধ্যবাধকতা রহিয়াছে এইরূপ ব্যক্তি যাহার করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) গ্রহণের বাধ্যবাধকতা নাই সেইক্ষেত্রে বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে উইথহোল্ডার শনাক্তকরণ নম্বর (ডব্লিউআইএন) প্রদান করা যাইবে। (৩) যেক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তির উইথহোল্ডার শনাক্তকরণ নম্বর (ডব্লিউআইএন) গ্রহণ করিবার বাধ্যবাধকতা রহিয়াছে, কিন্তু এইরূপ ব্যক্তি করদাতা সনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) না থাকিবার কারণে তাহা গ্রহণ করিতে ব্যর্থ হইয়াছে, সেইক্ষেত্রে বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে উক্ত ব্যক্তিকে একটি অস্থায়ী উইথহোল্ডার নম্বর (টিডব্লিউআইএন) প্রদান করা যাইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২৬৪ এর সংশোধন

১৩৮। উক্ত আইনের ধারা ২৬৪ এর উপ-ধারা (৩) এর— (ক) দফা (২) এ উল্লিখিত “কোম্পানির” শব্দের পূর্বে “নিবাসী করদাতা কর্তৃক কোনো” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে; (খ) দফা (২৩) এ উল্লিখিত “পৌরসভা” শব্দের পূর্বে “ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে, এবং” চিহ্ন, শব্দগুলি ও কমা সন্নিবেশিত হইবে; (গ) দফা (৩৯) এর পর নিম্নরূপ নূতন দফা (৪০) সংযোজিত হইবে, যথা:- “৪০। ধারা ১৬৬ এর উপ-ধারা (২) এর ব্যতিক্রম সাপেক্ষে রিটার্ন দাখিলে বাধ্যবাধকতা রহিয়াছে এইরূপ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন নবায়নকালে;”; (ঘ) শর্তাংশের দফা (১০) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (১০) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “১০। ত্রি-চক্র মোটরযান, ১৫০ সিসি বা তদূর্ধ্ব সিসির মোটরসাইকেল এর নিবন্ধন, মালিকানা পরিবর্তন বা ফিটনেস নবায়নকালে;”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২৬৫ এর সংশোধন

১৩৯। উক্ত আইনের ধারা ২৬৫ এর উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “ব্যবসা” শব্দের পর “বা পেশা” শব্দগুলি এবং “তিনি” শব্দের পর “সর্বশেষ করবর্ষের” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে­।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২৮৬ এর সংশোধন

১৪০। উক্ত আইনের ধারা ২৮৬ এর- (ক) উপ-ধারা (১) এর দফা (গ) এ উল্লিখিত “ক্ষতির” শব্দের পরিবর্তে “লোকসানের” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে। (খ) উপ-ধারা (৫) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৫) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(৫) কর নিরূপণ আদেশের বিরুদ্ধে কোনো আপিল করা যাইবে না, যদি উপকর কমিশনারের আদেশের ভিত্তিতে ধার্যকৃত কর এবং করদাতার স্বীকৃত করদায়ের মধ্যকার যে পার্থক্য হইবে, তাহার ১% (এক শতাংশ) কর পরিশোধ করা না হইয়া থাকে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২৮৯ এর সংশোধন

১৪১। উক্ত আইনের ধারা ২৮৯ এর- (ক) উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (ক) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(ক) কর নির্ধারণী আদেশের ক্ষেত্রে, সংশ্লিষ্ট কর নির্ধারণ চূড়ান্তকরণ (confirm), হ্রাস (reduce), বর্ধিত (enhance), সেট-এসাইড (set-aside) বা বাতিল (annul) করিতে পারিবে;” (খ) উপ-ধারা (১) এর দফা (খ) এ উল্লিখিত “নাকচ” শব্দের পরিবর্তে “সেট-এসাইড (set-aside)” চিহ্নগুলি, বন্ধনী ও শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে এবং “ভিন্ন পন্থায়” শব্দগুলি বিলুপ্ত হইবে; (গ) উপ-ধারা (১) এর দফা (গ) এ উল্লিখিত “কর্তৃপক্ষ” শব্দ বিলুপ্ত হইবে; (ঘ) উপ-ধারা (২) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (২) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(২) ধারা ৩৩৫ এর বিধানাবলি অনুসারে করদাতার উপর নোটিশ জারি করা হয় নাই মর্মে আপিল আয়কর কর্তৃপক্ষ এর নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে, নোটিশ জারি না হওয়ার বিষয়ে পর্যবেক্ষণ উল্লেখসহ কোনো কর নির্ধারণী বা জরিমানা আরোপের আদেশ সেট-এসাইড (set-aside) করা যাইবে; তবে ধারা ৩৩৫ এর উপ-ধারা (৪) এর শর্ত পরিপালিত হইলে, সেট-এসাইড (set-aside) আদেশ প্রদান করা যাইবে না।”; (ঙ) উপ-ধারা (৫) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৫) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- ৫) যেক্ষেত্রে কোনো আপিল মামলার ফলে কোনো ফার্ম বা ব্যক্তিসংঘের কর নির্ধারণী আদেশে কোনো পরিবর্তন আনীত হয়, সেইক্ষেত্রে আপিল আয়কর কর্তৃপক্ষ ফার্মের অংশীদার বা ব্যক্তিসংঘের সদস্যদের আয়কর নির্ধারণীতে সেই অনুযায়ী সংশোধনী আনয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট উপকর কমিশনারকে নির্দেশ প্রদানপূর্বক আদেশ জারি করিবেন।”; (চ) উপ-ধারা (৬) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৬) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- ৬) কোনো আপিল মামলা নিষ্পত্তির পর আপিল আয়কর কর্তৃপক্ষ আদেশ জারির ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে উক্ত আদেশের কপি উপকর কমিশনার, সংশ্লিষ্ট পরিদর্শী অতিরিক্ত কর কমিশনার এবং কর কমিশনারকে প্রেরণ করিবে।”; (ছ) উপ-ধারা (৭) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৭) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- ৭) এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো আপিল যে তারিখে দায়ের করা হইয়াছিল, সেই তারিখের সংশ্লিষ্ট মাস সমাপ্তির পরবর্তী ১৫০ (একশত পঞ্চাশ) দিনের মধ্যে আপিল আয়কর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আদেশ প্রদানে ব্যর্থতায়, আপিলটি অনুমোদিত ও তদনুযায়ী নিষ্পত্তিকৃত মর্মে গণ্য হইবে।”; (জ) উপ-ধারা (৭) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-ধারা (৮) সংযোজিত হইবে, যথা:- “(৮) যেক্ষেত্রে আপিলকারীর নিকট প্রতীয়মান হয় যে, আপিল আয়কর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আপিল নিষ্পত্তিকালে উপ-ধারা (৩) এবং (৪) এর বিধান পরিপালন হয় নাই সেইক্ষেত্রে, তিনি ধারা ৩৩০ অনুযায়ী ত্রুটি সংশোধনের আবেদন করিতে পারিবেন।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২৯০ এর সংশোধন

১৪২। উক্ত আইনের ধারা ২৯০ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ২৯০ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “২৯০। ট্যাক্স রিকোভারি অফিসারের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল।-ধারা ২১৭ এর অধীন ট্যাক্স রিকোভারি অফিসারের জারীকৃত আদেশে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আদেশটি জারির ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে এই মর্মে সংশ্লিষ্ট কর কমিশনারের নিকট এই ধারার অধীন আপিল করিতে পারিবেন, এবং এইরূপ আপিলের ক্ষেত্রে, এই ধারার অধীন কর কমিশনারের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২৯১ এর সংশোধন

১৪৩। উক্ত আইনের ধারা ২৯১ এর- (ক) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত “স্বীকৃত করদায়ের মধ্যকার যে পার্থক্য হইবে, তাহার ১০% (দশ শতাংশ)” শব্দগুলি, সংখ্যা, কমা, ও চিহ্নের পরিবর্তে “করদাতার স্বীকৃত করদায়ের মধ্যকার যে পার্থক্য হইবে, তাহার ৩% (তিন শতাংশ)” শব্দগুলি, সংখ্যা, কমা, ও চিহ্ন প্রতিস্থাপিত হইবে; (খ) উপ-ধারা (৩) বিলুপ্তি হইবে; (গ) উপ-ধারা (৫) এ উল্লিখিত “(৩)” সংখ্যা ও বন্ধনীর পরিবর্তে “(৪)” সংখ্যা ও বন্ধনী প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২৯২ এর সংশোধন

১৪৪। উক্ত আইনের ধারা ২৯২ এর- (ক) উপ-ধারা (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(১) আপিল ট্রাইব্যুনাল আপিল মামলার উভয় পক্ষকে শুনানির সুযোগ প্রদানের পর আপিলটি নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে আপিলের বিষয়বস্তু, তৎসম্পর্কিত সিদ্ধান্ত ও সিদ্ধান্তের সমর্থনে যথাযথ কারণসমূহ উল্লেখপূর্বক আদেশ প্রদান করিবেন এবং ধারা ৩৩৫ এর উপ-ধারা (৪) এর প্রযোজ্যতা নিশ্চিতপূর্বক সেট-এসাইড (set aside) আদেশ প্রদান করিবেন।”; (খ) উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত “আপিল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক আনীত উক্ত পরিবর্তন মোতাবেক উপকর কমিশনারকে উক্ত ফার্মের অংশীদার বা ব্যক্তিসংঘের সংশ্লিষ্ট কর নির্ধারণী সংশোধনের নির্দেশ প্রদান করিবে” শব্দগুলির পরিবর্তে “আপিল ট্রাইব্যুনাল, ফার্মের অংশীদার বা ব্যক্তিসংঘের সদস্যদের আয়কর নির্ধারণীতে সেই অনুযায়ী সংশোধনী আনয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট উপকর কমিশনারকে নির্দেশ প্রদানপূর্বক আদেশ জারি করিবে” শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত হইবে; (গ) উপ-ধারা (৪) এ উল্লিখিত “আপিলকারীকে এবং কমিশনারকে অবহিত” শব্দগুলির পরিবর্তে “আপিলকারী, উপকর কমিশনার এবং কর কমিশনারকে প্রেরণ” শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত হইবে; (ঘ) উপ-ধারা (৬) এ উল্লিখিত “হইয়াছে মর্মে গণ্য করা” শব্দগুলির পরিবর্তে “ও তদনুযায়ী নিষ্পত্তিকৃত মর্মে গণ্য” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে; (ঙ) উপ-ধারা (৬) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-ধারা (৭) সংযোজিত হইবে, যথা:- (৭) যেক্ষেত্রে, আপিলকারীর নিকট প্রতীয়মান হয় যে, আপিল ট্রাইবুনাল কর্তৃক আপিল নিষ্পত্তিকালে উপ-ধারা (১) এর বিধান পরিপালন হয় নাই সেইক্ষেত্রে, তিনি এই আইনের ধারা ৩৩০ অনুযায়ী ত্রুটি সংশোধনের আবেদন করিতে পারিবেন।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২৯৩ এর সংশোধন

১৪৫। উক্ত আইনের ধারা ২৯৩ এর- (ক) উপ-ধারা (১) এর দফা (খ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (খ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(খ) কর আপিল ট্রাইব্যুনালের আদেশের ভিত্তিতে নির্ধারিত কর এবং করদাতার স্বীকৃত করদায়ের মধ্যকার পার্থক্যের সমপরিমাণ অর্থের ১০% (দশ শতাংশ) করদাতা কর্তৃক পরিশোধ না করা হয়;”; (খ) উপ-ধারা (১) এর দফা (গ) বিলুপ্ত হইবে; (গ) উপ-ধারা (২) বিলুপ্ত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২৯৭ এর সংশোধন

১৪৬। উক্ত আইনের ধারা ২৯৭ এ উল্লিখিত “আপিল ট্রাইব্যুনাল” শব্দগুলির পরিবর্তে “আপিল ট্রাইব্যুনালে নিষ্পন্নাধীন কর নিরূপণ সংক্রান্ত বিরোধ বা আপিল ট্রাইবুনালের আদেশ পরবর্তী পর্যায়ে” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২৯৮ এর সংশোধন

১৪৭। উক্ত আইনের ধারা ২৯৮ এর উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “আপিল ট্রাইব্যুনাল” শব্দগুলির পরিবর্তে “আপিল ট্রাইব্যুনালে নিষ্পন্নাধীন বিরোধ বা আপিল ট্রাইবুনালের আদেশ পরবর্তী পর্যায়ে” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৩০৪ এর সংশোধন

১৪৮। উক্ত আইনের ধারা ৩০৪ এর- (ক) উপ-ধারা (১) উল্লিখিত “উক্তকমত্য” শব্দের পরিবর্তে “ঐকমত্য পোষণ করেন অথবা প্রয়োজনে বিরোধপূর্ণ আইনি বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মতামত গ্রহণ সাপেক্ষে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ঐকমত্য” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে; (খ) উপ-ধারা (৩) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৩) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(৩) উক্ত মতৈক্যের রেকর্ডে যেকোনো প্রদেয় বা প্রত্যর্পনযোগ্য কর এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ও উপযুক্ত বিষয়াদিসহ মতৈক্যের শর্তাবলির বর্ণনা থাকিবে, এবং মতৈক্যের ভিত্তিতে ন্যায্য পাওনা পরিশোধের তারিখ, পদ্ধতি এবং সহায়তাকারী যেইরূপ উপযুক্ত বিবেচনা করিবেন সেইরূপ অন্যান্য বিষয়েরও উল্লেখ থাকিবে এবং মতৈক্যের ভিত্তিতে ন্যায্য পাওনা পরিশোধের মেয়াদকাল, পরিশোধের অঙ্কের উপর ভিত্তি করিয়া সর্বোচ্চ ৬ (ছয়) মাস পর্যন্ত হইবে;” ।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৩০৫ এর সংশোধন

১৪৯। উক্ত আইনের ধারা ৩০৫ এর উপ-ধারা (১) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-ধারা (১ক) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:- “(১ক) মতৈক্যের ভিত্তিতে প্রস্তুতকৃত চুক্তিপত্র অনুযায়ী ন্যায্য পাওনা পরিশোধের তারিখ অতিক্রান্ত হইলে, উপকর কমিশনার কর আদায়ের কার্যক্রম হিসাবে সরাসরি ধারা ২১৬ এর বিধান প্রয়োগ করাসহ ধারা ২৭৫ এর অধীন জরিমানার কার্যক্রম গ্রহণ করিবে ”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৩২৪ এর সংশোধন

১৫০। উক্ত আইনের ধারা ৩২৪ এর প্রান্তস্থিত “।” চিহ্নের পরিবর্তে “:” চিহ্ন প্রতিস্থাপিত হইবে এবং অতঃপর নিম্নরূপ শর্তাংশ সংযোজিত হইবে, যথা:- “তবে শর্ত থাকে যে, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল অথবা আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট কর্তৃক- (ক) দাখিলকৃত তদন্ত প্রতিবেদনে এই আইনের অংশ ২২ এ উল্লিখিত ফৌজদারি অপরাধ ও বিচার সংক্রান্ত মামলার সুপারিশ থাকিলে এবং উক্ত তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে উপকর কমিশনার কর্তৃক প্রণীত কর নির্ধারণ আদেশে এই আইনের অংশ ২২ এ উল্লিখিত কোনো ফৌজদারি অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে বলিয়া প্রমাণিত হইলে, সংশ্লিষ্ট উপকর কমিশনার এই ধারায় কর কমিশনারের অনুমোদনপূর্বক ফৌজদারি অপরাধ সংঘটন সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করিতে পারিবেন; (খ) দাখিলকৃত তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে উপকর কমিশনার কর্তৃক প্রণীত কর নির্ধারণ আদেশে এই আইনের অংশ ২২ এ উল্লিখিত কোনো ফৌজদারি অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে বলিয়া প্রমাণিত হইলে, এবং সংশ্লিষ্ট উপকর কমিশনার শর্ত (ক) এর আওতায় কার্যক্রম গ্রহণ না করিলে মহাপরিচালক, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল অথবা কর কমিশনার, আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট কর্তৃক এই ধারায় কার্যক্রম গ্রহণের প্রস্তাবনার অনুমোদন প্রদান করিতে পারিবেন।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৩৩০ এর সংশোধন

১৫১। উক্ত আইনের ধারা ৩৩০- (ক) এর উপ-ধারা (২) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (২) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(২) যেক্ষেত্রে কোনো করদাতা, কোনো করবর্ষের ক্ষেত্রে লিখিত আবেদন দ্বারা, আয়কর কর্তৃপক্ষ বা আপিল ট্রাইব্যুনালের জারীকৃত আদেশের ত্রুটি সংশোধনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আয়কর কর্তৃপক্ষ বা আপিল ট্রাইব্যুনালের নিকট এই মর্মে দাবি উত্থাপন করেন যে, উক্ত আদেশে এই আইনের অধীন- (ক) এই ধারার ব্যাখ্যা অংশে উল্লিখিত কোনো ত্রুটি সংঘটিত হইয়াছে; বা (খ) প্রদেয় করের তুলনায় অতিরিক্ত অঙ্ক পরিশোধ করা হইয়াছে; বা (গ) করদাতা কর্তৃক পরিশোধিত কর বা করের কোনো অংশ ক্রেডিট প্রদান করা হয় নাই, সেইক্ষেত্রে আয়কর কর্তৃপক্ষ বা আপিল ট্রাইব্যুনাল করদাতার দাবির বৈধতা এবং সঠিকতা যাচাই করিয়া প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ত্রুটি সংশোধনপূর্বক আদেশ প্রদান করিবেন।”; (খ) উপ-ধারা (৬) এর পর নিম্নরূপ নূতন ব্যাখ্যা সংযোজিত হইবে, যথা:- “ব্যাখ্যা।-এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, “ত্রুটি” অর্থ আয়কর কর্তৃপক্ষ বা আপিল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জারীকৃত আদেশে করদাতার দাখিলকৃত অথবা প্রাপ্ত রেকর্ড হইতে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় এইরূপ কোনো গাণিতিক ত্রুটি, করণিক ত্রুটি বা তথ্যগত ত্রুটি।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৩৩৪ এর সংশোধন

১৫২। উক্ত আইনের ধারা ৩৩৪ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৩৩৪ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “৩৩৪। সময়সীমা বৃদ্ধি বা তামাদি প্রমার্জনের ক্ষমতা।-এই আইনের অন্য কোনো বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যেক্ষেত্রে মহামারী, অতিমারী, দৈব দুর্বিপাক ও যুদ্ধকালীন সময় বিদ্যমান বলিয়া সরকারের ঘোষণা বা আদেশ রহিয়াছে সেইক্ষেত্রে বোর্ড, জনস্বার্থে, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, আদেশ জারির মাধ্যমে, এই আইনের কোনো বিধান পরিপালনের সময়সীমা প্রমার্জন করিতে পারিবে বা পরিপালনের সময়সীমা বৃদ্ধি করিতে পারিবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের দ্বিতীয় তফসিলের সংশোধন

১৫৩। উক্ত আইনের দ্বিতীয় তফসিলের অংশ ৩ এর অনুচ্ছেদ (১২) এর দফা (জ) এর উপ-দফা (অ) পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-দফা (অ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(অ) কোনো কোম্পানি, ফার্ম, ব্যক্তিসংঘ, কৃত্রিমসত্তা, কোনো হিন্দু অবিভক্ত পরিবার বা কোনো স্বাভাবিক ব্যক্তি যদি এইরূপ ব্যবসা বা পেশায় নিয়োজিত হয় যাহার মুনাফা বা অর্জন ‘ব্যবসা বা পেশা হইতে আয়’ খাতের অধীন কর নির্ধারিত হয়, তাহার এবং তাহার কর্মচারীদের কল্যাণে ভবিষ্য তহবিল পরিচালনা করে; অথবা”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের তৃতীয় তফসিলের সংশোধন

১৫৪। উক্ত আইনের তৃতীয় তফসিলের অংশ ১ এর- (ক) অনুচ্ছেদ (৩) এর দফা (১) এ উল্লিখিত “৩০ (ত্রিশ)” সংখ্যা, শব্দ ও বন্ধনীর পরিবর্তে “৬০ (ষাট)” সংখ্যা, শব্দ ও বন্ধনী প্রতিস্থাপিত হইবে; (খ) অনুচ্ছেদ (৩) দফা (৪) এর উপ-দফা (ক)-তে উল্লিখিত “ক্ষতি” শব্দের পরিবর্তে “লোকসান” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে; (গ) অনুচ্ছেদ (৬) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ অনুচ্ছেদ (৬) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “৬। যন্ত্রপাতি বা স্থাপনার উপর ত্বরান্বিত অবচয় ভাতা।-(১) যেইক্ষেত্রে যন্ত্রপাতি বা স্থাপনার আওতাভুক্ত কোনো পরিসম্পদ ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বাহিরে বাংলাদেশে অবস্থিত কোনো উৎপাদনমুখী শিল্প, পর্যটন বা ক্রীড়া ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, সেইক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদে বর্ণিত সীমা ও শর্তাবলি সাপেক্ষে, দফা (৩) এ উল্লিখিত হারে ত্বরান্বিত অবচয় ভাতা অনুমোদিত হইবে। (২) শিল্প স্থাপনাটির বাণিজ্যিক উৎপাদন বা বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরুর বৎসর হইতে ২ (দুই) বৎসর পর্যন্ত ত্বরান্বিত অবচয় ভাতা অনুমোদিত হইবে। (৩) সংশ্লিষ্ট পরিসম্পদের ক্রয়মূল্যের উপর নিম্নবর্ণিত সারণিতে উল্লিখিত হারে ত্বরান্বিত অবচয় পরিগণনা করা হইবে, যথা:- সারণি

(১)

(২)

(৩)

১।

প্রথমআয়বর্ষ

৬০%

২।

দ্বিতীয়আয়বর্ষ

৪০%

(৪) নিম্নবর্ণিত শর্তাবলি, সীমা ও যোগ্যতা সাপেক্ষে, ত্বরান্বিত অবচয় ভাতা অনুমোদিত হইবে, যথা:- (ক) সংশ্লিষ্ট পরিসম্পদ দফা (১) এ উল্লিখিত উৎপাদনমুখী, পর্যটন বা ক্রীড়া শিল্পের মালিকানাধীন এবং পূর্বে বাংলাদেশে ব্যবহৃত হয় নাই; (খ) উৎপাদনমুখী, পর্যটন বা ক্রীড়া শিল্পের মালিকানা ও ব্যবস্থাপনা- (অ) আপাতত বলবৎ কোনো আইন দ্বারা বা আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত কোনো বডি কর্পোরেট কর্তৃক পরিচালিত যাহার প্রধান কার্যালয় বাংলাদেশে অবস্থিত; বা (আ) কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ (১৯৯৪ সনের ১৮ নং আইন) এ সংজ্ঞায়িত কোনো কোম্পানি কর্তৃক পরিচালিত যাহার নিবন্ধিত কার্যালয় বাংলাদেশে অবস্থিত এবং বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর তারিখে যাহার অনুমোদিত ও পরিশোধিত মূলধন কমপক্ষে ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা; (গ) উৎপাদনমুখী, পর্যটন বা ক্রীড়া শিল্পটি- (অ) টিআইএনধারী; (আ) এই আইনের বিধানাবলি অনুসারে হিসাব সংরক্ষণ করে; (ই) স্বতন্ত্র ও পৃথকভাবে হিসাব সংরক্ষণ করে; (ঈ) এই আইনের বিধানাবলি অনুসারে রিটার্ন দাখিল করে; (ঘ) নিম্নবর্ণিত পদ্ধতি অনুসরণ করে, যথা:- (অ) বোর্ডের নিকট, বিধিবদ্ধ ফরম ও পদ্ধতিতে, বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর মাসের শেষ দিন হইতে ১২ (বারো) মাসের মধ্যে ত্বরান্বিত অবচয় ভাতার জন্য আবেদন করে; (আ) আবেদনপত্রের সহিত এই মর্মে একটি ঘোষণা সংযুক্ত করে যে, উৎপাদনমুখী, পর্যটন বা ক্রীড়া শিল্প এই আইনের কোনো ধারার অধীন কর অব্যাহতি পায় নাই, এবং কর অব্যাহতির জন্য বোর্ডের নিকট কোনো আবেদন করে নাই এবং করিবে না। (৫) কোনো আয়বর্ষে কোনো পরিসম্পদের ত্বরান্বিত অবচয় ভাতা অনুমোদিত হইলে উক্ত পরিসম্পদের অনুকূলে এই আইনের অধীন কোনো সাধারণ বা প্রারম্ভিক অবচয় ভাতা অনুমোদিত হইবে না।” (ঘ) অনুচ্ছেদ (৭) এর উপান্তটিকায় উল্লিখিত “ক্ষতি” শব্দের পরিবর্তে “লোকসান” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের চতুর্থ তফসিলের সংশোধন

১৫৫। উক্ত আইনের চতুর্থ তফসিলের- (ক) অনুচ্ছেদ (৪) এর দফা (খ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (খ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(খ) হিসাবের খাতাপত্রে অথবা অ্যাকচুয়ারি কর্তৃক মূল্যায়নকৃত স্থিতিপত্রে কোনো সিকিউরিটি বা অন্য কোনো সম্পত্তি বিক্রয় হইতে উদ্ভূত অবচয় (depreciation) বা লোকসান মিটাইবার জন্য যে কোনো পরিমাণ অর্থ অবলোপন অথবা সঞ্চিতি রাখিলে উহা বাদযোগ্য খরচ হিসাবে অনুমোদনযোগ্য হইবে এবং সিকিউরিটি বা অন্য কোনো সম্পত্তি বিক্রয় হইতে উদ্ভূত উপচয় (appreciation) বা মুনাফা হিসাবের খাতাপত্রে অথবা অ্যাকচুয়ারি কর্তৃক মূল্যায়নকৃত স্থিতিপত্রে ক্রেডিট করা হইলে তাহা উদ্বৃত্তের সহিত অন্তর্ভুক্ত করিতে হইবে:”; (খ) অনুচ্ছেদ (৬) এর দফা (১) এ উল্লিখিত “ক্ষতি” শব্দের পরিবর্তে “লোকসান” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে; (গ) অনুচ্ছেদ (৬) এর দফা (২) এ উল্লিখিত “ক্ষতি” শব্দের পরিবর্তে “লোকসান” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে; (ঘ) অনুচ্ছেদ (৬) এর দফা (৩) এ দুইবার উল্লিখিত “ক্ষতি” শব্দের পরিবর্তে “লোকসান” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে; (ঙ) অনুচ্ছেদ (৬) এর ব্যাখ্যাংশের দফা (ক)-তে দুইবার উল্লিখিত “ক্ষতি” শব্দের পরিবর্তে “লোকসান” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে; (চ) অনুচ্ছেদ (৯) এর দফা (ক)-তে উল্লিখিত “সর্বমোট বহিঃস্থ প্রাপ্তি” শব্দগুলির পরিবর্তে “সর্বমোট বাহ্যিক প্রাপ্তি (gross external incomings)” শব্দগুলি ও বন্ধনী প্রতিস্থাপিত হইবে এবং “বিক্রয়লব্ধ মুনাফা” শব্দগুলির পর “এবং পলিসি হোল্ডারগণকে প্রদত্ত বা প্রদেয় সুদ” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে; (ছ) অনুচ্ছেদ (৯) এর দফা (খ)-তে উল্লিখিত “ক্ষতিসমূহ” শব্দের পরিবর্তে “লোকসানসমূহ” শব্দ এবং “৪৮” সংখ্যার পরিবর্তে “৪৯” সংখ্যা প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের পঞ্চম তফসিলের সংশোধন

১৫৬। উক্ত আইনের পঞ্চম তফসিলের- (ক) শিরোনামে উল্লিখিত “খনিজ সম্পদের” শব্দগুলি বিলুপ্ত হইবে; (খ) অংশ ১ এর অনুচ্ছেদ (২) এর দফা (ক)-তে উল্লিখিত “ক্ষতি” শব্দের পরিবর্তে “লোকসান” শব্দ এবং “ক্ষতির” শব্দের পরিবর্তে “লোকসানের” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে; (গ) অংশ ১ এর অনুচ্ছেদ (২) এর দফা (ক) এর উপ-দফা (অ)-তে দুইবার উল্লিখিত “ক্ষতির” শব্দের পরিবর্তে “লোকসানের” শব্দ এবং দুইবার উল্লিখিত “ক্ষতি” শব্দের পরিবর্তে “লোকসান” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে; (ঘ) অংশ ১ এর অনুচ্ছেদ (২) এর দফা (ক) এর উপ-দফা (আ)-তে তিনবার উল্লিখিত “ক্ষতির” শব্দের পরিবর্তে “লোকসানের” শব্দ এবং দুইবার উল্লিখিত “ক্ষতি” শব্দের পরিবর্তে “লোকসান” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে; (ঙ) অংশ ১ এর অনুচ্ছেদ (২) এর দফা (খ)-তে উল্লিখিত “ক্ষতি” শব্দের পরিবর্তে “লোকসান” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে; (চ) অংশ ২ এর অনুচ্ছেদ (২) এর দফা (২) এ উল্লিখিত “ক্ষতি” শব্দের পরিবর্তে “লোকসান” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে; (ছ) অংশ ২ এর অনুচ্ছেদ (২) এর দফা (৩) এ তিনবার উল্লিখিত “ক্ষতি” শব্দের পরিবর্তে “লোকসান” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে; (জ) অংশ ২ এর অনুচ্ছেদ (২) এর দফা (৪) এর শর্তাংশে উল্লিখিত “ক্ষতি” শব্দের পরিবর্তে “লোকসান” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে; (ঝ) অংশ ২ এর অনুচ্ছেদ (৪) এর দফা (৪) এ উল্লিখিত “ক্ষতি” শব্দের পরিবর্তে “লোকসান” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ষষ্ঠ তফসিলের সংশোধন

১৫৭। উক্ত আইনের ষষ্ঠ তফসিলের- (ক) অংশ ১ এর অনুচ্ছেদ (১৯) এ উল্লিখিত “অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড” শব্দগুলির পর “(আর্থিক পরিসম্পদ হইতে আয় ব্যতীত)” শব্দগুলি ও বন্ধনী সন্নিবেশিত হইবে; (খ) অংশ ১ এর অনুচ্ছেদ (২১) এর দফা (থ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (থ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(থ) ফ্রি ল্যান্সিং (freelancing) ও কন্টেন্ট ক্রিয়েশন (Content Creation);” (গ) অংশ ১ এর অনুচ্ছেদ (২৪) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ অনুচ্ছেদ (২৪) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- (২৪) যেকোনো পণ্য উৎপাদনে জড়িত ক্ষুদ্র বা মাঝারি শিল্প হইতে উদ্ভূত আয়, যাহার- (ক) শিল্পটি নারী ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তি মালিকানাধীন হইলে, বাৎসরিক টার্নওভার অনধিক ৭০ (সত্তর) লক্ষ টাকা; (খ) অন্যান্য ক্ষেত্রে, বাৎসরিক টার্নওভার অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) লক্ষ টাকা: তবে শর্ত থাকে যে, উহা ক্ষুদ্র বা মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তা হিসাবে এসএমই ফাউণ্ডেশনে নিবন্ধিত হইতে হবে।”; (ঘ) অংশ ১ এ অনুচ্ছেদ (৩৬) এর প্রান্তঃস্থিত “।” দাঁড়ি চিহ্নের পরিবর্তে “;” সেমিকোলন চিহ্ন প্রতিস্থাপিত হইবে এবং অতঃপর নিম্নরূপ নূতন অনুচ্ছেদ (৩৭) সংযোজিত হইবে, যথা:- “(৩৭) গোষ্ঠী বিমা পলিসি হইতে কর্মচারী কর্তৃক প্রাপ্ত অর্থ বা সুবিধা, উহা যে নামেই অভিহিত হউক না কেন।”; (ঙ) অংশ ২ এর অনুচ্ছেদ (১) এর দফা (ঙ) এর পর নিম্নরূপ নূতন দফা (চ) সংযোজিত হইবে, যথা:- “(চ) সেন্টার ফর যাকাত ম্যানেজমেন্ট এ দানকৃত আয়;”; (চ) অংশ ৩ এর অনুচ্ছেদ (২) এর দফা (৫) এ উল্লিখিত “কোনো” শব্দের পর “স্বীকৃত” শব্দ সন্নিবেশিত হইবে; (ছ) অংশ ৩ এর অনুচ্ছেদ (৭) এর দফা (খ) এ উল্লিখিত “অনধিক ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা” শব্দগুলি ও বন্ধনীর পরিবর্তে “নতুন বিনিয়োগ” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে; (জ) অংশ ৩ এর অনুচ্ছেদ (৭) এর দফা (ঘ) এর প্রান্তস্থিত “।” দাঁড়ি চিহ্নের পরিবর্তে “:” কোলন চিহ্ন প্রতিস্থাপিত হইবে, এবং অতঃপর নিম্নরূপ শর্তাংশ সংযোজিত হইবে, যথা:- “তবে শর্ত থাকে যে, দফা (ক) ও (খ) এর আওতায় বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত প্রাপ্যতার ক্ষেত্রে বিনিয়োগের পূর্ণ মেয়াদকাল বিবেচিত হইবে, ইহার পূর্বে উক্ত বিনিয়োগ নগদায়ন করিলে নগদায়ন সংশ্লিষ্ট অর্থবৎসরে গৃহীত রেয়াতের অংশ অতিরিক্ত কর হিসাবে পরিশোধযোগ্য হইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের সপ্তম তফসিলের সংশোধন

১৫৮। উক্ত আইনের সপ্তম তফসিলের- (ক) অনুচ্ছেদ (১)- (অ) এ উল্লিখিত “এইরূপ আয়” শব্দগুলির পরিবর্তে “এইরূপ আয়ের উপর” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে; (আ) এর দফা (ঘ) এর পর নিম্নরূপ নূতন দফা (ঙ) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:- “(ঙ) ব্যবসায়িক পণ্য নহে এইরূপ ব্যক্তিগত স্বর্ণ, রৌপ্য, স্বর্ণালংকার, রৌপ্যালংকার, রত্ন-হীরক, ধাতব মুদ্রা ও মূল্যবান ধাতু বিক্রয় হতে প্রাপ্ত মূলধনী আয়ের উপর ৫% (পাঁচ শতাংশ)।”। (খ) অনুচ্ছেদ (২) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ অনুচ্ছেদ (২) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “২। ধারা ২ এর দফা (৮১) এ সংজ্ঞায়িত “লভ্যাংশ” হিসাবে পরিগণিত হয় এইরূপ আয় নিম্নবর্ণিতভাবে করারোপিত হইবে, যথা:- (ক) স্বাভাবিক ব্যক্তি কর্তৃক অর্জিত লভ্যাংশের উপর ১৫% (পনেরো শতাংশ); (খ) স্বাভাবিক ব্যক্তি ব্যতীত অন্যান্য করদাতা কর্তৃক অর্জিত লভ্যাংশের উপর ২০% (বিশ শতাংশ)”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের অষ্টম তফসিলের সংশোধন

১৫৯। উক্ত আইনের অষ্টম তফসিলের অংশ ২ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ অংশ ২ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “অংশ ২ স্টার্টআপ স্যান্ডবক্স ১। এই আইনের অধীন নিবন্ধিত কোনো স্টার্টআপের গ্রোথ বর্ষের “ব্যবসা বা পেশা হইতে আয়” নিরূপণের ক্ষেত্রে ধারা ৫৫ ও ধারা ৫৬ এর বিধান প্রযোজ্য হইবে না। ২। কোনো গ্রোথবর্ষে কোনো নিবন্ধিত স্টার্টআপ লোকসান করিলে এবং উক্ত লোকসান সংশ্লিষ্ট করবর্ষে সমন্বয় না করা গেলে পরবর্তী ৯ (নয়) বৎসর পর্যন্ত উহার জের টানা ও সমন্বয় করা যাইবে। উল্লেখ্য, নূতন বিনিয়োগ গ্রহণ করিলে বা স্টার্টআপ কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার পরিবর্তন হইলেও এই লোকসানের জের টানা ও সমন্বয় করা যাইবে। ৩। কোনো গ্রোথবর্ষে কোনো নিবন্ধিত স্টার্টআপের জন্য ধারা ১৬৩ এর উপ-ধারা (৬) এর অধীন টার্নওভার করহার ০% (শূন্য শতাংশ) হইবে। ৪। কোনো স্টার্টআপ তাহার সিস্টেমে বা হিসাবের খতিয়ানে আয়কর কর্তৃপক্ষকে পাঠযোগ্য (Read Only) ডিজিটাল প্রবেশাধিকার বা অ্যাকসেস প্রদান করিলে কেবল ধারা ১৬৬ এবং ধারা ১৭৭ এর অধীন রিটার্ন দাখিল ব্যতীত তাহার অন্য কোনো রিপোর্টিং এর বাধ্যবাধকতা থাকিবে না। ৫। কোনো স্টার্টআপকে স্যান্ডবক্সের সুবিধা গ্রহণ করিতে হইলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে নিবন্ধিত হইতে হইবে। ৬। উপযুক্ত কারণ প্রদর্শনপূর্বক শুনানির সুযোগ প্রদান সাপেক্ষে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড যেকোনো স্টার্টআপের নিবন্ধন বাতিল করিতে পারিবে। ৭। এই অংশের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে,- (ক) “গ্রোথবর্ষ (growth years)” অর্থ এই ধারার অধীন নিবন্ধিত স্টার্টআপের জন্য নিগমিত হইবার বৎসরের শেষ হইতে পরবর্তী ৯ (নয়) বৎসর; (খ) “ইনোভেশন” অর্থ এমন কোনো পণ্য, সেবা, প্রক্রিয়া, ব্যবসায়িক মডেল বা প্রযুক্তির উন্নয়ন বা উল্লেখযোগ্য পরিমার্জন যাহা পণ্য, সেবা, প্রক্রিয়া, ব্যবসায়িক মডেল বা প্রযুক্তির সক্ষমতা বা গুণগত মান বা উপযোগিতা বৃদ্ধি করে অথবা বিদ্যমান সমস্যার আরও দক্ষ এবং কার্যকর সমাধান প্রদান করে; (গ) “ডিপ টেক স্টার্টআপ (Deep Tech Startup)” অর্থ এইরূপ প্রতিষ্ঠান যাহা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) বা প্রযুক্তিনির্ভর আর্থিক সেবা (FinTech) বা তথ্য বা বৈজ্ঞানিক গবেষণা বা ইঞ্জিনিয়ারিং জ্ঞাননির্ভর এবং যাহার নিজস্ব বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ (Intellectual Property) রহিয়াছে; (ঘ) “স্টার্টআপ” অর্থে স্ট্যান্ডার্ড স্টার্টআপ (Standard Startup) বা ডিপ টেক স্টার্টআপ (Deep Tech Startup) কোম্পানি অন্তর্ভুক্ত হইবে যাহার বার্ষিক টার্নওভার কোনো অর্থবৎসরে ১০০ (একশত) কোটি টাকার ঊর্ধ্বে নহে এবং যাহা- (অ) কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ (১৯৯৪ সনের ১৮নং আইন) এর অধীন নিগমিত; এবং (আ) একীভূতকরণ বা ডিমার্জার স্কিমের অধীন সৃষ্ট কোনো কোম্পানি নহে। (ঙ) “স্ট্যান্ডার্ড স্টার্টআপ (Standard Startup)” অর্থ এইরূপ প্রতিষ্ঠান যাহা পণ্য, সেবা, প্রক্রিয়া, ব্যবসায়িক মডেল বা প্রযুক্তির উদ্ভাবন বা উন্নয়ন বা উৎকর্ষ সাধন কর্মে নিয়োজিত অথবা ব্যাপক কর্মসংস্থান অথবা সম্পদ সৃষ্টির সম্ভাবনা রহিয়াছে এইরূপ নূতন ব্যবসার মডেল দ্বারা পরিচালিত।”।

২০২৬-২০২৭ হইতে ২০৩০-২০৩১ করবর্ষের আয়কর, সারচার্জ ও কর রেয়াত

১৬০। (১) উপ-ধারা (৩) এর বিধানাবলি সাপেক্ষে, ২০২৬-২০২৭ হইতে ২০৩০-২০৩১ করবর্ষের জন্য কোনো কর নির্ধারণের ক্ষেত্রে এই আইনের তফসিল-২ এর প্রথম অংশে নির্দিষ্ট করহার অনুযায়ী আয়কর ধার্য হইবে। (২) যে সকল ক্ষেত্রে আয়কর আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ১২ নং আইন) এর তফসিল প্রযোজ্য হইবে, সেই সকল ক্ষেত্রে আরোপণযোগ্য কর উক্ত তফসিল অনুসারেই ধার্য করা হইবে, কিন্তু করহার নির্ধারণের ক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর বিধান প্রয়োগ করিতে হইবে। (৩) আয়কর আইন, ২০২৩ এর অংশ ৭ অনুসারে কর কর্তনের নিমিত্ত বর্ণিত হার বা অগ্রিম কর পরিশোধের হার ও কর পরিশোধের বিধানাবলী ২০২৬ সালের ১ জুলাই তারিখে আরদ্ধ আয়বর্ষ হইতে প্রযোজ্য হইবে। (৪) এই ধারায় এবং এই ধারার অধীন আরোপিত আয়কর হারের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত “মোট আয়” অর্থ আয়কর আইন, ২০২৩ এর বিধান অনুসারে নিরূপিত মোট আয়। (৫) আয়কর আইন, ২০২৩ এর আওতায় ২০২৬-২০২৭ হইতে ২০৩০-২০৩১ করবর্ষের জন্য কোনো কর নির্ধারণের ক্ষেত্রে তফসিল-২ এর দ্বিতীয় অংশে ও তৃতীয় অংশে নির্দিষ্ট হার অনুযায়ী সারচার্জ ধার্য হইবে। (৬) আয়কর আইন, ২০২৩ এর আওতায় ২০২৬ সনের ১ জুলাই হইতে আরদ্ধ করবর্ষের জন্য কোনো কর নির্ধারণের ক্ষেত্রে তফসিল-২ এর চতুর্থ অংশে নির্দিষ্ট হার অনুযায়ী কর রেয়াত প্রদান করা হইবে।

চতুর্থ অধ্যায় - কাস্টমস আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ৫৭ নং আইন) এর সংশোধন

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের ধারা ২ এর সংশোধন

১৬১। কাস্টমস আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ৫৭ নং আইন), অতঃপর উক্ত আইন বলিয়া উল্লিখিত, এর ধারা ২ এর- (ক) দফা (৫) এর পর নিম্নরূপ নতুন দফা (৫ক) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:- (৫ক) “ইমপোর্টার অন রেকর্ড (Importer on Record)” অর্থ এমন কোনো ব্যক্তি বা সত্ত্বা যিনি বাংলাদেশে অন্য কাহারো পক্ষে কোনো পণ্য আমদানি করেন এবং উক্ত পণ্য আমদানি সংক্রান্ত সকল কাস্টমস আনুষ্ঠানিকতা পরিপালনের জন্য দায়বদ্ধ হইবেন এবং আমদানির সময় হইতে কাস্টমস আনুষ্ঠানিকতা সমাপ্তির পূর্ব পর্যন্ত উহার দখল বা স্বত্ব সংরক্ষণের অধিকার রাখেন;”; (খ) দফা (৩২) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (৩২) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- (৩২) “পণ্যের শ্রেণিবিন্যাস (H.S. Classification)” অর্থ International Convention on the Harmonized Commodity Description and Coding System অনুসরণপূর্বক প্রণীত, এই আইনের প্রথম তফসিল অনুযায়ী পণ্যের শ্রেণিবিন্যাস;”; (গ) দফা (৩২) এর পর নিম্নরূপ নতুন দফা (৩২ক) ও (৩২খ) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:- “(৩২ক) “মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল (Free Trade Zone)” অর্থ ধারা ১৩৪ক এর অধীন মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল (Free Trade Zone) হিসাবে ঘোষিত কোনো স্থান; (৩২খ) “মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল অপারেটর (Free Trade Zone Operator)” অর্থ ধারা ১৩৪গ এর অধীন মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল অপারেটর (Free Trade Zone Operator) হিসাবে লাইসেন্সপ্রাপ্ত কোনো অপারেটর;”।

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের ধারা ৪ এর সংশোধন

১৬২। উক্ত আইনের ধারা ৪ এর দফা (ণ), (ত) ও (থ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (ণ), (ত) ও (থ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(ণ) রেভিনিউ অফিসার অব কাস্টমস; (ত) এসিস্ট্যান্ট রেভিনিউ অফিসার অব কাস্টমস; এবং (থ) এসিস্ট্যান্ট রেভিনিউ অফিসার অব কাস্টমস পর্যায়ের নিম্নে নহে এইরূপ অন্য যে কোনো পদবীর কাস্টমস কর্মকর্তা।”।

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের ধারা ৩০ এর সংশোধন

১৬৩। উক্ত আইনের ধারা ৩০ এর উপান্তটীকা উল্লিখিত “, মূল্য” কমা ও শব্দ বিলুপ্ত হইবে।

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের ধারা ৪২ এর সংশোধন

১৬৪। উক্ত আইনের ধারা ৪২ এর উপ-ধারা (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(১) বাংলাদেশ পক্ষভুক্ত হইয়াছে এইরূপ কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তিতে ভিন্নরূপ কিছু না থাকিলে, কোনো গ্যারান্টিদাতা বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত কোনো তৃতীয় পক্ষ হইবে এবং উহা বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত হইতে হইবে।”।

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের ধারা ৮৬ এর সংশোধন

১৬৫। উক্ত আইনের ধারা ৮৬ এর- (ক) উপান্তটীকায় উল্লিখিত “প্রত্যাহার” শব্দের পরিবর্তে “বাতিল” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে; এবং (খ) উপ-ধারা (৩) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৩) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(৩) যথার্থতা প্রতিপাদিত হইলে, কমিশনার অব কাস্টমস বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যুক্তিসঙ্গত কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া দাখিলকৃত পণ্য ঘোষণা বাতিলের অনুমতি প্রদান করিতে পারিবেন।”।

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের ধারা ৯৩ এর সংশোধন

১৬৬। উক্ত আইনের ধারা ৯৩ এর উপ-ধারা (২) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (২) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(২) যদি উপ-ধারা (১) এর অধীন সাময়িক শুল্কায়নের ভিত্তিতে কোনো পণ্য খালাস প্রদান করা হয়, তাহা হইলে উক্ত পণ্যের উপর প্রদেয় প্রকৃত শুল্ক ও কর- (ক) সাময়িক শুল্কায়নের তারিখ হইতে ১২০ (একশত বিশ) কার্যদিবসের মধ্যে; (খ) যেইক্ষেত্রে কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল অথবা আপিল কর্তৃপক্ষের নিকট কোনো মামলা অনিষ্পন্ন রহিয়াছে সেই ক্ষেত্রে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি প্রাপ্তির তারিখ হইতে ১২০ (একশত বিশ) কার্যদিবসের মধ্যে; এবং (গ) যেইক্ষেত্রে এই আইনের অধীন প্রণীত অন্য কোনো বিধানের শর্ত পরিপালনের বাধ্যবাধকতা রহিয়াছে সেই ক্ষেত্রে উহা পরিপালনের সময়সীমা অতিক্রান্ত হইবার ১২০ (একশত বিশ) কার্যদিবসের মধ্যে; চূড়ান্তভাবে নিরূপণ করিতে হইবে এবং উক্ত শুল্কায়ন সম্পন্ন হওয়ার পর যথাযথ কর্মকর্তা ইতঃপূর্বে পরিশোধিত অথবা গ্যারান্টিকৃত অর্থের সহিত চূড়ান্ত শুল্কায়নের ভিত্তিতে প্রদেয় অর্থের বিপরীতে শুল্ক ও করের পরিমাণ সমন্বয় করিবার আদেশ প্রদান করিবেন এবং উহাদের মধ্যে পার্থক্যের পরিমাণ আমদানিকারক অথবা রপ্তানিকারক অনতিবিলম্বে পরিশোধ করিবেন অথবা, ক্ষেত্রমত, তাহাদের নিকট ফেরত প্রদান করা হইবে: তবে শর্ত থাকে যে, কাস্টমস হাউসের ক্ষেত্রে কমিশনার অব কাস্টমস, অথবা কাস্টমস স্টেশনের ক্ষেত্রে কমিশনার, ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে, উহা লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করিয়া এই উপ-ধারায় বর্ণিত চূড়ান্ত শুল্ক নিরূপণের সময় বর্ধিত করিতে পারিবে।”।

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের ধারা ৯৪ এর সংশোধন

১৬৭। উক্ত আইনের ধারা ৯৪ এর উপ-ধারা (৩) এর শর্তাংশে উল্লিখিত দফা (খ) এর প্রান্তস্থিত দাঁড়ি চিহ্নের পরিবর্তে সেমিকোলন চিহ্ন এবং অতঃপর নিম্নরূপ নতুন দফা (গ) সংযোজিত হইবে, যথা:- “(গ) কাস্টমস হাউসের ক্ষেত্রে কমিশনার অব কাস্টমস অথবা কাস্টমস স্টেশনের ক্ষেত্রে কমিশনার, ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে, উহা লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করিয়া উক্ত নোটিশ সরাসরি পত্রিকায় প্রকাশ করিয়া বিক্রয়, ধ্বংস বা অন্যবিধ উপায়ে বিলিবন্দেজ করিতে পারিবেন।”।

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের ধারা ১১৩ এর সংশোধন

১৬৮। উক্ত আইনের ধারা ১১৩ এর উপ-ধারা (২) এর পর নিম্নবর্ণিত উপ-ধারা (৩) সংযোজিত হইবে, যথা: “(৩) উপধারা (২) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে যথাযথ কর্মকর্তাকে ওয়্যারহাউসে রক্ষিত পণ্যের মালিক সার্বিক সহযোগিতা প্রদানে বাধ্য থাকিবেন, এবং এইক্ষেত্রে, উক্ত কর্মকর্তা ওয়্যারহাউসে বা উক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রাঙ্গনে প্রবেশের ক্ষেত্রে কোনোরূপ অসহযোগিতার সম্মুখীন হইলে প্রয়োজনে তালা ভাঙ্গিয়া বা অন্য যেকোনো উপায়ে প্রবেশ করিতে পারিবেন।”।

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনে ষোড়শ-ক অধ্যায় এর সন্নিবেশ

১৬৯। উক্ত আইনের ষোড়শ অধ্যায়ের পর নিম্নরূপ নূতন “ষোড়শ-ক অধ্যায়” সন্নিবেশিত হইবে, যথা:- “ষোড়শ-ক অধ্যায় মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল (Free Trade Zone) ১৩৪ক। মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল (Free Trade Zone) ঘোষণা।- বোর্ড, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, প্রয়োজনীয় শর্ত আরোপ করিয়া এই আইনের অধীন শুল্ক সংক্রান্ত বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনের লক্ষ্যে, বাংলাদেশের যে কোনো এলাকাকে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করিতে পারিবে এবং উক্ত অঞ্চলের সীমানা বা পরিধি নির্ধারণ করিতে পারিবে। ১৩৪খ। মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে আমদানি রপ্তানি সংক্রান্ত কার্যক্রম।-(১) এই আইনের অন্যান্য ধারায় যাহা কিছুই থাকুক না কেন, মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে অবস্থিত কোনো প্রতিষ্ঠান স্বয়ং বা কোনো Importer on Record এর মাধ্যমে সম্পূর্ণ শুল্ক ও করমুক্ত সুবিধায় উক্ত অঞ্চলে পণ্য আমদানি এবং উক্ত অঞ্চল হইতে পণ্য রপ্তানি করিতে পারিবে এবং এই ক্ষেত্রে আইনের ষোড়শ অধ্যায়ের অধীন পৃথক কোনো ওয়্যারহাউস লাইসেন্স এর প্রয়োজন হইবে না। (২) মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে অবস্থিত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক আমদানিকৃত পণ্য সংরক্ষণ, গ্রেডিং (grading), রিপ্যাকিং (repacking), রিলেবেলিং (relabelling), বাল্ক ব্রেকিং, উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, রপ্তানি, ট্রেডিং (trading) এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে শুল্ককর পরিশোধ করিয়া মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলের বাহিরে অভ্যন্তরীণ শুল্ক এলাকায় (Domestic Tariff Area) বিক্রয় বা অন্য কোনো উপায়ে নিষ্পত্তির (dispose off) পদ্ধতি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে। তবে বিধি প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত বোর্ড প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করিতে পারিবে। ১৩৪গ। মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে লাইসেন্স প্রদান।-(১) বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে যে কোনো সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল অপারেটর (Free Trade Zone Operator) হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য লাইসেন্স প্রদান করা যাইবে। (২) আইনের ধারা ২৪৩ এর অধীন লাইসেন্স ব্যতীত কোনো ব্যক্তি কোনো মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে কোনো যানবাহনের প্রবেশ বা উক্ত স্থান হইতে উহার প্রস্থান বা কোনো পণ্য আমদানি বা রপ্তানি অথবা ব্যাগেজ সম্পর্কিত কোনো কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এজেন্ট হিসাবে কার্য সম্পাদন করিতে পারিবেন না। ১৩৪ঘ। মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে লজিস্টিক্স সেবা (logistics service) প্রদান।-মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে লজিস্টিক্স সেবা (logistics service) প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে উক্ত অঞ্চলে লজিস্টিক্স সেবা প্রদানের লক্ষ্যে ধারা ২৪৩ এর অধীন লাইসেন্স গ্রহণ করিতে হইবে এবং উক্ত অঞ্চলে উহার কার্যক্রম শুরু করিবার পূর্বে সংশ্লিষ্ট কমিশনার অব কাস্টমসের অনুমোদন গ্রহণ করিতে হইবে। ১৩৪ঙ। মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে পণ্য ব্যবস্থাপনা।-(১) মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলের কোনো পণ্য নিম্ন বর্ণিত উদ্দেশ্যে উক্ত অঞ্চল হইতে বাহির করা যাইবে, যথা:- (ক) বহি:বাংলাদেশে সরাসরি রপ্তানির উদ্দেশ্যে; (খ) রপ্তানিতব্য পণ্যে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহারের লক্ষ্যে বাংলাদেশের রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল, অর্থনৈতিক অঞ্চল, হাইটেক পার্ক এবং অভ্যন্তরীণ শুল্ক এলাকায় স্থাপিত আইনের ষোড়শ অধ্যায়ের অধীন ওয়্যারহাউস লাইসেন্সধারী কোনো প্রতিষ্ঠান বা মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলের অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের নিকট সরবরাহের উদ্দেশ্যে। (২) মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে উৎপাদিত কোনো পণ্য উক্ত অঞ্চলের অপারেটর এর অনুমোদনক্রমে উক্ত অঞ্চলের কোনো প্রতিষ্ঠান বা এলাকা বা প্রাঙ্গন হইতে একই অঞ্চলের অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান বা এলাকা বা প্রাঙ্গনে শুল্ক কর পরিশোধ ব্যতিরেকে হস্তান্তর বা সরবরাহ করা যাইবে, তবে আমদানিকৃত কোনো পণ্য কোনোরূপ রূপান্তর বা প্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যতীত উক্তরুপ হস্তান্তর করার ক্ষেত্রে কেবল অপারেটরকে অবহিত করিয়াই উক্ত হস্তান্তর করা যাইবে। (৩) মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে উৎপাদিত, আমদানিকৃত বা রক্ষিত কোনো পণ্য, অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার অব কাস্টমস পদমর্যাদার নিম্নে নহেন এমন কোনো কর্মকর্তার লিখিত অনুমোদন এবং প্রযোজ্য শুল্ক কর পরিশোধ ব্যতীত উক্ত অঞ্চলে চূড়ান্ত ভোগ (final consumption) করা যাইবে না। (৪) মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল হইতে কোনো পণ্য উক্ত অঞ্চলের বাহিরে অভ্যন্তরীণ শুল্ক এলাকায় (Domestic Tariff Area) বা অন্য কোনো বিশেষায়িত এলাকা এবং অঞ্চলে, বা অন্য কোনো মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে দেশীয় ভোগের জন্য প্রেরিত হইলে সেই ক্ষেত্রে এই আইনের বিধানাবলী অনুযায়ী প্রযোজ্য সকল প্রকার শুল্ককর পরিশোধযোগ্য হইবে। (৫) অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার অব কাস্টমস পদমর্যাদার নিম্নে নহেন এমন কর্মকর্তার লিখিত অনুমোদনক্রমে বাংলাদেশের রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল, অর্থনৈতিক অঞ্চল, হাইটেক পার্ক এবং অভ্যন্তরীণ শুল্ক এলাকা হইতে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময়ে এই আইনের বিধানাবলী প্রতিপালন করে পণ্য সরবরাহ করা হইলে তাহা রপ্তানি হিসেবে বিবেচ্য হইবে। ১৩৪চ। মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে পণ্য প্রেরণ।- মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলের সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক বা ইমপোর্টার অন রেকর্ড (Importer on Record) শুল্ক ও কর মুক্ত সুবিধায় আমদানিকৃত পণ্য উক্ত অঞ্চলে প্রেরণ ও জমা প্রদান নিশ্চিত করিবেন। ১৩৪ছ। মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে রক্ষিত পণ্যের উপর নিয়ন্ত্রণ।-(১) কাস্টমস নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে রক্ষিত সকল পণ্য যথাযথ কর্মকর্তার নিয়ন্ত্রণে থাকিবে। (২) সংশ্লিষ্ট কমিশনার অব কাস্টমসের নিকট হতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত যথাযথ কর্মকর্তা বা কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর বা কাস্টমস মূল্যায়ন ও অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কমিশনারেটের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার অব কাস্টমস পদমর্যাদার নিম্নে নহেন এইরূপ কোনো কর্মকর্তা কোনো মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলের যেকোনো স্থানে, প্রাঙ্গনে বা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ এবং উহাতে রক্ষিত পণ্য, ইলেকট্রনিক রেকর্ড বা তথ্যাদি, হিসাবপত্র এবং দলিলাদি পরীক্ষা করিতে পারিবেন এবং উক্তরূপ ইলেকট্রনিক রেকর্ড বা তথ্যাদি, হিসাবপত্র এবং দলিলাদির অনুলিপি বা কপি গ্রহণ করিতে পারিবেন বা ক্ষেত্রমতে সংশ্লিষ্ট কমিশনার অব কাস্টমস এর অনুমোদনক্রমে উহা জব্দ করিতে পারিবেন। (৩) উপধারা (১) ও (২) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, এই আইনের অধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত যথাযথ কর্মকর্তাকে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলের স্থান, প্রাঙ্গন বা প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে বা দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা অপারেটর উক্ত কার্যক্রমে সহযোগিতা প্রদানে বাধ্য থাকিবেন। ১৩৪জ। মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে রিটেইল ব্যবসা (Retail Trade) পরিচালনা।-(১) বোর্ডের অনুমোদন ব্যতিরেকে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে কোনো রিটেইল ব্যবসা পরিচালনা করা যাইবে না এবং উক্ত অনুমোদনের ক্ষেত্রে বোর্ড যেইরূপ শর্ত উপযুক্ত বিবেচনা করিবে সেইরূপ শর্ত আরোপ করিতে পারিবে। (২) উপ-ধারা (১) এর অধীন অনুমোদন প্রাপ্তির পর সংশ্লিষ্ট মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলের অপারেটর কর্তৃক এইরুপ রিটেইল ব্যবসা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করিবে। ১৩৪ঝ। মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে রক্ষিত প্যাকেজ খোলা এবং পরীক্ষা করিবার ক্ষমতা।-(১) যথাযথ কর্মকর্তা যে কোনো সময়ে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে সংরক্ষিত কোনো পণ্য বা প্যাকেজ খোলা, ওজন করা বা পরীক্ষা করিতে এবং উক্ত পণ্য এইরূপে খোলা, ওজন করা বা পরীক্ষা করিবার পর উহা তিনি যেইরূপ উপযুক্ত মনে করিবেন, লিখিত আদেশ দ্বারা, সেইরূপভাবে সিলযুক্ত অথবা মার্কযুক্ত করাইতে পারিবেন। (২) কোনো পণ্য পরীক্ষার পর উক্তরূপ সিলযুক্ত বা মার্কযুক্ত করা হইলে উহা যথাযথ কর্মকর্তার অনুমতি ব্যতিরেকে পুনরায় খোলা যাইবে না, এবং এইরূপ অনুমতিক্রমে উক্ত পণ্য খোলা হইলে তিনি যদি উপযুক্ত মনে করেন, তাহা হইলে প্যাকেজসমূহ পুনরায় সিলযুক্ত অথবা মার্কযুক্ত করিবার ব্যবস্থা করিবেন। ১৩৪ঞ। মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে যানবাহন তল্লাশি ক্ষমতা।-এই আইনের অধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত যথাযথ কর্মকর্তা যে কোনো সময়ে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে যেকোনো যানবাহন তল্লাশি ও পরীক্ষা করিতে পারিবেন এবং উক্ত যানবাহনের নিয়ন্ত্রণে বা দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি উক্তরূপ তল্লাশি ও পরীক্ষা কার্যক্রমে সহযোগিতা প্রদানে বাধ্য থাকিবেন। ১৩৪ট। মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলের ক্ষেত্রে পণ্যের শুল্কহার এবং বিনিময় হার নির্ধারণের তারিখ।- আইনের ধারা ৩০ এর বিধানাবলি সত্ত্বেও, মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল হইতে কোনো পণ্য দেশীয় ভোগের জন্য প্রেরিত হইলে উক্ত পণ্যের উপর প্রযোজ্য শুল্ক ও করের পরিমাণ যে তারিখে ধারা ৮৩ অনুযায়ী দেশীয় ভোগের জন্য প্রেরিত হইবে সেই তারিখে বলবৎ বিনিময় হার, পণ্যের শ্রেণিবিন্যাস, রুলস অব অরিজিন, এবং উক্ত পণ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য শুল্ক ও কর হারের ভিত্তিতে গণনা করিতে হইবে। ১৩৪ঠ। মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে পণ্য প্রবেশে বাধা।-বোর্ড প্রজ্ঞাপন বা আদেশ জারির মাধ্যমে যে কোনো পণ্য বা পণ্যশ্রেণীকে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে প্রবেশ হইতে নিষিদ্ধ করিতে বা এই অধ্যায়ের বিধানাবলি ও প্রদত্ত সুবিধা হইতে বারিত করিতে পারিবে। ১৩৪ড। মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলের পণ্যের মালিকের ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষমতা।-(১) মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে কোনো পণ্যের মালিক উক্ত অঞ্চলে রক্ষিত পণ্যের ক্ষেত্রে- (ক) কোনো কারণে ক্ষতিগ্রস্ত বা অবনতিগ্রস্ত পণ্য অবশিষ্ট পণ্য হইতে পৃথক করিতে পারিবেন; (খ) পণ্যের সংরক্ষণ, বিক্রয়, রপ্তানি অথবা ব্যবস্থিত করিবার উদ্দেশ্যে পণ্য বাছাই করিতে বা উহার পাত্র পরিবর্তন করিতে পারিবেন; (গ) পণ্যের অবচয়, অবনতি অথবা ক্ষতি রোধ করিবার জন্য যেইরূপ প্রয়োজন হয় সেইরূপ পদ্ধতিতে পণ্য এবং উহাদের আধারের (container) বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবেন; (ঘ) বিক্রয়ের জন্য পণ্য প্রদর্শন করাইতে পারিবেন; বা (ঙ) যথাযথ কর্মকর্তা যেইরূপ অনুমোদন করিবেন পণ্যের সেইরূপ কোনো নমুনা দেশীয় ভোগের জন্য পণ্য ঘোষণা দাখিল অথবা ঘোষণা ব্যতীত এবং শুল্ক পরিশোধপূর্বক অথবা পরিশোধ ব্যতীত, তবে পণ্যের মূল পরিমাণের ঘাটতির উপর শেষ পর্যন্ত প্রদেয় হইলে উহার শুল্ককর পরিশোধপূর্বক, গ্রহণ করিতে পারিবেন। (২) কোনো পণ্য উক্তরূপ পৃথককৃত এবং যথাযথ অথবা অনুমোদিত প্যাকেজে পুনঃপ্যাকেটজাত করিবার পর উক্ত পণ্যের মালিকের অনুরোধক্রমে যথাযথ কর্মকর্তা এইভাবে পৃথককরণ অথবা পুনঃপ্যাকেটজাতকরণের পরে কোনো বর্জ্য, ক্ষতিগ্রস্ত অথবা উদ্বৃত্ত পণ্য অবশিষ্ট থাকিলে উহা, অথবা অনুরূপ অনুরোধক্রমে, শুল্ককর আরোপের উপযোগী নহে এইরূপ কোনো পণ্য, ধ্বংস করিবার ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে অথবা অনুমতি প্রদান করিতে পারিবেন, এবং যথাযথ রেকর্ড সংরক্ষণপূর্বক উহার উপর প্রদেয় শুল্ককর মওকুফ করিবার নিমিত্ত কমিশনার অব কাস্টমস বরাবর সুপারিশ করিতে পারিবেন এবং উক্তরূপ সুপারিশের প্রেক্ষিতে কমিশনার অব কাস্টমস এতদসংশ্লিষ্ট শুল্ককরাদি মওকুফ করিতে পারিবেন। (৩) মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে পণ্য প্রক্রিয়াকরণের ক্ষেত্রে কমিশনার অব কাস্টমস তাঁহার বিবেচনায় উপযুক্ত হয় এইরূপ পরিমাণ অপচয় ও বর্জ্য (waste) পণ্যের মালিককে ধ্বংসসহ নিষ্পত্তির অনুমতি প্রদান করিতে পারিবেন; তবে মুক্ত বাণিজ্যের বাহিরে অভ্যন্তরীণ শুল্ক এলাকায় এইরূপ অপচয় ও বর্জ্য সরবরাহ করা হলে সেইক্ষেত্রে তার অবস্থা, পরিমাণ ও ওজন অনুযায়ী সরবরাহকালীন সময়ে এই আইনের বিধান অনুযায়ী প্রযোজ্য সকল প্রকার শুল্ককরাদি পরিশোধযোগ্য হইবে। ১৩৪ঢ। মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে রক্ষিত পণ্যের প্রস্তুতকরণ এবং অন্যান্য কার্যক্রম।-(১) মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে রক্ষিত কোনো পণ্যের মালিক উক্ত পণ্য দ্বারা ধারা-১৩৪ঙ এর অধীন কার্যক্রম পরিচালনা করিতে পারিবেন। (২) যেইক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর অধীন পরিচালিত কার্যক্রম অথবা প্রক্রিয়ায় পণ্যের কোনো অপচয় বা বর্জ্য হয় সেইক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে, যথা:- (ক) যদি উক্ত কার্যক্রম অথবা প্রক্রিয়া দ্বারা উৎপাদিত পণ্যের সম্পূর্ণ বা আংশিক রপ্তানি করা হয় তাহা হইলে রপ্তানিকৃত পণ্যের ক্ষেত্রে পরিচালিত কার্যক্রম অথবা প্রক্রিয়ায় যে পরিমাণ পণ্য অপচয় বা বর্জ্য হইয়াছে উহার জন্য কোনো শুল্ককর আরোপযোগ্য হইবে না; তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত অপচয় বা বর্জ্য ধ্বংস করিতে হইবে কিংবা উহাদের উপর আরোপনীয় শুল্ককরাদি পরিশোধ করিতে হইবে, যেন উহা উক্ত অবস্থায় বাংলাদেশে আমদানি করা হইয়াছে; (খ) যদি উক্ত কার্যক্রমে অথবা প্রক্রিয়ায় উৎপাদিত পণ্যের সম্পূর্ণ বা আংশিক দেশীয় ভোগের জন্য মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল হইতে খালাস করা হয়, তাহা হইলে দেশীয় ভোগের জন্য পরিচালিত কার্যক্রম বা প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট অপচয়কৃত বস্তু বা বর্জ্য দেশীয় ভোগের জন্য খালাস করা হইলে তাহার উপর আরোপনীয় আমদানি শুল্ককর আদায়যোগ্য হইবে; তবে শর্ত থাকে যে, এই আইনের অন্য ধারায় ভিন্নরূপ বিধানাবলি সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট কমিশনার অব কাস্টমস অথবা বোর্ড কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো কমিশনার অব কাস্টমস এই উপধারার অধীন শুল্কায়নের উদ্দেশ্যে মূল্য নিরূপণ করিবেন। ১৩৪ণ। মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে আমদানিকৃত পণ্য সংরক্ষণের মেয়াদ।-আমদানিকৃত পণ্য মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে প্রবেশের তারিখ হইতে ৪৮(আটচল্লিশ) মাস পর্যন্ত উক্ত অঞ্চলে শুল্ককর পরিশোধ ব্যতিরেকে সংরক্ষণ করা যাইবে, তবে শর্ত থাকে যে ব্যতিক্রমি পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট কমিশনার অব কাস্টমস উক্ত মেয়াদ আরো ১২ (বারো) মাস পর্যন্ত বৃদ্ধি করিতে পারিবেন। ১৩৪ত। মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধ হইলে পণ্য অপসারণ।-ধারা ১৩৪ণ এর বিধান ক্ষুন্ন না করিয়া, মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে অবস্থিত প্রতিষ্ঠান বা ইমপোর্টার অন রেকর্ড বা লজিস্টিক্স সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান যদি উক্ত অঞ্চলে তাহার ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধ করেন তবে উক্ত অঞ্চলে তাদের মালিকানাধীন কোনো পণ্য যাহা শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানি করা হইয়াছে তাহা ধারা-১৩৪ঙ, ১৩৪ট, ১৩৪ড, ১৩৪ঢ এর বিধান অনুসরণ করিয়া সংশ্লিষ্ট কমিশনার অব কাস্টমস কর্তৃক অনুমোদিত সময়সীমার মধ্যে নিষ্পত্তি করিতে হইবে। ১৩৪থ। মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে পণ্য পৌঁছাইবার পর স্থানান্তরের ক্ষেত্রে প্রথম আমদানির ন্যায় অনুসরণীয় বিধায় একই আইনসমূহের অধীন হইবে।-আইনের ধারা ১৩৪ঙ এর উপধারা (১) এর দফা (খ) এর অধীনে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে রক্ষিত পণ্য, দেশীয় ভোগের উদ্দেশ্য ব্যতীত অন্য কোনো উদ্দেশ্যে এক মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল হইতে অন্য মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে বা একই মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলের মধ্যে এক প্রতিষ্ঠান হতে অন্য প্রতিষ্ঠানে উক্ত পণ্য সরবরাহ করা হইলে উহা প্রথমবার আমদানির ক্ষেত্রে যেইরূপ পণ্য ঘোষণা, এন্ট্রি এবং রেকর্ড সংরক্ষণ করা হইয়াছিল সেই অনুরূপ পদ্ধতিতে পণ্য ঘোষণা, এন্ট্রি এবং রেকর্ড সংরক্ষণ করিতে হইবে এবং এইরূপ কার্যক্রম এই আইন বা যে সকল আইন বা বিধি বা আদেশ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়, উহা উক্ত আইন বা বিধি বা আদেশ এর অধীন হইবে। ১৩৪দ। মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে রক্ষিত পণ্যের ক্ষতি হইলে বা অবনতি ঘটিলে উহার পুনঃশুল্কায়ন।-মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে আমদানিকৃত পণ্য উক্ত অঞ্চলে প্রবেশ করিবার পর ধারা ১৩৪ণ এ উল্লিখিত সময়ের মধ্যে কোনো অনিবার্য দুর্ঘটনা অথবা দৈবদুর্বিপাক অথবা অন্য কোনো কারণে যদি ক্ষতিগ্রস্ত অথবা অপচায়িত হয়, তাহা হইলে উক্ত পণ্যের মালিক ইচ্ছা করিলে ক্ষতিগ্রস্ত অথবা অপচায়িত অবস্থায় উহাদের শুল্কায়নযোগ্য মূল্য কোনো যথাযথ কর্মকর্তা কর্তৃক নিরূপণ করাইতে পারিবেন এবং উক্ত পণ্য ধারা-১৩৪ঙ, ১৩৪ট, ১৩৪ড, ১৩৪ঢ এর বিধান অনুসরণ করিয়া নিস্পত্তি করিতে পারিবেন। ১৩৪ধ। উদ্বায়ী (volatile) পণ্যের ক্ষেত্রে ছাড়।-যখন এইরূপ কোনো শ্রেণির এবং বর্ণনার মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে সংরক্ষিত পণ্য, যাহার উদ্বায়িতা এবং উহাদের মজুদ প্রক্রিয়া বিবেচনাপূর্বক বোর্ড, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, নির্ধারণ করে, তাহা যদি মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল হইতে অপসারণের সময় পরিমাণে কম পাওয়া যায় এবং সংশ্লিষ্ট কমিশনার অথবা বোর্ড কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো কমিশনার যদি সন্তুষ্ট হন যে, উক্ত ঘাটতি স্বাভাবিক অপচয়ের কারণে ঘটিয়াছে, তখন উক্ত ঘাটতির উপর কোনো শুল্ককর আরোপ করা যাইবে না। ১৩৪ন। মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল হইতে অসঙ্গতভাবে অপসারিত বা নির্দিষ্ট মেয়াদের বেশি সময়ে রাখিবার অনুমোদনপ্রাপ্ত বা ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংসপ্রাপ্ত বা নমুনা হিসাবে গৃহীত পণ্যের উপর শুল্ক।-নিম্নবর্ণিত পণ্যসমূহের ক্ষেত্রে যথাযথ কর্মকর্তা দাবিনামা জারি করিতে পারিবেন এবং এইরূপ দাবিনামার প্রেক্ষিতে পণ্যসমূহের মালিক বা প্রতিষ্ঠান বা ইমপোর্টার অন রেকর্ড বা লজিস্টিক্স সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান উহাদের ক্ষেত্রে প্রদেয় সমুদয় ভাড়া, জরিমানা, সুদ এবং অন্যান্য চার্জসহ উহাদের উপর আরোপণীয় সমুদয় পরিমাণ শুল্ক ও কর অবিলম্বে পরিশোধ করিবেন, যথা:- (ক) ধারা ১৩৪ঙ ও ১৩৪ঢ লঙ্ঘন করিয়া মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল হইতে অপসারিত পণ্য; (খ) ধারা ১৩৪ণ এর অধীন অপসারণের জন্য অনুমোদিত সময়ের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল হইতে অপসারণ না করা পণ্য; (গ) ধারা ১৩৪ত এর অধীন মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল হইতে অপসারণ না করা পণ্য; (ঘ) ধারা ১৩৪থ এর অধীনে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে প্রবেশকৃত পণ্য এই আইনের বিধানাবলি লঙ্ঘণ করিয়া মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল হইতে অপসারণ করা পণ্য; (ঙ) ধারা ১৩৪দ এর অধীন মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল হইতে অপসারণ না করা পণ্য; এবং (চ) কমিশনার অব কাস্টমস কর্তৃক অনুমোদিত পরিমাণের অতিরিক্ত কোনো নমুনা। ১৩৪প। শুল্ক, ইত্যাদি পরিশোধে ব্যর্থতার ক্ষেত্রে পদ্ধতি।-(১) যদি কোনো ব্যক্তি বা মালিক বা প্রতিষ্ঠান বা ইমপোর্টার অন রেকর্ড বা লজিস্টিক্স সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ধারা ২১ এর অধীন দাবিকৃত কোনো অর্থ পরিশোধ করিতে ব্যর্থ হন, তাহা হইলে যথাযথ কর্মকর্তা বিধি দ্বারা নির্ধারিত কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবেন অথবা মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে রক্ষিত মালিকের পণ্য অথবা পণ্য প্রস্তুতকরণে ব্যবহৃত কোনো কারখানা, যন্ত্রপাতি অথবা মেশিনারি অথবা উক্ত ব্যক্তির মালিকানাধীন অন্য কোনো পণ্য এবং সম্পত্তির এইরূপ অংশ যাহা দাবি আদায়ের জন্য পর্যাপ্ত বিবেচিত হইবে তাহা আটক করাইতে পারিবেন, এবং অবিলম্বে উক্তরূপ আটকের লিখিত নোটিশ মালিক বা প্রতিষ্ঠান বা ইমপোর্টার অন রেকর্ড বা লজিস্টিক্স সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান-কে প্রদান করিতে হইবে। (২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত নোটিশের তারিখ হইতে ১৫ (পনের) কার্যদিবসের মধ্যে দাবি পূরণ করা না হইলে উক্তরূপ আটককৃত পণ্য বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে বিক্রয় করা যাইবে। (৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন বিক্রয়লদ্ধ অর্থের নিট পরিমাণ হইতে ধারা-১৩৪ন এর অধীনে সরকারের পাওনার সমপরিমান অর্থ সমন্বয় করা হইবে এবং কোনো অর্থ উদ্বৃত্ত, যদি থাকে, ধারা ২৩৭ অনুসারে বিলিবন্দেজ পদ্ধতিতে ব্যবস্থিত হইবে। (৪) পণ্যের কোনো হস্তান্তর বা স্বত্ব-নিয়োগ (assignment) এর উপর পাওনা আদায়ের জন্য যথাযথ কর্মকর্তাকে এই ধারায় বর্ণিত পদ্ধতি অনুযায়ী কার্যক্রম গ্রহণ করা হইতে নিবৃত্ত করিতে পারিবে না। ১৩৪ফ। রেকর্ড সংরক্ষণ।-মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে প্রবেশকৃত পণ্যের মালিক বা প্রতিষ্ঠান বা ইমপোর্টার অন রেকর্ড বা লজিস্টিক্স সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে বা আদেশে বর্ণিত পদ্ধতিতে স্টক কিপিং এর হিসাবসহ সকল রের্কড সংরক্ষণ করিবেন এবং এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে যথাযথ কর্মকর্তার লিখিত আদেশের প্রেক্ষিতে তা সরবরাহ করিবেন। ১৩৪ব। দুর্ঘটনায় ধ্বংসপ্রাপ্ত পণ্যের শুল্ক মওকুফ করিবার ক্ষমতা।- ধারা-১৩৪ণ এ বর্ণিত মেয়াদের মধ্যে এই আইনের বিধান অনুসরণ করিয়া শুল্ক কর পরিশোধ ব্যতীত মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে আমদানিকৃত বা রক্ষিত বা উক্তরূপ আমদানিকৃত পণ্য দ্বারা উৎপাদিত কোনো পণ্য ধারা-১৩৪ঙ এর অধীনে নিষ্পত্তি হইবার পূর্বে যদি কোনো অনিবার্য দুর্ঘটনায় ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়, তাহা হইলে সংশ্লিষ্ট কমিশনার অব কাস্টমস অথবা বোর্ড কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো কমিশনার অব কাস্টমস তাহার বিবেচনাবলে উহার উপর প্রদেয় শুল্ক ও কর মওকুফ করিতে পারিবেন; তবে শর্ত থাকে যে, উক্তরূপ ধ্বংসের ঘটনা উদঘাটনের পর ৩(তিন) কর্মদিবসের মধ্যে যথাযথ কর্মকর্তার নিকট এতদ্বিষয়ে লিখিত নোটিশ প্রদান করিতে হইবে। ১৩৪ভ। মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে পণ্যের রক্ষকের দায়িত্ব।-শুল্ক কর পরিশোধ ব্যতীত মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে আমদানিকৃত বা রক্ষিত বা উক্তরূপ আমদানিকৃত পণ্য দ্বারা উৎপাদিত কোনো রক্ষিত পণ্যের ক্ষেত্রে রক্ষক বা মালিক বা প্রতিষ্ঠান বা ইমপোর্টার অন রেকর্ড বা লজিস্টিক্স সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, উক্ত পণ্যের শুল্কায়নকারী কাস্টমস কর্মকর্তা কর্তৃক উল্লিখিত পরিমাণ, ওজন অথবা পরিমাপ অনুসারে, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ধারা-১৩৪ধ এ ব্যবস্থিত স্বাভাবিক অপচয়ের কারণে পরিমাণে ঘাটতির জন্য ছাড় প্রদানপূর্বক, মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে উহাদের যথাযথ গ্রহণ এবং উক্ত স্থান হইতে সরবরাহ এবং উক্ত স্থানে জমা থাকাকালীন সময়ে নিরাপদ হেফাজতের জন্য দায়ী থাকিবেন: তবে শর্ত থাকে যে, মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে পণ্য প্রবেশ করানোর অথবা উক্ত স্থান হইতে বাহিরে লইবার অথবা উক্ত স্থানে জমা থাকাকালীন সময়ে সংঘটিত কোনো অপচয় অথবা ক্ষতির জন্য কোনো মালিক বা লজিস্টিক্স সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বা রক্ষক এর নিকট ক্ষতিপূরণ দাবি করিবার অধিকারী হইবেন না, যদি না ইহা প্রমাণিত হয় যে, উক্ত অপচয় বা ক্ষতি লজিস্টিক্স সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বা রক্ষকের ইচ্ছাকৃত কর্ম বা অবহেলার কারণে সংঘটিত হইয়াছে। ১৩৪ম। মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে পণ্য জমা রাখিবার বা সংরক্ষণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা।-বোর্ড মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে কোন পদ্ধতিতে এবং কী শর্তে কোন পণ্য সংরক্ষণ করা যাইবে এবং কোন কোন প্রকারের পণ্য এইরূপ কোনো মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে জমা রাখা যাইবে তাহা, সময় সময়, নির্ধারণ করিতে পারিবে। ১৩৪য। পরিবহণ, প্যাকিং, ইত্যাদির ব্যয় মালিক কর্তৃক বহন।-মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে পণ্য গ্রহণ অথবা উক্ত স্থান হইতে উহা অপসারণ বাবদ পরিবহণ, প্যাকিং এবং মজুদের ব্যয় যদি যথাযথ কর্মকর্তা অথবা লজিস্টিক্স সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বা রক্ষক পরিশোধ করেন, তাহা হইলে উক্ত পণ্যের উপর আরোপণীয় হইবে এবং মালিক কর্তৃক বহন করা হইবে, এবং ধারা-১৩৪প এ উল্লিখিত পদ্ধতিতে মালিকের নিকট হইতে আদায়যোগ্য হইবে। ১৩৪র। শর্ত সংযোজন, পরিবর্তন, শিথিল করা, ইত্যাদির ক্ষমতা।- সরকার, বোর্ডের সহিত পরামর্শক্রমে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই অধ্যায়ের অন্যান্য বিধানাবলির সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া সাপেক্ষে, কোনো শর্ত অথবা বাধ্যবাধকতা সংযোজন অথবা পরিবর্তন করিতে পারিবে, এবং কোনো বিশেষ প্রয়োজন মিটাইবার জন্য যথাযথ বিবেচনা করিলে উহার কোনো বিধান শিথিল করিতে পারিবে। ১৩৪ল। মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল পদ্ধতির পরিসমাপ্তি।-শুল্ক কর পরিশোধ ব্যতীত মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে আমদানিকৃত বা রক্ষিত বা উক্তরুপ আমদানিকৃত পণ্য দ্বারা উৎপাদিত কোনো পণ্যের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিতভাবে পরিসমাপ্তি ঘটিবে, যথা:- (ক) উক্ত পদ্ধতির অধীন প্রয়োজনীয় শর্তাবলি ও আনুষ্ঠানিকতা প্রতিপালন সাপেক্ষে ধারা-১৩৪ঙ, ১৩৪ট, ১৩৪ড, ১৩৪ঢ, ১৩৪দ এর অধীনে পণ্য সরবরাহ বা বিক্রয় বা নিষ্পত্তি; এবং (খ) সরকারের নিকট পণ্য হস্তান্তরের মাধ্যমে। ১৩৪শ। মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে শুল্ক কর ফাঁকি, চোরাচালান প্রতিরোধ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ।-(১) মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে শুল্ক কর ফাঁকি, চোরাচালান প্রতিরোধ, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে যথাযথ কর্মকর্তা এই আইন বা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ২৩ এর আওতায় তার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারিবেন। (২) উপধারা (১) এর আওতায় কার্যক্রম গ্রহণের ক্ষেত্রে ক্ষমতাপ্রাপ্ত যথাযথ কর্মকর্তা কোনরূপ হুমকি বা প্রতিরোধের সম্মুখীন হইলে আত্মরক্ষার্থে এই আইন এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর আওতায় সুরক্ষা পাইবেন।”।

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের ধারা ১৭১ এর সংশোধন

১৭০। উক্ত আইনের ধারা ১৭১ এর উপ-ধারা (১) এর টেবিলের ক্রমিক নং ১৮ ও উহার বিপরীতে কলাম (২), (৩) ও (৪) এ উল্লিখিত এন্ট্রিসমূহের পরিবর্তে নিম্নরূপ ক্রমিক ১৮ ও এন্ট্রিসমূহ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“১৮।

৮১, ৮২ ও ৮৪

যদি কোনো ব্যক্তি ধারা ৮১ বা ৮২ এর বিধান অনুযায়ী এবং ধারা ৮৪ তে বর্ণিত নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে, পণ্য ঘোষণা দাখিল করিতে ব্যর্থ হন।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে অন্যূন ৫(পাঁচ) হাজার টাকা কিন্তু অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা জরিমানা আরোপণীয় হইবে। ”

(খ) ২১ এর বিপরীতে কলাম (৪) এ উল্লিখিত এন্ট্রির পরিবর্তে নিম্নরূপ এন্ট্রি প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “সংশ্লিষ্ট পণ্যের উপর আরোপণীয় সমুদয় শুল্ক-কর পরিশোধ করা ছাড়াও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে অন্যূন ১ (এক) লক্ষ টাকা কিন্তু পণ্যের মূল্যের অনধিক দ্বিগুণ, জরিমানা আরোপণীয় হইবে এবং সংশ্লিষ্ট পণ্য বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।”। (গ) ৩২ এর কলাম (৩) এ উল্লিখিত এন্ট্রির পরিবর্তে নিম্নরূপ এন্ট্রি প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “যদি কোনো ব্যক্তি স্বীয় হেফাজতে রক্ষিত কোনো পণ্য কাস্টমস এলাকা হইতে অপসারণ করেন বা অপসারণের চেষ্টা করেন।”। (ঘ) ৪৪ এর বিপরীতে কলাম (৪) এ উল্লিখিত এন্ট্রির পরিবর্তে নিম্নরূপ এন্ট্রি প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা জরিমানা আরোপণীয় হইবে এবং, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, সংশ্লিষ্ট পণ্য বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।”।

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের ধারা ১৭৫ এর সংশোধন

১৭১। উক্ত আইনের ধারা ১৭৫ এর উপ-ধারা (২) এর প্রান্তস্থিত “।” এর পরিবর্তে “:” প্রতিস্থাপিত হইবে অত:পর নিম্নবর্ণিত শর্ত সংযোজিত হইবে, যথা:- “তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত কমিশনারেট প্রতিষ্ঠা হইবার পূর্ব পর্যন্ত বোর্ড গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে উহার অধীনস্থ যে কোনো দপ্তরকে বাংলাদেশ সিঙ্গেল উইন্ডো বিষয়ক কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব প্রদান করিতে পারিবে।”।

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের ধারা ২০২ এর সংশোধন

১৭২। উক্ত আইনের ধারা ২০২ এর উপ-ধারা (১) এর টেবিলের কলাম (৩) এ উল্লিখিত “রাজস্ব কর্মকর্তা” শব্দগুলির পরিবর্তে “রেভিনিউ অফিসার অব কাস্টমস” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের ধারা ২২৩ এর সংশোধন

১৭৩। উক্ত আইনের ধারা ২২৩ এর উপ-ধারা (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “(১) কোনো ব্যক্তি, কাস্টমসের নিয়ন্ত্রণাধীনে নাই এইরূপ পণ্যের ক্ষেত্রে দাবি সম্পর্কিত কোনো সিদ্ধান্ত অথবা আদেশের বিরুদ্ধে অথবা এই আইনের অধীন আরোপিত কোনো জরিমানার বিরুদ্ধে ধারা ২২০ বা ধারা ২২৬ এর অধীনে আপিল করিবার অভিপ্রায় পোষণ করিলে তিনি আপিল দায়ের করিবার সময়ে অথবা আপিল কর্তৃপক্ষ তাহাকে অনুমতি প্রদান করিলে আপিলটি বিবেচনার পূর্বে যে কোনো পর্যায়ে দাবিকৃত শুল্ক ও কর এবং জরিমানার ১ (এক) শতাংশ যথাযথ কর্মকর্তার নিকট জমা প্রদান করিবেন: তবে শর্ত থাকে যে, ধারা ৩২ অনুযায়ী উক্ত ব্যক্তি, উক্ত ধারার অধীন অবহিত করা হইয়াছে, কিন্তু পরিশোধিত হয় নাই এইরূপ কোনো শুল্ক বা করের উপর ধার্যকৃত সুদ, এই আইনের অধীন কোনো আপিল দাখিল বা নিষ্পন্নধীন বিবেচনা ব্যতিরেকে, পরিশোধের জন্য দায়ী থাকিবেন, যদি না আপিলে ইহা চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হয় যে, উক্ত অপরিশোধিত পরিমাণ যথাযথভাবে আরোপিত হয়নি।”।

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের ধারা ২২৯ এর প্রতিস্থাপন

১৭৪। উক্ত আইনের ধারা ২২৯ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ২২৯ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “২২৯। হাইকোর্ট বিভাগে আপিল।-(১) ধারা ২২৭ এর অধীন কোনো আদেশ জারির তারিখ হইতে ৯০ (নব্বই) দিবসের মধ্যে কমিশনার অব কাস্টমস অথবা অন্য পক্ষ উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করিতে পারিবেন। (২) কাস্টমস কর্মকর্তা ব্যতীত, অন্য কোনো ব্যক্তি কর্তৃক উপ-ধারা (১) এর অধীন হাইকোর্ট বিভাগে আপিলের আবেদন দাখিলের ক্ষেত্রে, তাহাকে তর্কিত আদেশে উল্লিখিত শুল্ক ও কর এবং জরিমানার ২ (দুই) শতাংশ অর্থ পরিশোধ করিতে হইবে।”।

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের ধারা ২৩২ এর সংশোধন

১৭৫। উক্ত আইনের ধারা ২৩২ এ উল্লিখিত সংখ্যা “২২৮” এর পরিবর্তে “২২৭” সংখ্যা প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের ধারা ২৩৮ এর সংশোধন

১৭৬। উক্ত আইনের ধারা ২৩৮ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (চ) এর পর প্রান্তস্থিত দাঁড়ি চিহ্নের পরিবর্তে সেমিকোলন চিহ্ন প্রতিস্থাপিত হইবে এবং অতঃপর নিম্নরূপ নূতন দফা (ছ) সংযোজিত হইবে, যথা:- “(ছ) যে ব্যক্তির নিকট উক্ত আমদানি শুল্ক ও কর বা জরিমানা বা অন্য কোনো অর্থ আদায়যোগ্য বা পাওনা হয় তাহার অর্থ অপর কোন ব্যক্তি বা সহযোগী বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা ব্যাংকের নিকট থাকিলে, উক্ত ব্যক্তি বা ব্যাংককে পরিশোধ করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন।”।

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের ধারা ২৪৩ এর প্রতিস্থাপন

১৭৭। উক্ত আইনের ধারা ২৪৩ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ২৪৩ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:- “২৪৩। কাস্টমস এজেন্টের লাইসেন্স-(১) লাইসেন্স ব্যতীত কোনো ব্যক্তি কোনো কাস্টমস স্টেশনে বা কোনো মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে কোনো যানবাহনের প্রবেশ বা উক্ত স্থান হইতে উহার প্রস্থান বা কোনো পণ্য আমদানি বা রপ্তানি অথবা ব্যাগেজ সম্পর্কিত কোনো কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এজেন্ট হিসাবে কার্য সম্পাদন করিতে পারিবেন না। (২) উপ-ধারা (১) এর অধীন লাইসেন্স প্রদানের পদ্ধতি এবং আনুষঙ্গিক বিষয়সমূহ বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।”।

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের ধারা ২৫৮ এর সংশোধন

১৭৮। উক্ত আইনের ধারা ২৫৮ এর উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “শুল্ক হার অথবা” শব্দগুলি বিলুপ্ত হইবে।

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের প্রথম তফসিল এর প্রতিস্থাপন

১৭৯। উক্ত আইনের প্রথম তফসিলের পরিবর্তে এই আইনের তফসিল-১ এ উল্লিখিত প্রথম তফসিল (পৃথকভাবে মুদ্রিত) প্রতিস্থাপিত হইবে। [ কাস্টমস আইন, ২০২৩ , অতঃপর কাস্টমস আইন বলিয়া উল্লিখিত, এর প্রথম তফসিল এ নিম্নলিখিত সংশোধনীগুলি অন্তর্ভুক্ত হইবে:] (১) 34 নং পৃষ্ঠার কলাম (1) এ উল্লিখিত Heading 08.01 এর আওতাভুক্ত কলাম (2) তে বর্ণিত H.S. Code 0801.31.90 এর বিপরীতে কলাম (5) এ উল্লিখিত Statutory Rate of Customs Duty on Import “25” এর পরিবর্তে “15” প্রতিস্থাপিত হইবে। (২) 34 নং পৃষ্ঠার কলাম (1) এ উল্লিখিত Heading 08.01 এর আওতাভুক্ত কলাম (2) তে বর্ণিত H.S. Code 0801.32.90 এর বিপরীতে কলাম (5) এ উল্লিখিত Statutory Rate of Customs Duty on Import “25” এর পরিবর্তে “15” প্রতিস্থাপিত হইবে। (৩) ২৫২ নং পৃষ্ঠার কলাম (1) এ উল্লিখিত Heading 76.12 এর আওতাভুক্ত কলাম (2) তে বর্ণিত H.S. Code 7612.90.10 এর বিপরীতে কলাম (3) এ উল্লিখিত Description “Aluminium can for inhaler, 19 ml; Aluminium sachet printed with name of medicine” এর পরিবর্তে “Aluminium can for inhaler; Aluminium sachet printed with name of medicine” প্রতিস্থাপিত হইবে। (৪) ২৮৪ নং পৃষ্ঠার কলাম (1) এ উল্লিখিত Heading 84.71 এর আওতাভুক্ত কলাম (2) তে বর্ণিত H.S. Code 8471.49.00 ও 8471.50.00 এবং উহাদের বিপরীতে কলাম (3), (4), (5) ও (6) এ উল্লিখিত এন্ট্রিসমূহের পরিবর্তে নিম্নবর্ণিত H.S. Codes এবং উহাদের বিপরীতে কলাম (3), (4), (5) ও (6) এ উল্লিখিত এন্ট্রিসমূহ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

‑‑ Other, presented in the form of systems

8471.49.10

--- Personal Desktop Computer

u

0%

Free

8471.49.90

--- Other

u

5%

Free

‑ Processing units other than those of subheading 8471.41 or 8471.49, whether or not containing in the same housing one or two of the following types of unit: storage units, input units, output units

8471.50.10

--- Processing Unit for Personal Desktop Computer

u

0%

Free

8471.50.90

--- Other

u

5%

Free


Footnotes

Click here to see the original act on the Bangladesh Legal Database.